০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
(https://www.facebook.com/obaidul1991)লেখকদের পারিশ্রমিক বা ফি ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালের এসআরও (SRO) অনুযায়ী নির্ধারিত, যা দলিল বা পিটিশনের ধরন ও শব্দের ওপর ভিত্তি করে ধার্য করা হয়। প্রতি ৩০০ শব্দ বা তার অংশের মুসাবিদার জন্য ১৫ টাকা, দলিল লিখন সহায়তায় ১০- ১৫ টাকা, এবং ফর্ম পূরণে ৫ টাকা সরকারি হার নির্ধারিত আছে। নিবন্ধন অধিদপ্তর বাংলাদেশে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর দলিল প্রস্তুত, রেজিস্ট্রেশন ও সংরক্ষণ করে। এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য মাঠ পর্যায়ে প্রায় ৫০,০০০ সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক রয়েছেন।

নাগরিক অধিকার ————– মোশারফ হোসেন

মতামত
  • Update Time : ০৩:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০৯ Time View

গনতন্ত্রের দেশে যে কোন প্রথার নিয়ম হলো, সবার প্রতি সমান দৃষ্টি দেয়া। বৈষম্য
দূরীকরনে ছাত্র জনতার আন্দোলনে দেশ থেকে স্বৈরী শাসকের পতন হল। উদয় হল
বাংলার ভাগ্যাকাশে গনতন্ত্রের রক্তিম সূর্য্য। আমাদের মাঝে যার চাওয়ার ক্ষমতা
আছে সে ই পাবে। বৈধতা আছে কিন্তু ক্ষমতা নাই। সে ভুখা থেকে যাবে চিরকাল, এ
নিয়ম চলবে কতকাল ? একটি স্বাধীন দেশে নাগরিক অধিকার সবার আগে। গত
সেপ্টেম্বরে ঢাকা কলেজের শহিদ আ. ন.ম. নজীব উদ্দিন খান খুররম অডিটোরিয়াম
‘অভ্যুত্থান পরবর্তী কেমন বাংলাদেশ চাই ? শীর্ষক মতবিনিময়ে ফরহাদ মজহার বলেন,
অভ্যুত্থান পরবর্তী কেমন বাংলাদেশ চাই- সেটা আমাদের ওপর নির্ভর করবে। আমরা
কেমন ! আমরা যখন গণঅভ্যুত্থান করেছি, তখন কিন্তু আমাদের ভাবতে হয়েছে,
পরিকল্পনা করতে হয়েছে, লক্ষ্য নিবিষ্ট রাখতে হয়েছে। শত্রু চোখের প্রতি সচেতন
থাকতে হয়েছে। যার ফলে ফ্যাসিষ্ট পালাতে বাধ্য হয়েছে। আগামী দিনে আমরা কী করব
এবং কেমন বাংলাদেশ আমরা চাই, যেই প্রশ্নটি আমরা তুললাম, সেটি আমাদের লক্ষ্যের
ওপর নির্ভর করছে। আমরা কোথায় যেতে চাই এবং আমাদের দৃষ্টি কোথায় নিবদ্ধ, সেটি
করতে পারলে আমরা লক্ষ্য পূরণে দ্রুত অগ্রসর হবো। এ সময় তিনি প্রশ্ন করেন- এই
যে গণঅভ্যুত্থান হলো, এটার বিজয় হয়েছে কি-না ? আমরা জয়ী- নাকি ব্যর্থ ? এ সময়
উপস্থিত দর্শক-শ্রোতা ‘না’ বলে ওঠেন ফরহাদ মাজহার বলেন, আমরা এখনো ব্যর্থ
হয়েছি। খুবই নিবিষ্ট থাকতে হবে লক্ষ্য পূরণে। গণঅভ্যুত্থান হলো- জনগণ যখন দাঁড়ায়,
তখন তাকে দৃশ্যমান দেখা যায়। কেন দাঁড়িয়েছে এক ফ্যাসিস্টকে উৎখাত করে পুরোনো
ব্যবস্থাকে উৎখাত করে নতুন ব্যবস্থার পত্তন করতে যায়- তরুণদের ভাষায় সেটি
একটি নতুন বাংলাদেশ। এখন তো একটা আলোচনা করতে হবে, দোষ তো হলো চিন্তার
মধ্যে। এই দোষগুলো কাটাতে হবে। এ কথাটা আমরা সবাই জানি কিন্তু মানি না। তবে যদি
না মেনে পারা যায়, তাহলে জেনে কি হবে।
এই উপমহাদেশে ব্রিটিশ আমল থেকে ইংরেজরা মানুষের অধিকার রক্ষার্থে ১৯০৮
সালে ভূমি রেজিষ্ট্রেশন আইন চালু করেন। বর্তমানে আমাদের দেশে ভূমি রেজিষ্ট্রেশন
আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীন নিবন্ধন অধিদপ্তরের উপর
ন্যাস্ত। দেশের লাইসেন্সধারী দলিল লেখকদের নিয়ন্ত্রন করছে নিবন্ধন অধিদপ্তর ।
উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দেশ র্স্মাট হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বাস্তবিক সত্য।
আমাদের দেশে সরকারের সিংহভাগ রাজস্ব আদায়ে দলিল লেখকরা প্রথম স্থান না
পেলেও দ্ধিতীয় স্থানে অবস্থান করছে বলে অনেকেই ধারনা। যতসম্ভব কাষ্টম অফিস
সরকারী রাজস্ব আদায়ে শীর্ষে আছে। সংবাদটা শুনে ভাল লাগছে। সরকার তাদেরকে
বাড়ী, গাড়ী, পোষাক, রেশন, চিকিৎসা সেবা ও ছেলেমেয়েদেরকে সুশিক্ষার ব্যবস্থা করে
দিয়েছেন এটা আনন্দের বিষয়। ব্রিটিশ আমল থেকে দলিল লেখকরা যে আইনের
গন্ডীতে আজও সেই আইনের ভিতর বসবাস করছে। নিবন্ধন পরিদপ্তরের দলিল

