০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
https://www.facebook.com/obaidul1991
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে ঢাকার উত্তরার পৈতৃক নিবাস হতে সানজিদা নিখোঁজ
বিশেষ প্রতিনিধি
- Update Time : ০২:৫৩:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪০ Time View

মোঃ আবুল কাশেম : ঢাকার উত্তরার ১৪ সেক্টরের পিতার বাসা থেকে উধাও কিংবা নিখোঁজ সানজিদাকে খুঁজে পেতে চায় সানজিদার আপন বড় মামা সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম।আইনগতভাবে এশিয়া মহাদেশের বাংলাদেশ নামক স্বাধীন দেশের মূল ভূখণ্ড হতে বিচ্ছিন্ন ও রাজধানী ঢাকা হতে সরল রৈখিক পথে প্রায় আশি কিলোমিটার দক্ষিণের ভোলা জেলার একাধিক ঠিকানার, রাজধানী ঢাকার একাধিক ঠিকানার ও ইউরোপ মহাদেশের এক অষ্ট্রিয়ার নাগরীক বিগত প্রায় এগারো বছর যাবত বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উত্তরা মডেল টাউনের ১৪ নং সেক্টরের পিতা- মোঃ আলমগীর হোসেনের ফ্লাট হতে নিখোঁজ। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম সানজিদা। নিখোঁজের দিনে সানজিদার পিতা মোঃ আলমগীর হোসেন অষ্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ছিলেন। বাসায় সানজিদার নানী, নানা ও মা ছিলেন। নিখোঁজের দিনে সকালে ঘুম থেকে উঠে নানা, নানী ও মা দেখেন যে, বাসার দরজা খোলা, কিন্তু শুধু সানজিদা বাসায় নাই। নীচের দারোয়ানকে জিজ্ঞাসা করে জানা গেছে দারোয়ানও কিছু জানেনা। তবে বিল্ডিং এর বাইরে যাওয়ার জন্য নীচের তলার দারোয়ান গেইট সবার জন্যই খোলা থাকে। সেই সানজিদার শোকে সানজিদার মা মারা গেছে। ২০২৪ ইং সালে সানজিদার নানী ফরিদা বেগম মারা গেছে। সানজিদার দাদা মারা গেছে। সানজিদার এক চাচা মারা গেছে। সানজিদার এক ফুপু মারা গেছে। বর্তমানে সানজিদার নানাভাই অসুস্থ। খোঁজ খবর নেওয়া ও খোঁজাখুঁজি করে এখনো সানজিদাকে পাওয়া যায় নাই। সানজিদার বাবার মিরপুরের বাসায় সানজিদাকে কেউ চিনে না।
https://www.facebook.com/profile.php?id=61595446886442
সানজিদার পিতার ভোলা জেলার বোরহান উদ্দিন উপজেলার পক্ষীয়া ইউনিয়নের দালাল বাজারের একটি বাড়ি আছে। ঐ বাড়িতে কেউ-ই সানজিদার সঠিক খবর ও ঠিকানা দিতে পারে না। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার চরফ্যাশন পৌরসভা এলাকার ছয় নং ওয়ার্ডের ৩১১ নং হোল্ডিংয়ের বাসায় সানজিদার নানা, নানী, দুই মামার কাছেও সানজিদা তার শিশুকাল কাটিয়েছে। তারপর সানজিদা ঢাকার উত্তরা মডেল টাউনের তিন নম্বর সেক্টরের ও রবীন্দ্রস্বরণীর পাশ্ববর্তী হলি চাইল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজে নার্সারী লেভেলের পড়াশোনা করার জন্য ঢাকার উত্তরার চার নং সেক্টরেও কিছুদিন মাতা ও বড় মামার কাছে থাকে। সানজিদা ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন কালে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে পিতা-মাতার সংসারে বসবাস করেছে। ঐ স্কুলের ছাত্রী থাকাকালীন সময়ে পিতা-মাতার সাথে অষ্ট্রিয়া যাওয়ার সুযোগ হয়। সানজিদা ঢাকার যাত্রাবাড়ির একটি শিশু শিক্ষালয়েও পড়ালেখা সম্পন্ন করেছে।ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বর্তমান শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডে সানজিদার নানা বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে সানজিদার নানী ফরিদা বেগমকে সমাহিত করা হয়েছে। সানজিদার প্রমাতামহকে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের আট নং ওয়ার্ডের ভূঁইয়া রোডের পাশের মসজিদের কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। ঐ সকল এলাকায় সানজিদার উত্তরাধিকার সূত্রের আইনগত অধিকারমূলক ঠিকানা রয়েছে। তবে সানজিদা ইউরোপ মহাদেশের অষ্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়ও পড়ালেখা করেছে। সেই সুবাদে সে তার পিতা-মাতা সমেত ভিয়েনায় থাকাকালে অষ্ট্রিয়ার নাগরীক হয়েছে। এই জন্য সানজিদার খোঁজ নেওয়ার জন্য ঢাকাস্থ অষ্ট্রিয়ার কনসুলেট অফিসেও খোঁজ নিয়েছে বলে সানজিদার নানা দাবী করেছে। সেই সূত্রে জানা গেছে যে, সানজিদা অষ্ট্রিয়ার নাগরীক বিধায় সে কনসুলেট অফিসে নিরাপত্তা চেয়েছে। এবং নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করায় অষ্ট্রিয়ান সরকার তাকে সরকারি খরচে অষ্ট্রিয়া নিয়ে গেছে। এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া এখনো সম্ভব হয় নাই। সানজিদার পিতা মোঃ আলমগীর হোসেন দাবী করেছে যে, তার প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে সে জানতে পেরেছে যে, সানজিদা তার পিতার নামে অষ্ট্রিয়ার পুলিশের কাছে গুরুতর অভিযোগ দিয়েছে। তাই সে (মোঃ আলমগীর হোসেন) পিতা হয়েও সানজিদার সাথে অষ্ট্রিয়ায় যোগাযোগ করার কোন সুযোগ নেই। তবে তিনি আরো বলেছে যে, সানজিদা বর্তমানে নিজ নাম পরিবর্তন করেছে এবং সে অষ্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহর থেকে অনেক দূরে বাসা নিয়েছে ও এক ইরানী ছেলের সাথে বিয়ে হয়েছে। তবে এসব কথার এখনো কোন সত্যতা খুঁজে বের করা যায় নাই। সানজিদার এক ছোট ভাই আছে। তার নাম সাজ্জাদ। সে বাংলাদেশে থাকে। সেও সানজিদার সঠিক খবর জানে না। তবে সানজিদার বড় মামা মোঃ আবুল কাশেম (ডাক নাম – জিল্লুর) চান যে, সানজিদা নিজ দায়িত্বে বাংলাদেশের তার পৈতৃক বা মাতৃক কিংবা পৈতৃক-মাতৃক আত্মীয় স্বজনদের কাছে ফিরে আসুক। ছবিতে- সানজিদার বাল্যকালের একটি ছবি।
Tag :



























