১১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
https://sonalishopbd.com/
রায়পুরায় বিএনপি নেতার বাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ, সংঘর্ষে আহত ৭
রোমান পথিক, রায়পুরা উপজেলা প্রতিনিধি
- Update Time : ০৩:১৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
- / ৩১ Time View



রোমান পথিক, রায়পুরা: নরসিংদীর রায়পুরায় বিএনপির এক নেতার বাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ ও হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্তত সাত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রায়পুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন আলীকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। পরে দুপুরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর এবং রায়পুরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন ভূইয়া মাসুদের বাড়িতে ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন, রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমু, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, রিমন আহম্মদ ও জাহাঙ্গীর আলম। তারা রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে সংঘর্ষের সময় চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন আলীর বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজনরা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার নরসিংদী আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিতে গেলে চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন আলীর জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে রায়পুরা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে তার সমর্থকেরা মানববন্ধন করেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হলে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেলযোগে চেয়ারম্যানের বাড়ির দিক দিয়ে যাওয়ার সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পৌর এলাকার হাসিমপুর বাজারে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি। মিছিলটি বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাজার চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশ থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।
রায়পুরা থানার তদন্ত কর্মকর্তা টিএম ফরিদুল আলম জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
Tag :



