লেখকদের পারিশ্রমিক বা ফি ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালের এসআরও (SRO) অনুযায়ী
নির্ধারিত, যা দলিল বা পিটিশনের ধরন ও শব্দের ওপর ভিত্তি করে ধার্য করা হয়।
প্রতি ৩০০ শব্দ বা তার অংশের মুসাবিদার জন্য ১৫ টাকা, দলিল লিখন সহায়তায় ১০-
১৫ টাকা, এবং ফর্ম পূরণে ৫ টাকা সরকারি হার নির্ধারিত আছে। নিবন্ধন অধিদপ্তর
বাংলাদেশে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর দলিল প্রস্তুত, রেজিস্ট্রেশন ও সংরক্ষণ
করে। এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য মাঠ পর্যায়ে প্রায় ৫০,০০০ সনদপ্রাপ্ত
দলিল লেখক রয়েছেন। তারা পক্ষগণকে দলিল প্রস্তুত করতে ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন
করতে সহযোগিতা করেন। অনেকে মনে করেন, দলিল লেখক একটি অপ্রয়োজনীয় পেশা
এবং এটি বিলুপ্ত হওয়া উচিত। তবে দলিল লেখকরা প্রায় দুই শতাব্দীরও বেশি সময়
ধরে এই পেশায় নিয়োজিত আছেন। যদি এটি অপ্রয়োজনীয় হতো, তবে বহু আগে তা
বিলুপ্ত হয়ে যেত। মাঠ পর্যায়ে ভূমি সম্পর্কিত অন্যান্য অফিসের তুলনায়
রেজিস্ট্রেশন অফিসে সেবা প্রদান দ্রুত হয়। এর অন্যতম কারণ এই দলিল লেখকগণ।
তারা দক্ষতা ও দ্রুততার সঙ্গে দলিল প্রস্তুত করেন, যার ফলে রেজিস্ট্রেশন
অফিসার জনগণকে দ্রুত সেবা দিতে পারেন। যদি তারা না থাকতেন, তবে রেজিস্ট্রেশন
অফিসারকেই দলিল প্রস্তুত ও রেজিস্ট্রেশন করতে হতো। সে ক্ষেত্রে জনগণকে
মাসের পর মাস হয়রানির শিকার হতে হতো। বর্তমানে আমাদের প্রয়োজন হলো-দলিল
লেখকদের সেবা প্রদান আরও স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ করা এবং তাদের পারিশ্রমিক
যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মতভাবে নির্ধারণ করা। বর্তমানে একজন দলিল লেখক যে
পারিশ্রমিক পান, তা ১৯৯৪ সালে নির্ধারিত এবং আজ পর্যন্ত হালনাগাদ করা হয়নি।
একটি দলিল লিখে একজন দলিল লেখক সরকারি ভাবে মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকা
পান, যা দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির বাজারে অত্যন্ত নগণ্য। নিবন্ধন অধিদপ্তর
বাংলাদেশে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর দলিল প্রস্তুত, রেজিস্ট্রেশন ও সংরক্ষণ
করে। এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য মাঠ পর্যায়ে প্রায় ৫০,০০০ সনদপ্রাপ্ত
দলিল লেখক রয়েছেন। তারা পক্ষগণকে দলিল প্রস্তুত করতে ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন
করতে সহযোগিতা করেন। অনেকে মনে করেন, দলিল লেখক একটি অপ্রয়োজনীয় পেশা
এবং এটি বিলুপ্ত হওয়া উচিত। তবে দলিল লেখকরা প্রায় দুই শতাব্দীরও বেশি সময়
ধরে এই পেশায় নিয়োজিত আছেন। যদি এটি অপ্রয়োজনীয় হতো, তবে বহু আগে তা
বিলুপ্ত হয়ে যেত। মাঠ পর্যায়ে ভূমি সম্পর্কিত অন্যান্য অফিসের তুলনায়
রেজিস্ট্রেশন অফিসে সেবা প্রদান দ্রুত হয়। এর অন্যতম কারণ এই দলিল লেখকগণ ।
তারা দক্ষতা ও দ্রুততার সঙ্গে দলিল প্রস্তুত করেন, যার ফলে রেজিস্ট্রেশন
অফিসার জনগণকে দ্রুত সেবা দিতে পারেন। যদি তারা না থাকতেন, তবে রেজিস্ট্রেশন
অফিসারকেই দলিল প্রস্তুত ও রেজিস্ট্রেশন করতে হতো। সে ক্ষেত্রে জনগণকে
মাসের পর মাস হয়রানির শিকার হতে হতো। বর্তমানে দলিল লেখকদের পারিশ্রমিক
বৃদ্ধি পেলে তারা আত্মসম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, জনগণও স্বচ্ছ

