০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

নোয়াখালীর নুরুল আলমকে কচুক্ষেত থেকে অপহরণ করে ভাসানটেকে নিয়ে হানি ট্র্যাপ অতঃপর কাফরুল থানায় অভিযোগের পরেও অপরাধীরা গ্রেপ্তার হয়নি

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৩:৪৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ১৫ Time View

বিশেষ সংবাদ দাতা : নোয়াখালীর নুরুল আলমকে কচুক্ষেত থেকে অপহরণ করে ভাসানটেকে নিয়ে হানি ট্র্যাপ অতঃপর কাফরুল
থানায় অভিযোগের পরেও অপরাধীরা গ্রেপ্তার হয়নি।ভয়ংকর ঘটনায় ভিকটিমএর বয়ান, আমি মোঃ নুরুল আলম, পিতা- মৃত মফিজ উল্যাহ, মাতা- সালেহা বেগম, গ্রাম- নাওড়ি, ডাকঘর- নাওড়ি, থানা- সোনাইমুড়ী, উপজেলা- সোনাইমুড়ী, জেলা- নোয়াখালী।জীবিকার তাগিদে কর্মসূত্রে ঢাকার কচুক্ষেত দক্ষিণ কাফরুল, থানা কাফরুল ঢাকায় ভাড়া বাড়িতেই থাকি।গত ২০জুন ২০২৬ইং তারিখে আমি আমার অফিসের দায়িত্ব পালন শেষে রাত আনুমানিক ৮.৩০টার সময়ে কছুক্ষেত কাফরুলস্থ বাসায় পৌঁছাই। বাসায় কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পর রাত আনুমানিক ১০:৩০ ঘটিকায় হোটেলে রাতের খাবার খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে এলাকার গলির সামনের রাস্তায় পৌঁছালে একজন অজ্ঞাতনামা যুবক আমাকে ডেকে সালাম দেয় এবং অত্যন্ত ভদ্র ও স্বাভাবিকভাবে আমার খোঁজখবর নিতে থাকে। কথা বলার এক পর্যায়ে আমার পাশে একটি প্রাইভেট কার এসে উপস্থিত হয়। উক্ত যুবক আমাকে ধাক্কা দেয় এবং গাড়ির ভেতরে থাকা আরেকজন ব্যক্তি আমাকে টেনে গাড়িতে ঢুকিয়ে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।গাড়ির ভেতরে আমার হাতে থাকা ফোন সিম্ফনি মোবাইল বাটাম সেট যার নাম্বার 01716284533 কেড়ে নেওয়া হয় এবং আমি চিৎকার-চেঁচামেচি করার চেষ্টা করলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং তখনই আমাকে চেতনানাশক জাতীয় কিছু প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে আমি অচেতন হয়ে পড়ি।হালকা জ্ঞান ফিরে এলে আমি বুঝতে পারি, আমাকে অজ্ঞাত নির্মাণাধীন একটি উঁচু দালানে উঠানো হচ্ছে। পরবর্তীতে আমাকে ওই দালানের একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।এরপর সেখানে আরো ২জন তাদের সাথে যুক্ত হয়। এরপর অনেক রাত তারা ঘরের দরজা জানালা সব বন্ধ করে বলে তোর কাছে ২টি অপশন আছে, ১০লাখ টাকা দিবি না হয় উপস্থিত এক মহিলাকে দেখিয়ে ৫০লক্ষ টাকা কাবিন নামায় তাকে বিয়ে করতে হবে।আমি তাদের মাইর খেতে খেতে অসহ্য হয়ে বিয়ে করতে রাজি হলে তার আমাকে লাথি মারতে মারতে নোয়াখাইল্লা মাল তোকে পুলিশের আছে ধরিয়ে দিব এই উক্তিগুলো করে তারা আমাকে ধমক দিচ্ছিল , ৫০লাখ টাকা দিয়ে বিয়ে করবি আমাদের ১০লাখ দিতে পারবি না! আমাদের ধরে দেয়ার শালায় কৌশল জানে বলে লাঠি দিয়ে মারতে মারতে উলঙ্গ করে পাশাপাশি ঐ মহিলাকে দিয়ে আপত্তি জনক ভিডিও ধারণ করে এবং বলে এই ভিডিও তোর আত্মীয় স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিব তখন তোর মানসম্মান সব শেষ হয়ে যাবে। তোর কাছে কি পরিমান টাকা জমা আছে আমাদের দিয়ে দিবি বলে ২জন চলে যায়। বাকি ৩জন আমাকে সারা রাত পাহারা দেয়।পরদিন সকালে তারা আমাকে বললো রাত ভরে কি চিন্তা করছিস?

