১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলার মেঘনা নদীতে নৌকা ডুবি ,ভুক্তভোগীদের সমাধান দাবী

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৩:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৩৪ Time View
বিশেষ প্রতিনিধি :মাছের ভারে ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার ট্রলার জেলে নদীতে ডুবে যাচ্ছে। পর পর কয়েকটি ঘটনা সংশ্লিষ্টদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। অথৈ জলে মাছ ধরতে গিয়ে প্রচুর মাছ আটকানো মাছসহ জাল ও ট্রলার ইঞ্জিন চালিয়ে নিকটস্থ নিরাপদ স্থানে গিয়ে মোবাইল ফোন করে ঘাটের কোন নৌ-মাঝির কাছে মাছ সরিয়ে দিয়ে অন্য বাজারে বিক্রির জন্য তাগাদা দিতে গিয়ে ও মাছ বিহীন জাল নিয়ে কূলে গিয়ে দাদন নেওয়া আড়ৎদারের কাছে মাছ না পাওয়ার গল্প করার পাপ সৃষ্টিকর্তা সহ্য না করায়, কখনো কখনো বোটসহ মাঝি-মাল্লারা নদীতে ডুবে গেছে। দীর্ঘ দিন যাবত নদীতে মাঝি-মাল্লাদের এমন ফাঁকি দেওয়ার কান্ড চলে আসছিল। দাদন নেওয়া ভূক্তভোগী আড়ৎদারদের এমন আর্তনাদ বহু বছর ধরে মেঘনার কূলে কূলে শোনা যাচ্ছিল। দাদন নেওয়ার আগে নদীতে মাছ পড়ে, মাছ পড়ে; গল্প শোনা যেত। এমন গল্প মাঝি মাল্লারাই করতে দেখা যেত। এই গল্পের সত্যতা ধরে দাদন ব্যবসায়ীরাও সুদের ব্যবসার আশায় মাঝি মাল্লাদেরকে দাদন দিত। অর্থ লগ্নিকারী সরকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও তারা আইনে বেআইনে অনেক টাকা-পয়সা নিয়ে নদীর মাঝি-মাল্লাদেরকে দাদন দিত।
দাদন নিয়ে মাঝি-মাল্লারা পগারপার। আর দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে শুধু মাঝি-মাল্লাদের দুঃখ সংবাদ পাঠাত। মাছ ধরে মাছগুলো চোরাই পথে অন্য ঘাটের মাছের আড়তে বিক্রি করে কূলে এসে দাদন ব্যবসায়ীদেরকে লামছাম বুঝ দিত। এমনকি দাদন ব্যবসায়ীদেরকে বা আড়ৎদারদেরকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য মাছ ও জাল অন্য নৌকায় উঠিয়ে দিয়ে নিজেদের বোট নিজেরা ডুবিয়ে দিয়ে অন্য নৌকায় করে কূলে এসে নৌকা ডুবে যাওয়ার গল্প করে বছরের পর বছর দাদন ব্যবসায়ীদের টাকা ঘুরাতে থাকত। এমনকি মাঝি-মাল্লাদের জামাই বাড়িতে ও পুত্রের বৈবাহিক সম্পর্কের বেয়াই বাড়িতে লক্ষ লক্ষ টাকার সদাই ও সোনা-দানা, গহনা-ঘাটি এমনকি একাধিক জামাই সৌদি যাওয়ার সকল টাকা ঐ দাদন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ঐ সকল তেলেসমাতি করে- মাঝি-মাল্লাদের নেওয়ার তথ্যও রয়েছে প্রচুর। তাই মেঘনার কূলের জেলে পল্লীগুলোতো কখনো থেমে থেমে, কখনো মুষলধারে, কখনো মাঝে মাঝে- “রটে চলা” নৌকা ডুবে যাওয়ার খবর পুরোপুরি সত্য নয়।
কেননা- ঐ সকল হারামীভাবে দাদন নেওয়া দৌলতখানের মাঝি তার শ্যালোকের বউ ধর্ষন করার জন্য চরফ্যাশনে জমি কিনে ঘরবাড়ি করার পর শ্যালোকের বউকে স্বামী ফাঁকা করার জন্য টাকা-পয়সা দাদন নিয়ে শ্যালোককে ওমান প্রবাসী করন অন্তে যখন দেখতে পেল শ্যালোকের বউ তার নিজের সহোদর বড়  ভাইয়ের জ্যেষ্ঠ শ্যলোকের সাথে সন্তান সম্ভবা নারী- তখনই দৌলতখানের মাঝি ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর দুই নং ওয়ার্ডে থেকে শ্যালোকের বউয়ের উপর প্রযুক্ত চেষ্টার ব্যর্থতার দাধ্ নিতে গিয়ে- এহেন বহু থলের বহু বিড়ালী কান্ড বা দাদন ব্যবসায়ী বনাম মাঝি-মাল্লা কান্ড বেড়িয়ে পড়ে। ছবিতে- ভোলার মেঘনা নদীতে জাল-মাছসহ নৌকা ডুবির সাজানো কান্ড।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলার মেঘনা নদীতে নৌকা ডুবি ,ভুক্তভোগীদের সমাধান দাবী

