০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী সুন্দরগঞ্জের সোনারায়ে মাটি ও মানুষের নেতা এইচ.এম মতিয়ার পারভেজ

শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি গাইবান্ধা
  • Update Time : ১১:২৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১০৫ Time View


শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ২নং সোনারায় ইউনিয়নের মানুষের হৃদয়ের নেতা, মাটির মানুষ এইচ.এম মতিয়ার পারভেজ। তিনি এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি মানুষের কথা বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন। নিজের ভালোবাসার কথা নিজে গুছিয়ে বলতে পারেন না তাই তার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্ম পরিকল্পনার কথাগুলো তুলে ধরতে আজকে এই প্রতিবেদন। তিনি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী।
তার অতীত মানে সংগ্রাম। তিনি একজন শিক্ষিত, মার্জিত ও বহুমুখী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি একজন গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী-তার লেখা ও সুর করা গান বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হয়ে আসছে।
ছাত্রজীবনে রাজশাহী কলেজে মাস্টার্সে পড়ার সময় থেকেই ১৯৮৮ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের হাতে খড়ি। ৯০ এর স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি ছিলেন একজন লড়াকু সৈনিক। এরপর দলের জন্য জীবন বাজি রেখেছেন। তিনি গাইবান্ধা জেলা বিএনপি সদস্য, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২নং সোনারায় ইউনিয়নের সদস্য সচিব। ২০১৬ সালে দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদার জিয়ার স্বাক্ষরিত মনোনয়ন নিয়ে তিনি ধানের শিষ প্রতীকে ইউপি নির্বাচন করেছেন।
ফ্যাসিস্ট সরকার তার জীবনকে তছনছ করে দিয়েছে। তার নামে ২৬টি মিথ্যা মামলা, ৯ বার কারাবরণ, শুধু তিনিই নন, বাবা বিএনপি করে বলে তার ছেলে শরিফুজ্জামান স্মরণ পারভেজকেও ৮টি মামলা ও ২ বার জেল কাটতে হয়েছে। ২০০৩ সালে শিবরাম মোহাম্মদ হোসেন স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজে হিসাব বিজ্ঞানের শিক্ষক নিয়োগ পেলেও তৎকালীন অধ্যক্ষের রোষানলে পড়ে এমপিও ভুক্ত হতে পারেননি, আজও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কিন্তু তবুও দল ছাড়েননি, মানুষও ছাড়েননি।
বর্তমানে তিনি ২নং সোনারায় ইউনিয়েনের প্রতিটি মানুষের সুখ দুঃখে পাশে আছেন। তিনি কোন পদ-পদবী ছাড়াই মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষ তাকে ভালোবাসে, কারণ তিনি মানুষকে যেভাবে ভালোবাসেন সেই ভালোবাসার কথা তিনি মুখে প্রকাশ করতে পারেন না, কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এটাই তার সরলতা।
দল যদি তাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ তাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে, তাহলে ২নং সোনারায় ইউনিয়ন নিয়ে তার সুস্পষ্ট ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তিনি ইউনিয়নকে সম্পূর্ণ মাদক ও দূর্নীতিমুক্ত করবেন। ২নং সোনারায়কে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবেন। শিক্ষার মান উন্নয়ন ও যুব সমাজকে সাংস্কৃতিক এবং কর্মমূখী কাজে সম্পৃক্ত করবেন। গরীব-দুঃখীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন, কোন বৈষম্য থাকবে না। ইউনিয়নের প্রতিটি রাস্তাঘাট, ব্রীজ ও কালভার্টের উন্নয়ন করবেন।
তিনি বলেন, “আমি আমার জীবনের অতীত আপনাদের জন্য বিলিয়ে দিয়েছি, বর্তমানেও আপনাদের পাশে আছি, ভবিষ্যতে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আমি কথা গুছিয়ে বলতে পারিনা কিন্তু মানুষকে ভালোবাসতে জানি।”
এলাকাবাসীর মতে এইচ.এম মতিয়ার পারভেজের মতো ত্যাগী, পরীক্ষিত ও মাটির মানুষের নেতাই পারে ২নং সোনারায় ইউনিয়নকে বদলে দিতে। তাই তিনি দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ, সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী সুন্দরগঞ্জের সোনারায়ে মাটি ও মানুষের নেতা এইচ.এম মতিয়ার পারভেজ

