০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

সুন্দর সকালের দিকে” ——— মোশারফ হোসেন

Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৪৮৮ Time View

 

মানুষ থেকে মানবতার সৃষ্টি। মানবতার সাথে জড়িয়ে আছে নিঃস্বার্থ শব্দটি। মানুষ যখন
মানুষের কল্যানে কাজ করে তখন সেই মানুষটি নিজের স্বার্থের বাইরে থাকে। বর্তমানে
আমাদের সমাজে স্বার্থের বাহিরে নিঃস্বার্থভাবে মানুষ কাজ করে একথাটা বলা মনে হয় ঠিক
হবে না। মনে করুন প্রত্যক্ষভাবে নিজস্ব স্বার্ধ না থাকলেও পরোক্ষভাবে রয়েছে বিভিন্ন
স্বার্থ। মানুষ আজ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত। ১৯৭১ সালে এদেশের সকল শ্রেণীর মানুষ
মূলত অধিকার আদায়ের জন্য তা সম্ভব হয়েছিল কিন্তু আজ পর্যন্ত তা সম্ভব হচ্ছে না।
টাকার জোরে কিনে নেয় তাদের নিজস্ব অধিকার। পাশাপাশি ক্ষমতার কাছে বিক্রী হচ্ছে আইন
ও মানবতা। ধনী গরিব মিলেই আমাদের সমাজ ব্যবস্থা। সমাজকে দোষারোপ করে কোন লাভ
নাই। সমাজের গরীররা সব সময় ধনীদেরকে ইজ্জত করে। ধনীরা সমাজে বসবাসকারী
গরিবদেরকে আড়দৃষ্টিতে দেখে। ধনীরা তাদের অস্তিত্ব খাটাতে প্রস্তুত থাকে। মুখে মুখে

মানবতাবাদীর কথা থাকলেও অন্তরে থাকে মানবতাবিরোধী বিষবাস্পের পরিকল্পনা। আমরা
জানি দেশপ্রেম সৃষ্টি হয় নাগরিকের আত্মসম্মান বোধ থেকে। যে জাতির আত্মসম্মান বোধ
বেশী সে জাতির দেশপ্রেম তত বেশী। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা থেকেই দেশপ্রেমের
জন্ম। দেশপ্রেম পরাধীনতার দুঃখ থেকে পরিত্রান পাওয়ার প্রেরনা সৃষ্টি করে। ষাটের দশকে
জন এফ কেনেডি যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তখন তিনি একটি উক্তি প্রকাশ করেছিলেন
– আপনার দেশ আপনার জন্য কী করেছে সে প্রশ্ন করবেন না, প্রশ্ন করুন আপনি দেশের
জন্য কী করতে পারেন। মানুষের সামাজিক অবস্থান তৈরী হয় বিশেষ করে তার চারিত্রিক
বৈশিষ্ট থেকে। আজ দেখা যায় ধন সম্পদ জিবনের জৌলুসকে যতোটা বৃদ্ধি না করে, তার চেয়ে
অনেক বেশী বৃদ্ধি করে জীবনের নিদ্রাবিহীন যন্ত্রনা ও হাহাকার। আমাদের দেশের নামী দামী
শিক্ষিতরা দেশ থেকে বিদেশে সুখে বসবাস করার জন্য অর্থ পাঁচার করেছে। বিদেশে টাকা
পাচারে দক্ষিন এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। ওয়াশিংটন ডি সি ভিত্তিক গ্লোবাল
ফাইনান্সিয়াল এন্টেগ্রিটি এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। (সূত্র- ইত্তেফাক
অনলাইন ডেক্স তাং ২৯/১/২০১৯ইং। সংস্থাটি জানায় ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে চার
প্রক্রিয়ায় ৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। এ টাকা বেশীর ভাগ বৈদেশিক বাণিজ্যে
জালিয়াতির মাধ্যমে পাচার করা হয়। ইরানের ইমাম ঈদুল ফিতরের খুৎবায় জনগনের অধিকার
সমন্ধে বলেছিলেন “ আমাদের সহানুভূতিশীল পরামর্শ হলে মানুষের পাশে দাড়াতে হবে। তাদের
উচিৎ ইরানি জনগনের ন্যার্য দাবী মেনে নেয়া। যতদিন জনগন সহযোগিতা না করবে এবং
অসন্তুষ্ট থাকবে ততদিন দেশে কেবল সমস্যা বাড়বে। জনগনের নীরবতা অর্থ এই নয় যে
জাতি সন্তুষ্ট, আমাদের উচিৎ জনগনের সংগে বসে কথা বলা। সমস্যাগুলো যে কোন উপায়ে
সমাধান করা, যাতে জনগন সন্তুষ্ট হয়। (সূত্র- ভয়েস অফ আমেরিকা, এপ্রিল ২২, ২০২৩
ইং)। সাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশের এই অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ ৫ শক্তিশালী মুখের
একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, তাকে
ডঃ ইউনূস সরকারে একটি বড় ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। সাখাওয়াত হোসেন
স্বরাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এবং এর আগে বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কাজ

