১২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

  মোখলেছুর রহমান চৌধুরী
  • Update Time : ০৫:২৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / ৬৭ Time View


পঞ্চগড়- ব্যুরো প্রধান : জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশি ব্যবস্থা ও সহায়তা পরিষেবা জোরদার করতে বিপিডব্লিউএন দেশব্যাপী আলোচনা সভার আয়োজন করেছে
১১ই জুন ২০২৬ ইং তারিখে রংপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে “বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৪-২০২৭ বাস্তবায়ন” এর অংশ হিসেবে দেশব্যাপী ধারাবাহিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিনভর এই কর্মশালায় রংপুর বিভাগ ও রেঞ্জের ৭৮ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ একত্রিত হন।
কর্মশালায় বিপিডব্লিউএন ও এর কৌশলগত পরিকল্পনার (২০২৪-২০২৭) সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন জনাব জনাব শামসুন্নাহার, যুগ্ম কমিশনার(এমটি এবং কর্মশালা), ডিএমপি, এবং বিপিডব্লিউএন’র সহ-সভাপতি; কর্মক্ষেত্রে জেন্ডার রেসপনসিভ পুলিশিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন জনাব সাদিয়া তাসনীম, ইউএন উইমেন; প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (TFGBV) ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে সেশন নেন জনাব ফাতেমা-তুজ- জোহরা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইউএন অপারেশনস), পুলিশ হেডকোয়ার্টা্রস, ঢাকা ; এবং পুলিশ সদস্যদের মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে সেশন পরিচালনা করেন জনাব ফরিদা পারভীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টা্রস, ঢাকা।

বিপিডব্লিউএন প্রতিনিধিবৃন্দ বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনার মূল ক্ষেত্রগুলো, কর্ম-জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার উপায়, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রযুক্তি-সহায়তায় জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা মোকাবেলার উপায় নিয়ে বিষয়ভিত্তিক অধিবেশন পরিচালনা করেন। ইউএন উইমেন প্রতিনিধি কর্মশালায় জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশি কার্যক্রম এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন।
জনাব আমিনুল ইসলাম, ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জ, রংপুর পুলিশ কর্মশালার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “দক্ষতা, যোগ্যতা ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে নিজেদের এমনভাবে প্রস্তুত করুন, যাতে যথাযথ দায়িত্ব পালন ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারেন।” তিনি আরও বলেন, কর্মক্ষেত্রে নারী সদস্যদের কখনোই নিজেদের বোঝা মনে করা উচিত নয়। বরং তারা একই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং একই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন; তাই দায়িত্ব পালনে তাদের সক্ষমতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজন কেবল সাহস ও আত্মবিশ্বাস।তিনি তার বক্তব্যে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকার পরামর্শ দেন। এসময় তিনি কর্ম ক্ষেত্রে নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে পুরুষ সহকর্মীদের উৎসাহিত করেন।
কর্মশালায় গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত জনাব আবদুল মাবুদ, পুলিশ কমিশনার, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ “নারীর জন্য উপযোগী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিপিডব্লিউএন-এর প্রতিনিধি জনাব শামসুন্নাহার, যুগ্ম কমিশনার(এমটি এবং কর্মশালা), ডিএমপি, এবং বিপিডব্লিউএন’র সহ সভাপতি বলেন, “বিপিডব্লিউএন আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনের আলোকে নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে এবং তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে।” তিনি আরও বলেন, উক্ত উদ্দেশ্যে নারী সদস্যদের দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়নে তারা একটি নেটওয়ার্ক হিসেবে সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইউএন উইমেন এবং বিপিডব্লিউএন নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা তৈরি এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করে আসছে, যার মধ্যে বাংলাদেশে নারী ও মেয়েদের জন্য জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশিং এবং ভুক্তভোগী-কেন্দ্রিক জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি) সেবা শক্তিশালীকরণ অন্তর্ভুক্ত।
ইউএন উইমেন প্রতিনিধি সাদিয়া তাসনীম বলেন, “আমাদের নিজেদের অবচেতন মনে কাজ করা বৈষম্যমূলক মনোভাব দূর করা এবং সারভাইভার-কেন্দ্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা নারীদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে সহায়ক। বিপিডব্লিউএন এর লক্ষ্য ও করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন এবং নিজেদের ও সেবাগ্রহীতা জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করার জন্য এ ধরণের মতবিনিময় কর্মশালা একটি চমৎকার মাধ্যম।”

কর্মশালায় উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা জেন্ডার-রেসপনসিভ পুলিশিং, যৌন হয়রানি, সাইবার নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া, এবং প্রতিকারের বিষয়গুলো নিয়ে মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বলেন, বিদ্যমান যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটিগুলো পুনরুজ্জীবিত করা প্রয়োজন, যাতে এগুলো কার্যকর ও সহজলভ্য হয় এবং বাহিনীর সকল সদস্য এ সম্পর্কে জানতে পারেন। তাঁরা প্রযুক্তি-নির্ভর সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও লজিস্টিক সহায়তা বৃদ্ধির সুপারিশ করেন।
উল্লেখ্য যে, ইউএন উইমেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ পুলিশ ও বিপিডব্লিউএন-এর সঙ্গে কাজ করছে। বর্তমানে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ইউএন উইমেনের বাংলাদেশে চলমান “এন্ডিং সেক্সুয়াল অ্যান্ড জেন্ডার-বেসড ভায়োলেন্স ইন পাবলিক স্পেসেস, ওয়ার্কপ্লেসেস অ্যান্ড ইন টারশিয়ারি এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনস ইন বাংলাদেশ (ESGBV)” প্রকল্পে বাংলাদেশ পুলিশ ও বিপিডব্লিউএন অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৫:২৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