ও হয়রানিমুক্ত সেবা পাবেন। এর ফলে নিবন্ধন অধিদপ্তর আরও জনমুখী ও কার্যকর
হয়ে উঠবে। সরকার দলিল লেখকদের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় কোটি টাকা রাজস্ব পাচ্ছেন
কিন্তু দলিল লেখকদেরকে বেঁচে থাকার সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে না। অবহেলিত বঞ্চিত
দলিল লেখকদেরকে সরকার কোন বেতন ভাতা, প্রণোদনা, রেশন, আবাসন, চিকিৎসা
সেবা ও ছেলে মেয়েদের সুশিক্ষার কোন কোটা ব্যবস্থা করে নাই। তথ্য প্রযুক্তিকে
দলিল লেখকরা বুকে ধারন করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চায়। এখন শুধু
সরকারের সদিচ্ছার দরকার । গনতন্ত্রের দেশে প্রতিটি নাগরিক তার অধিকারের কথা
বলতে পারবে। ইউনিভার্সিটি অব ওয়েষ্টান অষ্ট্রেলিয়া উপাচার্য স্যার অমিত চাকমা
৪টি প্রশ্ন করেছিলেন (১) মানুষ হিসেবে আমরা কারা ? (২) মানবতা বলতে আমরা কি
বুঝি ? (৩) আমাদের জিবন যাত্রার লক্ষ্য কি ? (৪) পরস্পরের সঙ্গে আমাদের
আচরন কেমন হওয়া উচিত? আমরা এসব প্রশ্নের উত্তর কিভার দেব ! হ্যাঁ
যুক্তরাষ্ট্র যখন মহামন্দার শীর্ষে ছিল এবং লাখ লাখ মানুষ অনেক কষ্ট করে
দূর্বিষহ দিন কাটাচ্ছিলেন, তখন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এই বলে জনগনের কাছে আশা
নিয়ে এসেছিলেন, আমাদের কেবল একটাই ভয় পাওয়ার বিষয় ভয় । আমাদের ছাত্ররা
বৈষ্যমের জিঞ্জির ছিড়ে স্বৈরী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। রাষ্ট্র চলে জনগনের
করের টাকায়। রাষ্ট্রের কাছে জনগনের সুখ দুঃখের কথা বলা নাগরিক অধিকার।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