করেছিলেন। এই জন্য তাঁকে এত অপরাধ সত্বেও উপদেষ্টা মন্ডলী থেকে বিতাড়িত করা যায়নি
৷ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে বস্ত্রশিল্প মন্ত্রনালয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল ।
সাখাওয়াত হোসেন বলেছিলেন, কোনো দেশ ও তার রাজনীতি এভাবে চলতে পারে না। তিনি বলেন,
১৯৭১ সালে দেশকে স্বাধীন করতে হাজার হাজার মানুষ যুদ্ধ করেছে এবং ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ
দিয়েছে। বাংলাদেশ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। শেখ হাসিনাকে অনেকে গত এক যুগ ধরে
‘আয়রন লেডি’ বলে বর্ণনা করেছিলেন। সাড়ে ১৫ বছর যাবৎ ক্ষমতায় টিকে থাকা একজন
জেদী প্রধানমন্ত্রী এভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবেন সেটি অনেক ধারণাই করতে পারেননি।
বাংলাদেশের ইতিহাসে ক্ষমতাচ্যুত হবার পর কোনো ব্যক্তি এভাবে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য
হননি। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ
রেহানা প্রতিবেশী দেশ ভারতে পলিয়ে যেতে বাধ্য হন। ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে হাসিনা সরকার
কয়টা মামলা দিয়েছে জানেন? কেন দিয়েছে জানেন? কারণ তারাও জানতো তারা বিতাড়িত হলে
ড. ইউনূসই ক্ষমতায় আসবে। জানতো বলেই ৮৩ বছরের প্রবীণ বিশ্ববরেণ্য একজন
ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে শত শত মামলা করেছিল। জানতো বলেই ওবায়দুল কাদের বলেছিল "কি
ফকরুল সাহেব জায়গা দিবেন না?" তারা জানতো তাদের পায়ের তলার মাটি আস্তে আস্তে সরে
যাচ্ছিল। ড. ইউনূস কি দুর্নীতি করেছে? তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেই কিছু অন্যায়
করেছিলেন। ট্যাক্স ধরে টান দিলে বাংলাদেশের ৯৮% মানুষকে ফাঁসানো সম্ভব। ড. ইউনূসের
চেয়ে হাজার না বরং লক্ষ কোটি গুন্ বেশি দুর্নীতি করেছে সালমান রহমান, এস আলমসহ
আরো অসংখ্য মানুষ। অথচ তারা ছিল রাজার হালে। সমস্যাটা দুর্নীতি ফুর্নীতি না। সমস্যাটা
ছিল ভয় আর ঈর্ষা। সমস্যা ছিল দুর্নীতিবাজরা যদি উনার দলের হয় তাহলে ধোয়া তুলসীপাতা।
আর তা না হলে সে দুর্নীতিবাজ। এইটাই আসল সমস্যা। যারা আওয়ামীলীগ করে তারা এখন ড.
ইউনূসের উপর রাগ কারন তারা এখন শেখ হাসিনা সরকারের ছায়াতলে বসে দুর্নীতি করতে
পারছে না। বন্ধুগন সত্য ঢোল পিটিয়ে প্রকাশ করতে হয়না। সত্য এমন একটি শব্দ যে নিজের
মতোই প্রকাশিত হয়ে যায় তার জন্য আমাদেরকে কিছু সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়। আসুন
দেশ থেকে ঘুষ দূর্নীতি ও অর্থপাঁচার রোধে এগিয়ে যাই সুন্দর সকালের দিকে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

