০১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
https://www.facebook.com/obaidul1991
বাঁশখালীতে পাওনা টাকা পরিশোধের পরও হয়রানি ও মিথ্যা মামলা, ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি, (মোঃ জসীম উদ্দীন):
- Update Time : ০৩:২০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৭৬ Time View

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি, (মোঃ জসীম উদ্দীন): চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পাওনা টাকা সম্পূর্ণ পরিশোধ করার পরও খালি চেক, অলিখিত স্টাম্প এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র আটকে রেখে হয়রানি ও মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই হয়রানি থেকে বাঁচতে এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মাওলানা বোরহান উদ্দিন।
গতকাল সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাঁশখালী প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী মাওলানা বোরহান উদ্দিন জানান, তিনি বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড পাইরাং এলাকার মাওলানা নজির আহমদের ছেলে। গত ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে তিনি বাঁশখালী পৌরসভার উত্তর জলদী ৩নং ওয়ার্ডের হাফেজ আহমদুর রহমানের ছেলে হাবিবুর রহমান এবং শের আলীর ছেলে জসিম উদ্দিনের কাছ থেকে লাভের ওপর ৪ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। এই টাকার নিরাপত্তা বাবদ তিনি নিজের স্বাক্ষরযুক্ত খালি নন-জুডিশিয়াল স্টাম্প এবং তারিখবিহীন দুটি ব্যাংক চেক তাদের কাছে জমা দেন।
পরবর্তীতে টাকা পরিশোধে কিছুটা দেরি হওয়ায় মাওলানা বোরহান নিজের জমি বিক্রি করে গত বছরের ৭ অক্টোবর রাতে হাবিবুর রহমান ও জসিম উদ্দিনের পাওনা ৪ লাখ টাকা সম্পূর্ণ বুঝিয়ে দেন। টাকা গ্রহণের পর পূর্বশর্ত অনুযায়ী জামানতের চেক ও স্টাম্প ফেরত চাইলে তারা পরদিন সকালে তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

ভুক্তভোগী মাওলানা বোরহান উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরল বিশ্বাসে আমি রাতে ডকুমেন্ট না নিয়ে সকালে তাদের কাছে যাই। কিন্তু তারা ডকুমেন্ট ফেরত দিতে পরিষ্কার অস্বীকার করেন এবং আমার ওপর বেকে বসেন। উল্টো তারা আমার কাছে আরও মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি শুরু করেছে।
খবর পেয়ে আমিও আমার স্টাম্প, ব্যাংক চেক ও ডকুমেন্ট উদ্ধারে মামলা করেছি।
কিন্তু তারা প্রভাবশালী হওয়ায় আমি হয়রানির শিকার হচ্ছি।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জসিম উদ্দিন বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেন, মাওলানা বোরহান উদ্দিন জমি বিক্রির কথা বলে তার কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়েছেন এবং সেই বাবদ নথিপত্র তার কাছে রয়েছে। টাকা পরিশোধের পর নথিপত্র ফেরত না দেওয়া বা হয়রানির অভিযোগটি সত্য নয়।
টাকা পরিশোধের পরও চেক ও স্টাম্প জিম্মি করে অর্থ আত্মসাৎ ও আইনি হয়রানির এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রতিকার চেয়েছেন ভুক্তভোগী মাওলানা বোরহান উদ্দিন।
Tag :
