(https://www.facebook.com/obaidul1991)লেখকদের পারিশ্রমিক বা ফি ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালের এসআরও (SRO) অনুযায়ী নির্ধারিত, যা দলিল বা পিটিশনের ধরন ও শব্দের ওপর ভিত্তি করে ধার্য করা হয়। প্রতি ৩০০ শব্দ বা তার অংশের মুসাবিদার জন্য ১৫ টাকা, দলিল লিখন সহায়তায় ১০- ১৫ টাকা, এবং ফর্ম পূরণে ৫ টাকা সরকারি হার নির্ধারিত আছে। নিবন্ধন অধিদপ্তর বাংলাদেশে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর দলিল প্রস্তুত, রেজিস্ট্রেশন ও সংরক্ষণ করে। এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য মাঠ পর্যায়ে প্রায় ৫০,০০০ সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক রয়েছেন।

নাগরিক অধিকার ————– মোশারফ হোসেন

Update Time : ০৩:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

গনতন্ত্রের দেশে যে কোন প্রথার নিয়ম হলো, সবার প্রতি সমান দৃষ্টি দেয়া। বৈষম্য
দূরীকরনে ছাত্র জনতার আন্দোলনে দেশ থেকে স্বৈরী শাসকের পতন হল। উদয় হল
বাংলার ভাগ্যাকাশে গনতন্ত্রের রক্তিম সূর্য্য। আমাদের মাঝে যার চাওয়ার ক্ষমতা
আছে সে ই পাবে। বৈধতা আছে কিন্তু ক্ষমতা নাই। সে ভুখা থেকে যাবে চিরকাল, এ
নিয়ম চলবে কতকাল ? একটি স্বাধীন দেশে নাগরিক অধিকার সবার আগে। গত
সেপ্টেম্বরে ঢাকা কলেজের শহিদ আ. ন.ম. নজীব উদ্দিন খান খুররম অডিটোরিয়াম
‘অভ্যুত্থান পরবর্তী কেমন বাংলাদেশ চাই ? শীর্ষক মতবিনিময়ে ফরহাদ মজহার বলেন,
অভ্যুত্থান পরবর্তী কেমন বাংলাদেশ চাই- সেটা আমাদের ওপর নির্ভর করবে। আমরা
কেমন ! আমরা যখন গণঅভ্যুত্থান করেছি, তখন কিন্তু আমাদের ভাবতে হয়েছে,
পরিকল্পনা করতে হয়েছে, লক্ষ্য নিবিষ্ট রাখতে হয়েছে। শত্রু চোখের প্রতি সচেতন
থাকতে হয়েছে। যার ফলে ফ্যাসিষ্ট পালাতে বাধ্য হয়েছে। আগামী দিনে আমরা কী করব
এবং কেমন বাংলাদেশ আমরা চাই, যেই প্রশ্নটি আমরা তুললাম, সেটি আমাদের লক্ষ্যের
ওপর নির্ভর করছে। আমরা কোথায় যেতে চাই এবং আমাদের দৃষ্টি কোথায় নিবদ্ধ, সেটি
করতে পারলে আমরা লক্ষ্য পূরণে দ্রুত অগ্রসর হবো। এ সময় তিনি প্রশ্ন করেন- এই
যে গণঅভ্যুত্থান হলো, এটার বিজয় হয়েছে কি-না ? আমরা জয়ী- নাকি ব্যর্থ ? এ সময়
উপস্থিত দর্শক-শ্রোতা ‘না’ বলে ওঠেন ফরহাদ মাজহার বলেন, আমরা এখনো ব্যর্থ
হয়েছি। খুবই নিবিষ্ট থাকতে হবে লক্ষ্য পূরণে। গণঅভ্যুত্থান হলো- জনগণ যখন দাঁড়ায়,
তখন তাকে দৃশ্যমান দেখা যায়। কেন দাঁড়িয়েছে এক ফ্যাসিস্টকে উৎখাত করে পুরোনো
ব্যবস্থাকে উৎখাত করে নতুন ব্যবস্থার পত্তন করতে যায়- তরুণদের ভাষায় সেটি
একটি নতুন বাংলাদেশ। এখন তো একটা আলোচনা করতে হবে, দোষ তো হলো চিন্তার
মধ্যে। এই দোষগুলো কাটাতে হবে। এ কথাটা আমরা সবাই জানি কিন্তু মানি না। তবে যদি
না মেনে পারা যায়, তাহলে জেনে কি হবে।
এই উপমহাদেশে ব্রিটিশ আমল থেকে ইংরেজরা মানুষের অধিকার রক্ষার্থে ১৯০৮
সালে ভূমি রেজিষ্ট্রেশন আইন চালু করেন। বর্তমানে আমাদের দেশে ভূমি রেজিষ্ট্রেশন
আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীন নিবন্ধন অধিদপ্তরের উপর
ন্যাস্ত। দেশের লাইসেন্সধারী দলিল লেখকদের নিয়ন্ত্রন করছে নিবন্ধন অধিদপ্তর ।
উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দেশ র্স্মাট হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বাস্তবিক সত্য।
আমাদের দেশে সরকারের সিংহভাগ রাজস্ব আদায়ে দলিল লেখকরা প্রথম স্থান না
পেলেও দ্ধিতীয় স্থানে অবস্থান করছে বলে অনেকেই ধারনা। যতসম্ভব কাষ্টম অফিস
সরকারী রাজস্ব আদায়ে শীর্ষে আছে। সংবাদটা শুনে ভাল লাগছে। সরকার তাদেরকে
বাড়ী, গাড়ী, পোষাক, রেশন, চিকিৎসা সেবা ও ছেলেমেয়েদেরকে সুশিক্ষার ব্যবস্থা করে
দিয়েছেন এটা আনন্দের বিষয়। ব্রিটিশ আমল থেকে দলিল লেখকরা যে আইনের
গন্ডীতে আজও সেই আইনের ভিতর বসবাস করছে। নিবন্ধন পরিদপ্তরের দলিল

