https://www.facebook.com/obaidul1991
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের নলডাঙ্গা এসিসিএফ ব্যাংক কর্তৃক আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
- Update Time : ০৯:৫৭:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- / ১০ Time View

শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধা : গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গায়
স্থাপিত এসিসিএফ ব্যাংক বা আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ক্রেডিট সোসাইটি লিঃ
এর বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ৫
শতাধিক গ্রাহক।
জানা গেছে, সমবায় অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংকটি ১৯৮৪ সালে সারাদেশে
১৮৪টি শাখার মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল, যার মধ্যে গাইবান্ধার জেলার ৭টি উপজেলায় ৯টি শাখা
ছিল। এর মধ্যে দরিদ্র ও অবহেলিত এলাকা নামে পরিচিত সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গায় ২০১৬ সালে
ব্যাংকটির একটি শাখা উদ্বোধন করে সমবায় ভিত্তিক ব্যবসা শুরু করা হয়। স্থানীয় ৫ শতাধিক গ্রাহক
নিয়ে যাত্রা শুরু করা ঐ শাখায় প্রায় আড়াই কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উক্ত ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোঃ তাজুল ইসলাম ১৭ শতাংশ লাভের প্রলোভন
দেখিয়ে গ্রাহকদের আমানতকৃত ঐ টাকা সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে ঐ টাকা
আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সিআইডি কর্তৃক মহামান্য হাইকোর্টে ২০১৯ সালে একটি
মানি লন্ডারিং মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি
মামলা চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে নলডাঙ্গা শাখায় গ্রাহকদের আমানতের মেয়াদ শেষ হলে তারা
শাখাটিতে এসে সুদ আসলে টাকা ফেরত চান। কিন্তু নলডাঙ্গা শাখা গ্রাহকদের টাকা ফেরত দানের মতো
অবস্থায় ছিল না। শাখার পক্ষ থেকে বারবার চেয়ারম্যানের নিকট টাকা চাওয়া হলেও তিনি টাকা দিতে
অপারগতা প্রকাশ করেন এবং উল্টো বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে না পেরে এবং চেয়ারম্যানের কাছ থেকে কোন সহযোগিতা না পেয়ে
শাখা ম্যানেজার আব্দুল বারী বাদী হয়ে গাইবান্ধা বিজ্ঞ আমলী আদালতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সিআর-
২৮২/২৩নং মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে গ্রাহকদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় গ্রাহকদের আসা-
যাওয়া, হামলা ও বিভিন্ন দাবী-দাওয়ার মুখে ২০২৪ সালে বাধ্য হয়ে শাখাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় ৫
শতাধিক গ্রাহক জমানো আমানত ফেরত না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে ঐ ব্যাংকে কর্মরত
কর্মকর্তা/কর্মচারীরাও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গা ঢাকা অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
ভুক্তভোগীরা তাদের আমানত ফিরে পেতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ও কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।




























