০৯:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

বিজয়নগরে ‘মাদক কারবারির’ বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, ৮ মামলার তথ্য দিল পুলিশ

মাহমুদুল হাসান জামিল ,বিজয়নগর উপজেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • Update Time : ১২:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২১ Time View

মাহমুদুল হাসান জামিল ,বিজয়নগর উপজেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাদক বিক্রির অভিযোগে জহির মিয়া নামে এক ব্যক্তির বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের খাটিঙ্গা গ্রামের শান্তামুড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, জহির মিয়ার বিরুদ্ধে ছয়টি মাদকদ্রব্য-সংক্রান্তসহ মোট আটটি মামলার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জহির মিয়ার বাড়ি থেকে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য বিক্রি করা হচ্ছে। এতে এলাকার তরুণেরা মাদকের দিকে ঝুঁকছেন এবং সামাজিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/profile.php?id=61595446886442

খাটিঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মো. সরল খান অভিযোগ করে বলেন, জহির মিয়ার কারণে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং অনেক তরুণ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছেন। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও তাঁকে মাদক বিক্রি থেকে বিরত রাখা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

সরল খানের দাবি, মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় দুই দিন আগে জহির মিয়া দা দিয়ে দুজনকে কুপিয়ে আহত করেন। তাঁদের মধ্যে একজনের হাতে ১৫টি সেলাই দিতে হয়েছে। একাধিক মাদক মামলা থাকার পরও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকালে শতাধিক মানুষ একত্র হয়ে জহির মিয়ার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেন। ঘটনার পর থেকে জহির মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে আউলিয়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. নাসির উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বাড়ির মালিক জহির মিয়ার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তাঁর বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ছয়টি মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত এবং দুটি মারামারির মামলা।

পুলিশ কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, “আইন হাতে তুলে নেওয়ার মতো এ ধরনের ঘটনা সমাজের জন্য অশনিসংকেত। মাদক কারবারি থাকলে জনগণ তাঁকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারে।”

তিনি আরও জানান, জহির মিয়ার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো নিয়ে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

বিজয়নগরে ‘মাদক কারবারির’ বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, ৮ মামলার তথ্য দিল পুলিশ

Update Time : ১২:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

মাহমুদুল হাসান জামিল ,বিজয়নগর উপজেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাদক বিক্রির অভিযোগে জহির মিয়া নামে এক ব্যক্তির বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের খাটিঙ্গা গ্রামের শান্তামুড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, জহির মিয়ার বিরুদ্ধে ছয়টি মাদকদ্রব্য-সংক্রান্তসহ মোট আটটি মামলার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জহির মিয়ার বাড়ি থেকে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য বিক্রি করা হচ্ছে। এতে এলাকার তরুণেরা মাদকের দিকে ঝুঁকছেন এবং সামাজিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/profile.php?id=61595446886442

খাটিঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মো. সরল খান অভিযোগ করে বলেন, জহির মিয়ার কারণে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং অনেক তরুণ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছেন। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও তাঁকে মাদক বিক্রি থেকে বিরত রাখা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

সরল খানের দাবি, মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় দুই দিন আগে জহির মিয়া দা দিয়ে দুজনকে কুপিয়ে আহত করেন। তাঁদের মধ্যে একজনের হাতে ১৫টি সেলাই দিতে হয়েছে। একাধিক মাদক মামলা থাকার পরও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকালে শতাধিক মানুষ একত্র হয়ে জহির মিয়ার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেন। ঘটনার পর থেকে জহির মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে আউলিয়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. নাসির উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বাড়ির মালিক জহির মিয়ার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তাঁর বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ছয়টি মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত এবং দুটি মারামারির মামলা।

পুলিশ কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, “আইন হাতে তুলে নেওয়ার মতো এ ধরনের ঘটনা সমাজের জন্য অশনিসংকেত। মাদক কারবারি থাকলে জনগণ তাঁকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারে।”

তিনি আরও জানান, জহির মিয়ার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো নিয়ে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।