এখানেও তারা ব্যর্থ হয়ে হকিস্টিক এবং তার দিয়ে অনেক মারধোর করে আমার উক্ত মোবাইল থেকে আমার মাধ্যমে আত্মীয় স্বজনদের কাছে তাদের ১০লাখ টাকা দেয়ার জন্য কথা বলতে বাধ্য করে! আমার স্ত্রী ও বড় ছেলে মোঃ সাঈদ হাসান তৃষানের নিকটও ১০লাখ টাকার জন্য তারা অনেক চাপসৃষ্টি করে টাকা না দিলে আমাকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিতে থাকে।আমার ছোট ৩ভাই আমেরিকা থাকে জাহাঙ্গীর আলম মিলন, খোরশেদ আলম এবং ফিরোজ আলম আমেরিকা থাকে তাদের স্ত্রীদেরকে কিডন্যাপ কারীরা আমার ফোনের মাধ্যমে ১০লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং বলে তাদের দাবীকৃত টাকা না পাওয়া পর্যন্ত আমাকে ছাড়বে না।
টাকা না পেলে তাদের ছেলে মেয়েদেরও কিডন্যাপ করবে বলে হুমকি দেয়।খোরশেদের স্ত্রী ভয়ে নিরুপায় হয়ে ছেলের প্রাণ রক্ষার্থে তার কাছে থাকা নগদ ৬০০০/- (ছয়হাজার) টাকা কিডন্যাপ কারীদের বিকাশে যার নাম্বার 01304-223340 নগদ প্রদান করে।
এরপর কিডন্যাপ কারীরা আমার হাত পা বেঁধে ঝুলিয়ে মারতে মারতে ভিডিও করে আর বলে তোর যে কোন ভাইয়ের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারদে, তারা উক্ত ভিডিও দেখলে টাকা না পাঠিয়ে থাকতে পারবে না?
টাকা কিভাবে উশুল করতে হয় আমরা জানি। আমি কারও আমেরিকান হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার মুখস্থ না থাকায় দিতে না পারায় তারা বলে তোকে এখন জবাই করবো বলে গলায় ছুরি ধরলে আমি চোখ বন্ধ করে কালিমা তৈয়্যব পড়তে থাকি।এরই মধ্যে কিডন্যাপ কারীদের কাছে থাকা আমার মোবাইলে হঠাৎ একটা কল আসে, তখন কিডন্যাপাররা মোবাইল রিসিভ করে লাউড স্পিকারে আমাকে কথা বলতে বলে আমি সালাম দিলে অপর প্রান্ত থেকে আমি কাফরুল থানা থেকে বলছি পরিচয় দিয়ে প্রশ্ন করেন আপনি নুরুল আলম সাহেব বলেছেন? আমি জ্বী বলার পর প্রশ্ন করেন আপনি এখন কোথায় আছেন? আমি কিডন্যাপারদের শিখিয়ে দেয়া উত্তর বাড্ডা বলার পর, আবার প্রশ্ন করেন আপনি মিথ্যা বলছেন কেন, আমি আপনার মোবাইল টেক করে দেখতে পাচ্ছি আপনি ভাষানটেক আছেন, আপনি এক্ষুনি কাফরুল থানায় আসেন বলারপর কিডন্যাপ কারীরা আমার থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে তারা সবাই রুম থেকে বেরিয়ে যায়, এবং ১০মিনিট পর ফিরে এসে আমার বাঁধন খুলে আমকে কাহাকেও কিছু না বলে থানা পুলিশের কাছে না যাওয়ার শর্তৈ মুক্তি দেয়!সেখান থেকে এসে আমি হাসপাতালে ভর্তি হই এবং চিকিৎসা শেষে আমি নিজে বাদী হয়ে ২৪/০৬/২০২৬ইং কাফরুল থানায় অভিযোগ দায়ের করি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

