০৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

 পঞ্চগড়ে প্রেমিকের ডাকে ছুটে এসে প্রেমিক বিহীন ঘরবন্দি অনশনে ৭২ ঘন্টা

মোখলেছুর রহমান চৌধুরী
  • Update Time : ০৩:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / ১৮৮ Time View

পঞ্চগড়-ব্যুরোপ্রধান : পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার,চাঁর নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের,গোয়াল পাড়া (পূর্ব কালিয়াগঞ্জ)এলাকার শ্রীঃতাপোষ চন্দ্র রায়(21) মুঠো ফোন- ০১৩১১ ৪৮১০০৩  পিতাঃশ্রীঃনির্মল চন্দ্র রায় এর বাড়িতে প্রবেশ করে ছেলেটির শয়ন কক্ষে একাকী বিগত 72 ঘন্টা যাবৎ প্রেমীক শ্রীঃতাপোষ চন্দ্র রায় এর জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অনশনে পাগল হয়ে যাচ্ছে প্রেমীকা সৃতি রানী।এলাকা বাসী জানায়,(ভিকটি)সৃতি রানী হচ্ছে পার্শবর্তী ইউনিয়নের বেংহাড়ী বনগ্রামের,আখরা পাড়া গ্রামের,শ্রীঃজগদীশ চন্দ্র রায় এর মেয়ে মুঠো ফোন=01304924008,ভিকটিম সৃতি রানী জানান বিগত তিন বছর ধরে তাদের গভীর প্রেম,আকাশ পাতাল ভালোবাসা দু’জনের মধ্যে পবিত্র ধর্ম গ্রন্থে হাত রেখে শপধ সহ দু’জনের একত্রিত নেগেটিভ অসংখ্য ছিনারী এন্ড্রয়েড ফোনে ছিল।ঘটনার এক সপ্তাহ পূর্বে প্রেমীক তাপোষ বিভিন্ন কৌশল করে প্রেমিকা সৃতির হাত থেকে ফোনটি নিয়ে সকল আলামত দৃশ্য পিক গুলো ডিলিট করে দেয়।এর পিছনের মূল কারন ও রহস্য হচ্ছে,তাপোষের পরিবার পরিজন আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রস্তাবের মাধ্যমে নিজের ইউনিয়ন চাঁর নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জের সামান ডাঙ্গা গ্রামে হিন্দু ধর্মমতে এক মেয়ের সঙ্গে বিয়ের দিন ধার্য ও বেহাই মিলন মেলা সহ মেয়ের পক্ষ থেকে ছেলের পক্ষকে দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা আদান প্রদান হয়।এবং কি ছেলেটি মুঠোফোন যোগে টেলিফোন করে সৃতি রানী কে বিয়ের কথা বিস্তারিত জানালে তিনি পাগলের মত নদী নালা পার হয়ে ছেলেটির দর্শনের দুইজনের পরামর্শ ক্রমে সবকিছু হয়।বর্তমানে সৃতি রানী পৃথিবীর সকল সূখ-শান্তি কবর দিয়ে দুই চোখের অশ্রুতে সাগর করে প্রেমীক তাপোষ কে জীবন সঙ্গী হিসেবে না পেলে আত্নহত্যা করার চ্যালেঞ্জ করেছেন।