লেখকদের পারিশ্রমিক বা ফি ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালের এসআরও (SRO) অনুযায়ী
নির্ধারিত, যা দলিল বা পিটিশনের ধরন ও শব্দের ওপর ভিত্তি করে ধার্য করা হয়।
প্রতি ৩০০ শব্দ বা তার অংশের মুসাবিদার জন্য ১৫ টাকা, দলিল লিখন সহায়তায় ১০-
১৫ টাকা, এবং ফর্ম পূরণে ৫ টাকা সরকারি হার নির্ধারিত আছে। নিবন্ধন অধিদপ্তর
বাংলাদেশে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর দলিল প্রস্তুত, রেজিস্ট্রেশন ও সংরক্ষণ
করে। এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য মাঠ পর্যায়ে প্রায় ৫০,০০০ সনদপ্রাপ্ত
দলিল লেখক রয়েছেন। তারা পক্ষগণকে দলিল প্রস্তুত করতে ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন
করতে সহযোগিতা করেন। অনেকে মনে করেন, দলিল লেখক একটি অপ্রয়োজনীয় পেশা
এবং এটি বিলুপ্ত হওয়া উচিত। তবে দলিল লেখকরা প্রায় দুই শতাব্দীরও বেশি সময়
ধরে এই পেশায় নিয়োজিত আছেন। যদি এটি অপ্রয়োজনীয় হতো, তবে বহু আগে তা
বিলুপ্ত হয়ে যেত। মাঠ পর্যায়ে ভূমি সম্পর্কিত অন্যান্য অফিসের তুলনায়
রেজিস্ট্রেশন অফিসে সেবা প্রদান দ্রুত হয়। এর অন্যতম কারণ এই দলিল লেখকগণ।
তারা দক্ষতা ও দ্রুততার সঙ্গে দলিল প্রস্তুত করেন, যার ফলে রেজিস্ট্রেশন
অফিসার জনগণকে দ্রুত সেবা দিতে পারেন। যদি তারা না থাকতেন, তবে রেজিস্ট্রেশন
অফিসারকেই দলিল প্রস্তুত ও রেজিস্ট্রেশন করতে হতো। সে ক্ষেত্রে জনগণকে
মাসের পর মাস হয়রানির শিকার হতে হতো। বর্তমানে আমাদের প্রয়োজন হলো-দলিল
লেখকদের সেবা প্রদান আরও স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ করা এবং তাদের পারিশ্রমিক
যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মতভাবে নির্ধারণ করা। বর্তমানে একজন দলিল লেখক যে
পারিশ্রমিক পান, তা ১৯৯৪ সালে নির্ধারিত এবং আজ পর্যন্ত হালনাগাদ করা হয়নি।
একটি দলিল লিখে একজন দলিল লেখক সরকারি ভাবে মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকা
পান, যা দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির বাজারে অত্যন্ত নগণ্য। নিবন্ধন অধিদপ্তর
বাংলাদেশে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর দলিল প্রস্তুত, রেজিস্ট্রেশন ও সংরক্ষণ
করে। এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য মাঠ পর্যায়ে প্রায় ৫০,০০০ সনদপ্রাপ্ত
দলিল লেখক রয়েছেন। তারা পক্ষগণকে দলিল প্রস্তুত করতে ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন
করতে সহযোগিতা করেন। অনেকে মনে করেন, দলিল লেখক একটি অপ্রয়োজনীয় পেশা
এবং এটি বিলুপ্ত হওয়া উচিত। তবে দলিল লেখকরা প্রায় দুই শতাব্দীরও বেশি সময়
ধরে এই পেশায় নিয়োজিত আছেন। যদি এটি অপ্রয়োজনীয় হতো, তবে বহু আগে তা
বিলুপ্ত হয়ে যেত। মাঠ পর্যায়ে ভূমি সম্পর্কিত অন্যান্য অফিসের তুলনায়
রেজিস্ট্রেশন অফিসে সেবা প্রদান দ্রুত হয়। এর অন্যতম কারণ এই দলিল লেখকগণ ।
তারা দক্ষতা ও দ্রুততার সঙ্গে দলিল প্রস্তুত করেন, যার ফলে রেজিস্ট্রেশন
অফিসার জনগণকে দ্রুত সেবা দিতে পারেন। যদি তারা না থাকতেন, তবে রেজিস্ট্রেশন
অফিসারকেই দলিল প্রস্তুত ও রেজিস্ট্রেশন করতে হতো। সে ক্ষেত্রে জনগণকে
মাসের পর মাস হয়রানির শিকার হতে হতো। বর্তমানে দলিল লেখকদের পারিশ্রমিক
বৃদ্ধি পেলে তারা আত্মসম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, জনগণও স্বচ্ছ