নোয়াখালীর নুরুল আলমকে কচুক্ষেত থেকে অপহরণ করে ভাসানটেকে নিয়ে হানি ট্র্যাপ অতঃপর কাফরুল থানায় অভিযোগের পরেও অপরাধীরা গ্রেপ্তার হয়নি

Update Time : ০৩:৪৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

বিশেষ সংবাদ দাতা : নোয়াখালীর নুরুল আলমকে কচুক্ষেত থেকে অপহরণ করে ভাসানটেকে নিয়ে হানি ট্র্যাপ অতঃপর কাফরুল
থানায় অভিযোগের পরেও অপরাধীরা গ্রেপ্তার হয়নি।ভয়ংকর ঘটনায় ভিকটিমএর বয়ান, আমি মোঃ নুরুল আলম, পিতা- মৃত মফিজ উল্যাহ, মাতা- সালেহা বেগম, গ্রাম- নাওড়ি, ডাকঘর- নাওড়ি, থানা- সোনাইমুড়ী, উপজেলা- সোনাইমুড়ী, জেলা- নোয়াখালী।জীবিকার তাগিদে কর্মসূত্রে ঢাকার কচুক্ষেত দক্ষিণ কাফরুল, থানা কাফরুল ঢাকায় ভাড়া বাড়িতেই থাকি।গত ২০জুন ২০২৬ইং তারিখে আমি আমার অফিসের দায়িত্ব পালন শেষে রাত আনুমানিক ৮.৩০টার সময়ে কছুক্ষেত কাফরুলস্থ বাসায় পৌঁছাই। বাসায় কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পর রাত আনুমানিক ১০:৩০ ঘটিকায় হোটেলে রাতের খাবার খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে এলাকার গলির সামনের রাস্তায় পৌঁছালে একজন অজ্ঞাতনামা যুবক আমাকে ডেকে সালাম দেয় এবং অত্যন্ত ভদ্র ও স্বাভাবিকভাবে আমার খোঁজখবর নিতে থাকে। কথা বলার এক পর্যায়ে আমার পাশে একটি প্রাইভেট কার এসে উপস্থিত হয়। উক্ত যুবক আমাকে ধাক্কা দেয় এবং গাড়ির ভেতরে থাকা আরেকজন ব্যক্তি আমাকে টেনে গাড়িতে ঢুকিয়ে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।গাড়ির ভেতরে আমার হাতে থাকা ফোন সিম্ফনি মোবাইল বাটাম সেট যার নাম্বার 01716284533 কেড়ে নেওয়া হয় এবং আমি চিৎকার-চেঁচামেচি করার চেষ্টা করলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং তখনই আমাকে চেতনানাশক জাতীয় কিছু প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে আমি অচেতন হয়ে পড়ি।হালকা জ্ঞান ফিরে এলে আমি বুঝতে পারি, আমাকে অজ্ঞাত নির্মাণাধীন একটি উঁচু দালানে উঠানো হচ্ছে। পরবর্তীতে আমাকে ওই দালানের একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।এরপর সেখানে আরো ২জন তাদের সাথে যুক্ত হয়। এরপর অনেক রাত তারা ঘরের দরজা জানালা সব বন্ধ করে বলে তোর কাছে ২টি অপশন আছে, ১০লাখ টাকা দিবি না হয় উপস্থিত এক মহিলাকে দেখিয়ে ৫০লক্ষ টাকা কাবিন নামায় তাকে বিয়ে করতে হবে।আমি তাদের মাইর খেতে খেতে অসহ্য হয়ে বিয়ে করতে রাজি হলে তার আমাকে লাথি মারতে মারতে নোয়াখাইল্লা মাল তোকে পুলিশের আছে ধরিয়ে দিব এই উক্তিগুলো করে তারা আমাকে ধমক দিচ্ছিল , ৫০লাখ টাকা দিয়ে বিয়ে করবি আমাদের ১০লাখ দিতে পারবি না! আমাদের ধরে দেয়ার শালায় কৌশল জানে বলে লাঠি দিয়ে মারতে মারতে উলঙ্গ করে পাশাপাশি ঐ মহিলাকে দিয়ে আপত্তি জনক ভিডিও ধারণ করে এবং বলে এই ভিডিও তোর আত্মীয় স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিব তখন তোর মানসম্মান সব শেষ হয়ে যাবে। তোর কাছে কি পরিমান টাকা জমা আছে আমাদের দিয়ে দিবি বলে ২জন চলে যায়। বাকি ৩জন আমাকে সারা রাত পাহারা দেয়।পরদিন সকালে তারা আমাকে বললো রাত ভরে কি চিন্তা করছিস?