গতকাল (শনিবার)বিকালে দুই ইউনিয়নের কিছু কালোবাজারী সেন্টিগেট নেতা অসহায় সৃতিরানীর পিতাকে নয় ছয় বুঝ দিয়ে সামান্য 1,50,000 (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার)টাকা ছেলের বাবার কাছ থেকে জোড়পূর্বক নিয়ে (ভিকটিক)সৃতি রানীর সরজ সোজা গরীব বাবার হাতে কতটুকু দিবে জানিনা ভয়ভিত্তি দেখিয়ে সমাধানের চেষ্টায় বোয়ালমারী বারুনী মেলা গংগা স্লান মেলার মন্দিরে শোভা কক্ষে গোপন বৈঠকে পরাজিত হয়।তার পর 2য় বৈঠক বেংহাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের উপর দুই তলায় সিদ্ধান্ত হয়।সামান্য কিছু অর্থদিয়ে ফুলের মলের মত পবীত্র অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েটির জীবনটি একমাত্র সমাজের কিছু লোভী সেন্টিগেট মুখোশধারী পাচাটা কালোবাজারী লোকের জন্য হতে যাচ্ছে সৃতির জীবনটি ছাই আর মাটি।বর্তমানে ভিকটিমের বয়স হচ্ছে,21-09-2009 ইং সরকারি বিধি মোতাবেক সতের বছর অথাৎ বিবাহ বন্ধনে অপূরনীয়।অপরদিকে ছেলেটির বয়স 21 বছর পূর্তি।সাংবাদিকদের ক্যামড়ায় ভিকটিক সৃতির জবান বন্দিতে জানান প্রেমীক তাপোষ প্রেমীকা সৃতির অজান্তে একশত বিয়ে করলেও তাঁর জীবনের শেষ সঙ্গী হিসেবে থাকতে চায় ও স্ত্রীর যথাযথ মর্যাদা নিয়ে বাচতে চায় প্রেমীকা সৃতি রানী।তিনি আরো জানান সমাজ ও দুই পক্ষের কোন ডিজিশন আমার অজান্তে নিলে যে হোক না কেন আমি সকলের বিরুদ্ধে পুলিশ ফাইল করে আমার সূখ শান্তি নষ্ট করার পিছনে জড়িতদের সরাসরি কঠোর দন্ডবিধি আইনে আসামী করে নিজের জীবন নিজেই শেষ করে দিব।সৃতি রানী জানান,পরিবার,সমাজ,লোকাল প্রশাষন, বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ,জেলা প্রশাষন ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ মহোদ্বয় পর্যন্ত মিডিয়ার মাধ্যমে সূ-স্পষ্ট অবগত করা হয়।তাই অসহায় পরিবারের তরুন নিস্পাপ ফুলের মত পবিত্র সৃতির রানীর জীবন রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের কাছে উপযুক্ত যথাযথ বিচার কামনা করেন (ভিকটিম) সৃতি রানী সহ সমগ্র পঞ্চগড় বাসী।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

