https://www.facebook.com/obaidul1991
বিচারালয়সহ সকল বিভাগের দুঃশাসন হটাও – ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র কায়েম করো : আগ্রাসন প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক আন্দোলন
- Update Time : ০১:৫৮:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
- / ২০ Time View

আগ্রাসন প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক আন্দোলনের উদ্যোগে ১৮/১০/২০২৬ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “আদালতের দুঃশাসন হটাও ও কল্যাণ রাষ্ট্র কায়েম করো ” শীর্ষক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। আগ্রাসন প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক আন্দোলনের আহ্বায়ক ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় জোটভুক্ত ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা শওকত আমীন পীর সাহেব বি, বাড়ীয়ার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দূর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ খান।
মানববন্ধনে হারুন অর রশিদ খান বলেন,” ন্যায় বিচারের শেষ আশ্রয়স্থল আদালত যেন কোন ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক ব্যক্তির হাতিয়ার না হয়। অবিচার ও ক্ষমতার প্রভাবের কারণে জনগণ ন্যায় বিচার বঞ্চিত হয়ে হয়রানি ও বৈষম্যের স্বীকার না হয়। তিনি বিচার ব্যবস্থাকে সচ্ছ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রূপে গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
মানববন্ধনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমীন বলেন, “আদালতের দুঃশাসন হটাও, কল্যাণ রাষ্ট্র কায়েম করো-এই দাবি বিভিন্ন রাজনৈতিক, নাগরিক, সামাজিক সংগঠন ও ছাত্র সংগঠনের। বিচার বিভাগসহ সকল বিভাগের উপর রাজনৈতিক প্রভাব দূর করতে হবে। বিচার প্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ সকল মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যহীন ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে সরকারসহ সকলে এগিয়ে আসতে হবে।
মানববন্ধনে অন্যান্য বক্তাগণ বলেন, বিগত ১৭/১৮ বছর যাবত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রের সকল বিভাগে দুঃশাসনের বীজ বপন করে গেছে। রাষ্ট্রের সর্বত্র থেকে এই সকল বীজ ও ভারতের এজেন্টদের মূলোৎপাটন করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, বিশ্বের অনেক অকল্যাণের পিছনে আছে ভারত ও ইসরাইল। আমাদেরকে অবশ্যই ভারতীয়, ইহুদী ও তাদের দালাল কাদিয়ানীসহ সকল শত্রু পণ্য বর্জন করতে হবে।ভারত বাংলাদেশের উপর সীমান্ত হত্যা, অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক ও পানির আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতে সংখ্যালঘুদেরকে হত্যা,নির্যাতন ও তাদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে।ভারতের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে অনধিকার চর্চা করে থাকেন। সাংবাদিক নামের দুই সাংঘাতিক লোক রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে বাতিলের ষড়যন্ত্রে এবং ভারতের “র”-এর এজেন্ট এক মহিলা উকিল বাংলাদেশকে বিভক্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে বর্তমানের শহীদ ওসমান হাদী পর্যন্ত সকল দেশপ্রেমিক নেতৃবৃন্দের হত্যার পিছনে ভারত জড়িত। তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সকল দেশপ্রেমিক নেতৃবৃন্দকে জীবনের নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার আহবান জানিয়েছেন।
মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ওবায়দুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ মল্লিক, জালাল উদ্দিন, মাসুদ হোসেন, মোজাম্মেল মিয়াজী, এড. মুঈন উদ্দিন, , এম এম মাসুদ, খাইরুল ইসলাম, খাঁজা শিশির প্রমূখ।
(প্রেস বিজ্ঞপ্তি )





