সুন্দর সকালের দিকে” ——— মোশারফ হোসেন

Update Time : ০২:৩৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

 

মানুষ থেকে মানবতার সৃষ্টি। মানবতার সাথে জড়িয়ে আছে নিঃস্বার্থ শব্দটি। মানুষ যখন
মানুষের কল্যানে কাজ করে তখন সেই মানুষটি নিজের স্বার্থের বাইরে থাকে। বর্তমানে
আমাদের সমাজে স্বার্থের বাহিরে নিঃস্বার্থভাবে মানুষ কাজ করে একথাটা বলা মনে হয় ঠিক
হবে না। মনে করুন প্রত্যক্ষভাবে নিজস্ব স্বার্ধ না থাকলেও পরোক্ষভাবে রয়েছে বিভিন্ন
স্বার্থ। মানুষ আজ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত। ১৯৭১ সালে এদেশের সকল শ্রেণীর মানুষ
মূলত অধিকার আদায়ের জন্য তা সম্ভব হয়েছিল কিন্তু আজ পর্যন্ত তা সম্ভব হচ্ছে না।
টাকার জোরে কিনে নেয় তাদের নিজস্ব অধিকার। পাশাপাশি ক্ষমতার কাছে বিক্রী হচ্ছে আইন
ও মানবতা। ধনী গরিব মিলেই আমাদের সমাজ ব্যবস্থা। সমাজকে দোষারোপ করে কোন লাভ
নাই। সমাজের গরীররা সব সময় ধনীদেরকে ইজ্জত করে। ধনীরা সমাজে বসবাসকারী
গরিবদেরকে আড়দৃষ্টিতে দেখে। ধনীরা তাদের অস্তিত্ব খাটাতে প্রস্তুত থাকে। মুখে মুখে

মানবতাবাদীর কথা থাকলেও অন্তরে থাকে মানবতাবিরোধী বিষবাস্পের পরিকল্পনা। আমরা
জানি দেশপ্রেম সৃষ্টি হয় নাগরিকের আত্মসম্মান বোধ থেকে। যে জাতির আত্মসম্মান বোধ
বেশী সে জাতির দেশপ্রেম তত বেশী। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা থেকেই দেশপ্রেমের
জন্ম। দেশপ্রেম পরাধীনতার দুঃখ থেকে পরিত্রান পাওয়ার প্রেরনা সৃষ্টি করে। ষাটের দশকে
জন এফ কেনেডি যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তখন তিনি একটি উক্তি প্রকাশ করেছিলেন
– আপনার দেশ আপনার জন্য কী করেছে সে প্রশ্ন করবেন না, প্রশ্ন করুন আপনি দেশের
জন্য কী করতে পারেন। মানুষের সামাজিক অবস্থান তৈরী হয় বিশেষ করে তার চারিত্রিক
বৈশিষ্ট থেকে। আজ দেখা যায় ধন সম্পদ জিবনের জৌলুসকে যতোটা বৃদ্ধি না করে, তার চেয়ে
অনেক বেশী বৃদ্ধি করে জীবনের নিদ্রাবিহীন যন্ত্রনা ও হাহাকার। আমাদের দেশের নামী দামী
শিক্ষিতরা দেশ থেকে বিদেশে সুখে বসবাস করার জন্য অর্থ পাঁচার করেছে। বিদেশে টাকা
পাচারে দক্ষিন এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। ওয়াশিংটন ডি সি ভিত্তিক গ্লোবাল
ফাইনান্সিয়াল এন্টেগ্রিটি এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। (সূত্র- ইত্তেফাক
অনলাইন ডেক্স তাং ২৯/১/২০১৯ইং। সংস্থাটি জানায় ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে চার
প্রক্রিয়ায় ৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। এ টাকা বেশীর ভাগ বৈদেশিক বাণিজ্যে
জালিয়াতির মাধ্যমে পাচার করা হয়। ইরানের ইমাম ঈদুল ফিতরের খুৎবায় জনগনের অধিকার
সমন্ধে বলেছিলেন “ আমাদের সহানুভূতিশীল পরামর্শ হলে মানুষের পাশে দাড়াতে হবে। তাদের
উচিৎ ইরানি জনগনের ন্যার্য দাবী মেনে নেয়া। যতদিন জনগন সহযোগিতা না করবে এবং
অসন্তুষ্ট থাকবে ততদিন দেশে কেবল সমস্যা বাড়বে। জনগনের নীরবতা অর্থ এই নয় যে
জাতি সন্তুষ্ট, আমাদের উচিৎ জনগনের সংগে বসে কথা বলা। সমস্যাগুলো যে কোন উপায়ে
সমাধান করা, যাতে জনগন সন্তুষ্ট হয়। (সূত্র- ভয়েস অফ আমেরিকা, এপ্রিল ২২, ২০২৩
ইং)। সাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশের এই অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ ৫ শক্তিশালী মুখের
একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, তাকে
ডঃ ইউনূস সরকারে একটি বড় ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। সাখাওয়াত হোসেন
স্বরাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এবং এর আগে বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কাজ