এখানেও তারা ব্যর্থ হয়ে হকিস্টিক এবং তার দিয়ে অনেক মারধোর করে আমার উক্ত মোবাইল থেকে আমার মাধ্যমে আত্মীয় স্বজনদের কাছে তাদের ১০লাখ টাকা দেয়ার জন্য কথা বলতে বাধ্য করে! আমার স্ত্রী ও বড় ছেলে মোঃ সাঈদ হাসান তৃষানের নিকটও ১০লাখ টাকার জন্য তারা অনেক চাপসৃষ্টি করে টাকা না দিলে আমাকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিতে থাকে।আমার ছোট ৩ভাই আমেরিকা থাকে জাহাঙ্গীর আলম মিলন, খোরশেদ আলম এবং ফিরোজ আলম আমেরিকা থাকে তাদের স্ত্রীদেরকে কিডন্যাপ কারীরা আমার ফোনের মাধ্যমে ১০লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং বলে তাদের দাবীকৃত টাকা না পাওয়া পর্যন্ত আমাকে ছাড়বে না।
টাকা না পেলে তাদের ছেলে মেয়েদেরও কিডন্যাপ করবে বলে হুমকি দেয়।খোরশেদের স্ত্রী ভয়ে নিরুপায় হয়ে ছেলের প্রাণ রক্ষার্থে তার কাছে থাকা নগদ ৬০০০/- (ছয়হাজার) টাকা কিডন্যাপ কারীদের বিকাশে যার নাম্বার 01304-223340 নগদ প্রদান করে।
এরপর কিডন্যাপ কারীরা আমার হাত পা বেঁধে ঝুলিয়ে মারতে মারতে ভিডিও করে আর বলে তোর যে কোন ভাইয়ের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারদে, তারা উক্ত ভিডিও দেখলে টাকা না পাঠিয়ে থাকতে পারবে না?
টাকা কিভাবে উশুল করতে হয় আমরা জানি। আমি কারও আমেরিকান হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার মুখস্থ না থাকায় দিতে না পারায় তারা বলে তোকে এখন জবাই করবো বলে গলায় ছুরি ধরলে আমি চোখ বন্ধ করে কালিমা তৈয়্যব পড়তে থাকি।এরই মধ্যে কিডন্যাপ কারীদের কাছে থাকা আমার মোবাইলে হঠাৎ একটা কল আসে, তখন কিডন্যাপাররা মোবাইল রিসিভ করে লাউড স্পিকারে আমাকে কথা বলতে বলে আমি সালাম দিলে অপর প্রান্ত থেকে আমি কাফরুল থানা থেকে বলছি পরিচয় দিয়ে প্রশ্ন করেন আপনি নুরুল আলম সাহেব বলেছেন? আমি জ্বী বলার পর প্রশ্ন করেন আপনি এখন কোথায় আছেন? আমি কিডন্যাপারদের শিখিয়ে দেয়া উত্তর বাড্ডা বলার পর, আবার প্রশ্ন করেন আপনি মিথ্যা বলছেন কেন, আমি আপনার মোবাইল টেক করে দেখতে পাচ্ছি আপনি ভাষানটেক আছেন, আপনি এক্ষুনি কাফরুল থানায় আসেন বলারপর কিডন্যাপ কারীরা আমার থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে তারা সবাই রুম থেকে বেরিয়ে যায়, এবং ১০মিনিট পর ফিরে এসে আমার বাঁধন খুলে আমকে কাহাকেও কিছু না বলে থানা পুলিশের কাছে না যাওয়ার শর্তৈ মুক্তি দেয়!সেখান থেকে এসে আমি হাসপাতালে ভর্তি হই এবং চিকিৎসা শেষে আমি নিজে বাদী হয়ে ২৪/০৬/২০২৬ইং কাফরুল থানায় অভিযোগ দায়ের করি।