১০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ঠ ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ১৯০ বছরের শাসনের অবসান,এ ভুখন্ডের সীমানা নিধারণ করে নতুন রাজনীতি,সরকার ,সংবিধান ও বাজেট প্রণয়ন করে গণতান্ত্রিক ভাবে প্রশাসনিক যাত্রা শুরু, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ করাএবং রাজনীতির ধারাবাহিকতার প্রেক্ষিতে বতমান বাংলাদেশের (১৫ আগষ্ঠ)যাত্রার দিনেবাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটির পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশের সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন —মাওলানা ওবায়দুল হক

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • Update Time : ০২:৪৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৪ Time View
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল হক বলেছেন, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে মীরজাফরদের ষড়যন্ত্রে মুসলমানদের প্রতিনিধি নবাব সিরাজ-উদ্দৌলার কাছ হতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন চালু করে ১৯০ বছর পর অগণিত মানুষের আত্মত্যাগের ফলে মুসলমানদের নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে ।ব্রিটিশ শাসনের সময় উপমহাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, সোনা–হীরা-জহরত ও মানুষকে শোষণের ট্যাক্সের টাকা ব্রিটেনে পাচার করা হতো। মানুষকে দিয়ে নীল এবং আফিম চাষ করিয়ে তা আন্তর্জাতিক বাজারে চড়া দামে বিক্রি করে মুনাফা পাচার করে ব্রিটেনকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করা হয়েছে। । সম্পদ পাচারের ফলেই ধনী উপমহাদেশ দরিদ্র অঞ্চলে পরিণত হয় এবং ব্রিটেনে শিল্প বিপ্লব ঘটিয়ে বিট্রিশরা উন্নতির শীষে চলে যায়।১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগষ্ঠ নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা, প্রশাসন, রাজনীতি ও সাংবিধানিক বিকাশের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে ।
১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্টের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের যাত্রা শুরু করে রাজনীতির বিভিন্ন ঘটনার ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর লাখ লাখ মানুষের আত্মত্যাগে স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করা সম্ভব হয়েছে। তাই স্বাধীন বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক দল-সংগঠন, সকল প্রতিষ্ঠানসহ পাঠ্যপুস্তকে বতমান বাংলাদেশের বিগত দিনের ব্যাক্তি বা রাজনীতির কাযক্রম, রাজনীতির ইতিহাস বা সকল কাযক্রমের ধারাবাহিকতার ইতিহাস নিরপেক্ষভবে রচনা করে তা পালন করতে হবে।
১৯৪৭ সালের ১৫ই আগষ্ঠ এ ভুখন্ডে ঔপনৈবেশিক শাসন ব্যবস্থাকে বিদায় দেয়া হলেও স্বাধীন বাংলাদেশে ব্রিটিশ ঔপনৈবেশিক শাসন ব্যবস্থার মতো রাজনীতি ও সরকার, রাষ্ট্র পরিচালনার দুবলতা , বৈষম্য,জবাবদিহীতার অভাব, রাষ্ট্রিয় সন্ত্রাস এবং নাগরিক অধিকারের ঘাটতির কারণে ২০২৪সালের জুলাইর আন্দালনে হাজারো মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে । ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন ও সরকার পরিবর্তনের মতো ভবিষ্যতে যেন রাজনৈতিক সংকটের কারণে কোনো নাগরিককে জীবন দিতে না হয়, সে জন্য রাষ্ট্রধম ইসলাম,গণতন্ত্র, সবার জন্য সমান আইনের শাসন,রাষ্ট্রিয় বাজেটের সমান ব্যবহার, জবাবদিহিতা সুশাসন, ও নাগরিক অধিকার শক্তিশালী করতে হবে।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটির পক্ষ হতে ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগষ্ঠ ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকে বিদায় করা হলেও বতমান বাংলাদেশে ধনী-গরীব ব্যবধান বা বৈষম্য দুর করে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানকে অগ্রাধিকার দিয়ে এদেশের সবার জন্য সকল স্তরে সবার জন্য সমান রাষ্ট্রিয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে সত্যিকারের ব্রিটিশ ঔপনৈবেশিক শাসন ব্যবস্থাকে দুর করে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু করার জন্য পাটির পক্ষ হতে আহবান জানানো হয়েছে। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ঠ ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ১৯০ বছরের শাসনের অবসান,এ ভুখন্ডের সীমানা নিধারণ করে নতুন রাজনীতি,সরকার ,সংবিধান ও বাজেট প্রণয়ন করে গণতান্ত্রিক ভাবে প্রশাসনিক যাত্রা শুরু, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ করাএবং রাজনীতির ধারাবাহিকতার প্রেক্ষিতে বতমান বাংলাদেশের (১৫ আগষ্ঠ)যাত্রার দিনেবাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটির পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশের সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন —মাওলানা ওবায়দুল হক

Update Time : ০২:৪৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল হক বলেছেন, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে মীরজাফরদের ষড়যন্ত্রে মুসলমানদের প্রতিনিধি নবাব সিরাজ-উদ্দৌলার কাছ হতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন চালু করে ১৯০ বছর পর অগণিত মানুষের আত্মত্যাগের ফলে মুসলমানদের নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে ।ব্রিটিশ শাসনের সময় উপমহাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, সোনা–হীরা-জহরত ও মানুষকে শোষণের ট্যাক্সের টাকা ব্রিটেনে পাচার করা হতো। মানুষকে দিয়ে নীল এবং আফিম চাষ করিয়ে তা আন্তর্জাতিক বাজারে চড়া দামে বিক্রি করে মুনাফা পাচার করে ব্রিটেনকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করা হয়েছে। । সম্পদ পাচারের ফলেই ধনী উপমহাদেশ দরিদ্র অঞ্চলে পরিণত হয় এবং ব্রিটেনে শিল্প বিপ্লব ঘটিয়ে বিট্রিশরা উন্নতির শীষে চলে যায়।১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগষ্ঠ নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা, প্রশাসন, রাজনীতি ও সাংবিধানিক বিকাশের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে ।
১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্টের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের যাত্রা শুরু করে রাজনীতির বিভিন্ন ঘটনার ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর লাখ লাখ মানুষের আত্মত্যাগে স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করা সম্ভব হয়েছে। তাই স্বাধীন বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক দল-সংগঠন, সকল প্রতিষ্ঠানসহ পাঠ্যপুস্তকে বতমান বাংলাদেশের বিগত দিনের ব্যাক্তি বা রাজনীতির কাযক্রম, রাজনীতির ইতিহাস বা সকল কাযক্রমের ধারাবাহিকতার ইতিহাস নিরপেক্ষভবে রচনা করে তা পালন করতে হবে।
১৯৪৭ সালের ১৫ই আগষ্ঠ এ ভুখন্ডে ঔপনৈবেশিক শাসন ব্যবস্থাকে বিদায় দেয়া হলেও স্বাধীন বাংলাদেশে ব্রিটিশ ঔপনৈবেশিক শাসন ব্যবস্থার মতো রাজনীতি ও সরকার, রাষ্ট্র পরিচালনার দুবলতা , বৈষম্য,জবাবদিহীতার অভাব, রাষ্ট্রিয় সন্ত্রাস এবং নাগরিক অধিকারের ঘাটতির কারণে ২০২৪সালের জুলাইর আন্দালনে হাজারো মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে । ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন ও সরকার পরিবর্তনের মতো ভবিষ্যতে যেন রাজনৈতিক সংকটের কারণে কোনো নাগরিককে জীবন দিতে না হয়, সে জন্য রাষ্ট্রধম ইসলাম,গণতন্ত্র, সবার জন্য সমান আইনের শাসন,রাষ্ট্রিয় বাজেটের সমান ব্যবহার, জবাবদিহিতা সুশাসন, ও নাগরিক অধিকার শক্তিশালী করতে হবে।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পাটির পক্ষ হতে ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগষ্ঠ ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকে বিদায় করা হলেও বতমান বাংলাদেশে ধনী-গরীব ব্যবধান বা বৈষম্য দুর করে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানকে অগ্রাধিকার দিয়ে এদেশের সবার জন্য সকল স্তরে সবার জন্য সমান রাষ্ট্রিয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে সত্যিকারের ব্রিটিশ ঔপনৈবেশিক শাসন ব্যবস্থাকে দুর করে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু করার জন্য পাটির পক্ষ হতে আহবান জানানো হয়েছে। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)