ও হয়রানিমুক্ত সেবা পাবেন। এর ফলে নিবন্ধন অধিদপ্তর আরও জনমুখী ও কার্যকর
হয়ে উঠবে। সরকার দলিল লেখকদের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় কোটি টাকা রাজস্ব পাচ্ছেন
কিন্তু দলিল লেখকদেরকে বেঁচে থাকার সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে না। অবহেলিত বঞ্চিত
দলিল লেখকদেরকে সরকার কোন বেতন ভাতা, প্রণোদনা, রেশন, আবাসন, চিকিৎসা
সেবা ও ছেলে মেয়েদের সুশিক্ষার কোন কোটা ব্যবস্থা করে নাই। তথ্য প্রযুক্তিকে
দলিল লেখকরা বুকে ধারন করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চায়। এখন শুধু
সরকারের সদিচ্ছার দরকার । গনতন্ত্রের দেশে প্রতিটি নাগরিক তার অধিকারের কথা
বলতে পারবে। ইউনিভার্সিটি অব ওয়েষ্টান অষ্ট্রেলিয়া উপাচার্য স্যার অমিত চাকমা
৪টি প্রশ্ন করেছিলেন (১) মানুষ হিসেবে আমরা কারা ? (২) মানবতা বলতে আমরা কি
বুঝি ? (৩) আমাদের জিবন যাত্রার লক্ষ্য কি ? (৪) পরস্পরের সঙ্গে আমাদের
আচরন কেমন হওয়া উচিত? আমরা এসব প্রশ্নের উত্তর কিভার দেব ! হ্যাঁ
যুক্তরাষ্ট্র যখন মহামন্দার শীর্ষে ছিল এবং লাখ লাখ মানুষ অনেক কষ্ট করে
দূর্বিষহ দিন কাটাচ্ছিলেন, তখন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এই বলে জনগনের কাছে আশা
নিয়ে এসেছিলেন, আমাদের কেবল একটাই ভয় পাওয়ার বিষয় ভয় । আমাদের ছাত্ররা
বৈষ্যমের জিঞ্জির ছিড়ে স্বৈরী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। রাষ্ট্র চলে জনগনের
করের টাকায়। রাষ্ট্রের কাছে জনগনের সুখ দুঃখের কথা বলা নাগরিক অধিকার।