Update Time : ০৩:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশেষ প্রতিনিধি :মাছের ভারে ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার ট্রলার জেলে নদীতে ডুবে যাচ্ছে। পর পর কয়েকটি ঘটনা সংশ্লিষ্টদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। অথৈ জলে মাছ ধরতে গিয়ে প্রচুর মাছ আটকানো মাছসহ জাল ও ট্রলার ইঞ্জিন চালিয়ে নিকটস্থ নিরাপদ স্থানে গিয়ে মোবাইল ফোন করে ঘাটের কোন নৌ-মাঝির কাছে মাছ সরিয়ে দিয়ে অন্য বাজারে বিক্রির জন্য তাগাদা দিতে গিয়ে ও মাছ বিহীন জাল নিয়ে কূলে গিয়ে দাদন নেওয়া আড়ৎদারের কাছে মাছ না পাওয়ার গল্প করার পাপ সৃষ্টিকর্তা সহ্য না করায়, কখনো কখনো বোটসহ মাঝি-মাল্লারা নদীতে ডুবে গেছে। দীর্ঘ দিন যাবত নদীতে মাঝি-মাল্লাদের এমন ফাঁকি দেওয়ার কান্ড চলে আসছিল। দাদন নেওয়া ভূক্তভোগী আড়ৎদারদের এমন আর্তনাদ বহু বছর ধরে মেঘনার কূলে কূলে শোনা যাচ্ছিল। দাদন নেওয়ার আগে নদীতে মাছ পড়ে, মাছ পড়ে; গল্প শোনা যেত। এমন গল্প মাঝি মাল্লারাই করতে দেখা যেত। এই গল্পের সত্যতা ধরে দাদন ব্যবসায়ীরাও সুদের ব্যবসার আশায় মাঝি মাল্লাদেরকে দাদন দিত। অর্থ লগ্নিকারী সরকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও তারা আইনে বেআইনে অনেক টাকা-পয়সা নিয়ে নদীর মাঝি-মাল্লাদেরকে দাদন দিত।
Sonali Shop – online shop in Bangladesh
দাদন নিয়ে মাঝি-মাল্লারা পগারপার। আর দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে শুধু মাঝি-মাল্লাদের দুঃখ সংবাদ পাঠাত। মাছ ধরে মাছগুলো চোরাই পথে অন্য ঘাটের মাছের আড়তে বিক্রি করে কূলে এসে দাদন ব্যবসায়ীদেরকে লামছাম বুঝ দিত। এমনকি দাদন ব্যবসায়ীদেরকে বা আড়ৎদারদেরকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য মাছ ও জাল অন্য নৌকায় উঠিয়ে দিয়ে নিজেদের বোট নিজেরা ডুবিয়ে দিয়ে অন্য নৌকায় করে কূলে এসে নৌকা ডুবে যাওয়ার গল্প করে বছরের পর বছর দাদন ব্যবসায়ীদের টাকা ঘুরাতে থাকত। এমনকি মাঝি-মাল্লাদের জামাই বাড়িতে ও পুত্রের বৈবাহিক সম্পর্কের বেয়াই বাড়িতে লক্ষ লক্ষ টাকার সদাই ও সোনা-দানা, গহনা-ঘাটি এমনকি একাধিক জামাই সৌদি যাওয়ার সকল টাকা ঐ দাদন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ঐ সকল তেলেসমাতি করে- মাঝি-মাল্লাদের নেওয়ার তথ্যও রয়েছে প্রচুর। তাই মেঘনার কূলের জেলে পল্লীগুলোতো কখনো থেমে থেমে, কখনো মুষলধারে, কখনো মাঝে মাঝে- “রটে চলা” নৌকা ডুবে যাওয়ার খবর পুরোপুরি সত্য নয়।
কেননা- ঐ সকল হারামীভাবে দাদন নেওয়া দৌলতখানের মাঝি তার শ্যালোকের বউ ধর্ষন করার জন্য চরফ্যাশনে জমি কিনে ঘরবাড়ি করার পর শ্যালোকের বউকে স্বামী ফাঁকা করার জন্য টাকা-পয়সা দাদন নিয়ে শ্যালোককে ওমান প্রবাসী করন অন্তে যখন দেখতে পেল শ্যালোকের বউ তার নিজের সহোদর বড়  ভাইয়ের জ্যেষ্ঠ শ্যলোকের সাথে সন্তান সম্ভবা নারী- তখনই দৌলতখানের মাঝি ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর দুই নং ওয়ার্ডে থেকে শ্যালোকের বউয়ের উপর প্রযুক্ত চেষ্টার ব্যর্থতার দাধ্ নিতে গিয়ে- এহেন বহু থলের বহু বিড়ালী কান্ড বা দাদন ব্যবসায়ী বনাম মাঝি-মাল্লা কান্ড বেড়িয়ে পড়ে। ছবিতে- ভোলার মেঘনা নদীতে জাল-মাছসহ নৌকা ডুবির সাজানো কান্ড।