পঞ্চগড়- ব্যুরো প্রধান : জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশি ব্যবস্থা ও সহায়তা পরিষেবা জোরদার করতে বিপিডব্লিউএন দেশব্যাপী আলোচনা সভার আয়োজন করেছে
১১ই জুন ২০২৬ ইং তারিখে রংপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে “বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৪-২০২৭ বাস্তবায়ন” এর অংশ হিসেবে দেশব্যাপী ধারাবাহিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিনভর এই কর্মশালায় রংপুর বিভাগ ও রেঞ্জের ৭৮ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ একত্রিত হন।
কর্মশালায় বিপিডব্লিউএন ও এর কৌশলগত পরিকল্পনার (২০২৪-২০২৭) সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন জনাব জনাব শামসুন্নাহার, যুগ্ম কমিশনার(এমটি এবং কর্মশালা), ডিএমপি, এবং বিপিডব্লিউএন’র সহ-সভাপতি; কর্মক্ষেত্রে জেন্ডার রেসপনসিভ পুলিশিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন জনাব সাদিয়া তাসনীম, ইউএন উইমেন; প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (TFGBV) ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে সেশন নেন জনাব ফাতেমা-তুজ- জোহরা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইউএন অপারেশনস), পুলিশ হেডকোয়ার্টা্রস, ঢাকা ; এবং পুলিশ সদস্যদের মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে সেশন পরিচালনা করেন জনাব ফরিদা পারভীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টা্রস, ঢাকা।

বিপিডব্লিউএন প্রতিনিধিবৃন্দ বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনার মূল ক্ষেত্রগুলো, কর্ম-জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার উপায়, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রযুক্তি-সহায়তায় জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা মোকাবেলার উপায় নিয়ে বিষয়ভিত্তিক অধিবেশন পরিচালনা করেন। ইউএন উইমেন প্রতিনিধি কর্মশালায় জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশি কার্যক্রম এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন।
জনাব আমিনুল ইসলাম, ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জ, রংপুর পুলিশ কর্মশালার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “দক্ষতা, যোগ্যতা ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে নিজেদের এমনভাবে প্রস্তুত করুন, যাতে যথাযথ দায়িত্ব পালন ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারেন।” তিনি আরও বলেন, কর্মক্ষেত্রে নারী সদস্যদের কখনোই নিজেদের বোঝা মনে করা উচিত নয়। বরং তারা একই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং একই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন; তাই দায়িত্ব পালনে তাদের সক্ষমতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজন কেবল সাহস ও আত্মবিশ্বাস।তিনি তার বক্তব্যে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল থাকার পরামর্শ দেন। এসময় তিনি কর্ম ক্ষেত্রে নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে পুরুষ সহকর্মীদের উৎসাহিত করেন।
কর্মশালায় গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত জনাব আবদুল মাবুদ, পুলিশ কমিশনার, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ “নারীর জন্য উপযোগী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিপিডব্লিউএন-এর প্রতিনিধি জনাব শামসুন্নাহার, যুগ্ম কমিশনার(এমটি এবং কর্মশালা), ডিএমপি, এবং বিপিডব্লিউএন’র সহ সভাপতি বলেন, “বিপিডব্লিউএন আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনের আলোকে নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে এবং তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে।” তিনি আরও বলেন, উক্ত উদ্দেশ্যে নারী সদস্যদের দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়নে তারা একটি নেটওয়ার্ক হিসেবে সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইউএন উইমেন এবং বিপিডব্লিউএন নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা তৈরি এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করে আসছে, যার মধ্যে বাংলাদেশে নারী ও মেয়েদের জন্য জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশিং এবং ভুক্তভোগী-কেন্দ্রিক জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি) সেবা শক্তিশালীকরণ অন্তর্ভুক্ত।
ইউএন উইমেন প্রতিনিধি সাদিয়া তাসনীম বলেন, “আমাদের নিজেদের অবচেতন মনে কাজ করা বৈষম্যমূলক মনোভাব দূর করা এবং সারভাইভার-কেন্দ্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা নারীদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে সহায়ক। বিপিডব্লিউএন এর লক্ষ্য ও করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন এবং নিজেদের ও সেবাগ্রহীতা জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করার জন্য এ ধরণের মতবিনিময় কর্মশালা একটি চমৎকার মাধ্যম।”

কর্মশালায় উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা জেন্ডার-রেসপনসিভ পুলিশিং, যৌন হয়রানি, সাইবার নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া, এবং প্রতিকারের বিষয়গুলো নিয়ে মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বলেন, বিদ্যমান যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটিগুলো পুনরুজ্জীবিত করা প্রয়োজন, যাতে এগুলো কার্যকর ও সহজলভ্য হয় এবং বাহিনীর সকল সদস্য এ সম্পর্কে জানতে পারেন। তাঁরা প্রযুক্তি-নির্ভর সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও লজিস্টিক সহায়তা বৃদ্ধির সুপারিশ করেন।
উল্লেখ্য যে, ইউএন উইমেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ পুলিশ ও বিপিডব্লিউএন-এর সঙ্গে কাজ করছে। বর্তমানে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ইউএন উইমেনের বাংলাদেশে চলমান “এন্ডিং সেক্সুয়াল অ্যান্ড জেন্ডার-বেসড ভায়োলেন্স ইন পাবলিক স্পেসেস, ওয়ার্কপ্লেসেস অ্যান্ড ইন টারশিয়ারি এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনস ইন বাংলাদেশ (ESGBV)” প্রকল্পে বাংলাদেশ পুলিশ ও বিপিডব্লিউএন অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।