https://www.facebook.com/obaidul1991
সরকার ও দলমত-নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইসলামের আলোকে নাগরিকের মেীলিক অধিকার পূরণের মাধ্যমে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়ন করতে হবে—- বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন সংস্থা
- Update Time : ০৩:২১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫ Time View

ঢাকা, বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং): মানবাধিকার মানুষের জন্মগত অধিকার এবং একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সভ্য সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি বা মানুষের মেীলিক অধিকার পূরণ করা। সরকারের একার পক্ষে নাগরিকের মেীলিক অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবেনা, সরকার ও দলমত-নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইসলামের আলোকে নাগরিকের মেীলিক অধিকার ,দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়ন করতে হবে।বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬ ইংবাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আলোচনায় তিনি এ দাবী জানান।
বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মুহম্মদ ওবায়দুল হক বলেন, ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগষ্ঠ দুইশত বছরের ব্রিটিশ শাসন হতে মুক্ত হয়ে বতমান বাংলাদেশের ভুখন্ডের সীমানা নিধারণ করে রাষ্ট্র পরিচালনার যাত্রা শুরু হলেও নাগরিকের অধিকার বা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বের একমাত্র বাংলা ভাষার দেশ বাংলাদেশের নবযাত্রা হলেও মানুষের অধিকার বা মানবাধিকার পরিস্থিতির কোন পরিবতন না হওয়ার কারণে স্বাধীন বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতির দুবলতা, ভোটাধিকার ,আইনের শাসনের অভাবের কারণে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়। হাজারো মানুষের জীবনের বিনিময়ে ২০২৪ইং সালের ৫ আগষ্ঠ ১৭ বছরের আওয়ামী সরকারকে পরিবতন করে নতুন সরকারের যাত্রা করলেও ইসলামের আলোকে সরকার ও দলমত-নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার অভাবে নাগরিকের মেীলিক অধিকার পূরণের মাধ্যমে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির কোন পরিবতন ঘটানো সম্ভব হয়নি।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানবাধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্বের পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার লাভের সুযোগ, নিরাপত্তা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা ছাড়া প্রকৃত উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। নারী, শিশু, প্রবীণ, দরিদ্র, অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকার সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ক্ষমতা, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা আর্থিক প্রভাবের কারণে অন্যের অধিকার হরণ করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার, প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মানবাধিকার সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অন্যায়ের প্রতিবাদ, বৈষম্য প্রতিরোধ এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। এ লক্ষ্য অর্জনে দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূরীকরণ এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। মানবাধিকার রক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান বক্তরা ।
আলোচনা সভায় বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মুহম্মদ ওবায়দুল হকের সভাপতিত্বে সংস্থার মিডিয়া সমন্বয়ক সাকিব মুহাম্মদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও মানবাধিকার উপদেষ্ঠা আজমিরি বেগম ছন্দা , মানবাধিকার নেতা অপরাধ বিচিত্রার সম্পাদক এস এম মোশদ ,, ইসলামী ঐক্যজোটের সহ-সভাপতি শওকত আমীন,ভাষানী মঞ্চের সদস্য সচিব সৈয়দ মোখলেছুর রহমান ,মো: রফিক , নাগরিক অধিকারের স্বাধনিতার সদস্য মোকারমা আক্তার,পারভীন আক্তার, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ডা: মো: শামীম উদ্দিন, বাংলাদেশ মুক্তি পার্টির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, সমাজকর্মী শরীফ মো. মাসুদ,ইসলামী সমাজতান্ত্রিক পাটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হাফিজ, সংস্থার দপ্তর সম্পাদক শাহ মো. রেজাউল কবীর প্রমুখ।
আলোচনা সভায় হকারের উচ্ছেদের পুনবাসন করা, কিশোর গ্যাংয়ের মব সৃষ্টির অপতৎপরতা বন্ধ করা,চাঁদাবাজ, দখলদার ও মাদকবিরোধী কাযক্রম বন্ধ করা,রাতের আধারে দখল বা সন্ত্রাস সৃষ্টি বন্ধ করা , অপরাধীকে দলীয় সমথন না দেওয়ার আহবান জানানো হয়।
(সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)


