 পঞ্চগড়ে প্রেমিকের ডাকে ছুটে এসে প্রেমিক বিহীন ঘরবন্দি অনশনে ৭২ ঘন্টা

Update Time : ০৩:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

পঞ্চগড়-ব্যুরোপ্রধান : পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার,চাঁর নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের,গোয়াল পাড়া (পূর্ব কালিয়াগঞ্জ)এলাকার শ্রীঃতাপোষ চন্দ্র রায়(21) মুঠো ফোন- ০১৩১১ ৪৮১০০৩  পিতাঃশ্রীঃনির্মল চন্দ্র রায় এর বাড়িতে প্রবেশ করে ছেলেটির শয়ন কক্ষে একাকী বিগত 72 ঘন্টা যাবৎ প্রেমীক শ্রীঃতাপোষ চন্দ্র রায় এর জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অনশনে পাগল হয়ে যাচ্ছে প্রেমীকা সৃতি রানী।এলাকা বাসী জানায়,(ভিকটি)সৃতি রানী হচ্ছে পার্শবর্তী ইউনিয়নের বেংহাড়ী বনগ্রামের,আখরা পাড়া গ্রামের,শ্রীঃজগদীশ চন্দ্র রায় এর মেয়ে মুঠো ফোন=01304924008,ভিকটিম সৃতি রানী জানান বিগত তিন বছর ধরে তাদের গভীর প্রেম,আকাশ পাতাল ভালোবাসা দু’জনের মধ্যে পবিত্র ধর্ম গ্রন্থে হাত রেখে শপধ সহ দু’জনের একত্রিত নেগেটিভ অসংখ্য ছিনারী এন্ড্রয়েড ফোনে ছিল।ঘটনার এক সপ্তাহ পূর্বে প্রেমীক তাপোষ বিভিন্ন কৌশল করে প্রেমিকা সৃতির হাত থেকে ফোনটি নিয়ে সকল আলামত দৃশ্য পিক গুলো ডিলিট করে দেয়।এর পিছনের মূল কারন ও রহস্য হচ্ছে,তাপোষের পরিবার পরিজন আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রস্তাবের মাধ্যমে নিজের ইউনিয়ন চাঁর নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জের সামান ডাঙ্গা গ্রামে হিন্দু ধর্মমতে এক মেয়ের সঙ্গে বিয়ের দিন ধার্য ও বেহাই মিলন মেলা সহ মেয়ের পক্ষ থেকে ছেলের পক্ষকে দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা আদান প্রদান হয়।এবং কি ছেলেটি মুঠোফোন যোগে টেলিফোন করে সৃতি রানী কে বিয়ের কথা বিস্তারিত জানালে তিনি পাগলের মত নদী নালা পার হয়ে ছেলেটির দর্শনের দুইজনের পরামর্শ ক্রমে সবকিছু হয়।বর্তমানে সৃতি রানী পৃথিবীর সকল সূখ-শান্তি কবর দিয়ে দুই চোখের অশ্রুতে সাগর করে প্রেমীক তাপোষ কে জীবন সঙ্গী হিসেবে না পেলে আত্নহত্যা করার চ্যালেঞ্জ করেছেন।গতকাল (শনিবার)বিকালে দুই ইউনিয়নের কিছু কালোবাজারী সেন্টিগেট নেতা অসহায় সৃতিরানীর পিতাকে নয় ছয় বুঝ দিয়ে সামান্য 1,50,000 (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার)টাকা ছেলের বাবার কাছ থেকে জোড়পূর্বক নিয়ে (ভিকটিক)সৃতি রানীর সরজ সোজা গরীব বাবার হাতে কতটুকু দিবে জানিনা ভয়ভিত্তি দেখিয়ে সমাধানের চেষ্টায় বোয়ালমারী বারুনী মেলা গংগা স্লান মেলার মন্দিরে শোভা কক্ষে গোপন বৈঠকে পরাজিত হয়।তার পর 2য় বৈঠক বেংহাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের উপর দুই তলায় সিদ্ধান্ত হয়।সামান্য কিছু অর্থদিয়ে ফুলের মলের মত পবীত্র অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েটির জীবনটি একমাত্র সমাজের কিছু লোভী সেন্টিগেট মুখোশধারী পাচাটা কালোবাজারী লোকের জন্য হতে যাচ্ছে সৃতির জীবনটি ছাই আর মাটি।বর্তমানে ভিকটিমের বয়স হচ্ছে,21-09-2009 ইং সরকারি বিধি মোতাবেক সতের বছর অথাৎ বিবাহ বন্ধনে অপূরনীয়।অপরদিকে ছেলেটির বয়স 21 বছর পূর্তি।সাংবাদিকদের ক্যামড়ায় ভিকটিক সৃতির জবান বন্দিতে জানান প্রেমীক তাপোষ প্রেমীকা সৃতির অজান্তে একশত বিয়ে করলেও তাঁর জীবনের শেষ সঙ্গী হিসেবে থাকতে চায় ও স্ত্রীর যথাযথ মর্যাদা নিয়ে বাচতে চায় প্রেমীকা সৃতি রানী।তিনি আরো জানান সমাজ ও দুই পক্ষের কোন ডিজিশন আমার অজান্তে নিলে যে হোক না কেন আমি সকলের বিরুদ্ধে পুলিশ ফাইল করে আমার সূখ শান্তি নষ্ট করার পিছনে জড়িতদের সরাসরি কঠোর দন্ডবিধি আইনে আসামী করে নিজের জীবন নিজেই শেষ করে দিব।সৃতি রানী জানান,পরিবার,সমাজ,লোকাল প্রশাষন, বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ,জেলা প্রশাষন ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ মহোদ্বয় পর্যন্ত মিডিয়ার মাধ্যমে সূ-স্পষ্ট অবগত করা হয়।তাই অসহায় পরিবারের তরুন নিস্পাপ ফুলের মত পবিত্র সৃতির রানীর জীবন রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের কাছে উপযুক্ত যথাযথ বিচার কামনা করেন (ভিকটিম) সৃতি রানী সহ সমগ্র পঞ্চগড় বাসী।