করেছিলেন। এই জন্য তাঁকে এত অপরাধ সত্বেও উপদেষ্টা মন্ডলী থেকে বিতাড়িত করা যায়নি
৷ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে বস্ত্রশিল্প মন্ত্রনালয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল ।
সাখাওয়াত হোসেন বলেছিলেন, কোনো দেশ ও তার রাজনীতি এভাবে চলতে পারে না। তিনি বলেন,
১৯৭১ সালে দেশকে স্বাধীন করতে হাজার হাজার মানুষ যুদ্ধ করেছে এবং ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ
দিয়েছে। বাংলাদেশ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। শেখ হাসিনাকে অনেকে গত এক যুগ ধরে
‘আয়রন লেডি’ বলে বর্ণনা করেছিলেন। সাড়ে ১৫ বছর যাবৎ ক্ষমতায় টিকে থাকা একজন
জেদী প্রধানমন্ত্রী এভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবেন সেটি অনেক ধারণাই করতে পারেননি।
বাংলাদেশের ইতিহাসে ক্ষমতাচ্যুত হবার পর কোনো ব্যক্তি এভাবে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য
হননি। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ
রেহানা প্রতিবেশী দেশ ভারতে পলিয়ে যেতে বাধ্য হন। ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে হাসিনা সরকার
কয়টা মামলা দিয়েছে জানেন? কেন দিয়েছে জানেন? কারণ তারাও জানতো তারা বিতাড়িত হলে
ড. ইউনূসই ক্ষমতায় আসবে। জানতো বলেই ৮৩ বছরের প্রবীণ বিশ্ববরেণ্য একজন
ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে শত শত মামলা করেছিল। জানতো বলেই ওবায়দুল কাদের বলেছিল "কি
ফকরুল সাহেব জায়গা দিবেন না?" তারা জানতো তাদের পায়ের তলার মাটি আস্তে আস্তে সরে
যাচ্ছিল। ড. ইউনূস কি দুর্নীতি করেছে? তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেই কিছু অন্যায়
করেছিলেন। ট্যাক্স ধরে টান দিলে বাংলাদেশের ৯৮% মানুষকে ফাঁসানো সম্ভব। ড. ইউনূসের
চেয়ে হাজার না বরং লক্ষ কোটি গুন্ বেশি দুর্নীতি করেছে সালমান রহমান, এস আলমসহ
আরো অসংখ্য মানুষ। অথচ তারা ছিল রাজার হালে। সমস্যাটা দুর্নীতি ফুর্নীতি না। সমস্যাটা
ছিল ভয় আর ঈর্ষা। সমস্যা ছিল দুর্নীতিবাজরা যদি উনার দলের হয় তাহলে ধোয়া তুলসীপাতা।
আর তা না হলে সে দুর্নীতিবাজ। এইটাই আসল সমস্যা। যারা আওয়ামীলীগ করে তারা এখন ড.
ইউনূসের উপর রাগ কারন তারা এখন শেখ হাসিনা সরকারের ছায়াতলে বসে দুর্নীতি করতে
পারছে না। বন্ধুগন সত্য ঢোল পিটিয়ে প্রকাশ করতে হয়না। সত্য এমন একটি শব্দ যে নিজের
মতোই প্রকাশিত হয়ে যায় তার জন্য আমাদেরকে কিছু সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়। আসুন
দেশ থেকে ঘুষ দূর্নীতি ও অর্থপাঁচার রোধে এগিয়ে যাই সুন্দর সকালের দিকে।