Update Time : ১১:২৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ২নং সোনারায় ইউনিয়নের মানুষের হৃদয়ের নেতা, মাটির মানুষ এইচ.এম মতিয়ার পারভেজ। তিনি এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি মানুষের কথা বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন। নিজের ভালোবাসার কথা নিজে গুছিয়ে বলতে পারেন না তাই তার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্ম পরিকল্পনার কথাগুলো তুলে ধরতে আজকে এই প্রতিবেদন। তিনি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী।
তার অতীত মানে সংগ্রাম। তিনি একজন শিক্ষিত, মার্জিত ও বহুমুখী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি একজন গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী-তার লেখা ও সুর করা গান বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হয়ে আসছে।
ছাত্রজীবনে রাজশাহী কলেজে মাস্টার্সে পড়ার সময় থেকেই ১৯৮৮ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের হাতে খড়ি। ৯০ এর স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি ছিলেন একজন লড়াকু সৈনিক। এরপর দলের জন্য জীবন বাজি রেখেছেন। তিনি গাইবান্ধা জেলা বিএনপি সদস্য, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২নং সোনারায় ইউনিয়নের সদস্য সচিব। ২০১৬ সালে দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদার জিয়ার স্বাক্ষরিত মনোনয়ন নিয়ে তিনি ধানের শিষ প্রতীকে ইউপি নির্বাচন করেছেন।
ফ্যাসিস্ট সরকার তার জীবনকে তছনছ করে দিয়েছে। তার নামে ২৬টি মিথ্যা মামলা, ৯ বার কারাবরণ, শুধু তিনিই নন, বাবা বিএনপি করে বলে তার ছেলে শরিফুজ্জামান স্মরণ পারভেজকেও ৮টি মামলা ও ২ বার জেল কাটতে হয়েছে। ২০০৩ সালে শিবরাম মোহাম্মদ হোসেন স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজে হিসাব বিজ্ঞানের শিক্ষক নিয়োগ পেলেও তৎকালীন অধ্যক্ষের রোষানলে পড়ে এমপিও ভুক্ত হতে পারেননি, আজও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কিন্তু তবুও দল ছাড়েননি, মানুষও ছাড়েননি।
বর্তমানে তিনি ২নং সোনারায় ইউনিয়েনের প্রতিটি মানুষের সুখ দুঃখে পাশে আছেন। তিনি কোন পদ-পদবী ছাড়াই মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষ তাকে ভালোবাসে, কারণ তিনি মানুষকে যেভাবে ভালোবাসেন সেই ভালোবাসার কথা তিনি মুখে প্রকাশ করতে পারেন না, কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এটাই তার সরলতা।
দল যদি তাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ তাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে, তাহলে ২নং সোনারায় ইউনিয়ন নিয়ে তার সুস্পষ্ট ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তিনি ইউনিয়নকে সম্পূর্ণ মাদক ও দূর্নীতিমুক্ত করবেন। ২নং সোনারায়কে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবেন। শিক্ষার মান উন্নয়ন ও যুব সমাজকে সাংস্কৃতিক এবং কর্মমূখী কাজে সম্পৃক্ত করবেন। গরীব-দুঃখীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন, কোন বৈষম্য থাকবে না। ইউনিয়নের প্রতিটি রাস্তাঘাট, ব্রীজ ও কালভার্টের উন্নয়ন করবেন।
তিনি বলেন, “আমি আমার জীবনের অতীত আপনাদের জন্য বিলিয়ে দিয়েছি, বর্তমানেও আপনাদের পাশে আছি, ভবিষ্যতে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আমি কথা গুছিয়ে বলতে পারিনা কিন্তু মানুষকে ভালোবাসতে জানি।”
এলাকাবাসীর মতে এইচ.এম মতিয়ার পারভেজের মতো ত্যাগী, পরীক্ষিত ও মাটির মানুষের নেতাই পারে ২নং সোনারায় ইউনিয়নকে বদলে দিতে। তাই তিনি দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ, সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।