০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলা জেলার দলিল লিখক আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর মৃত্যূ নিয়ে ধোঁয়াশা যাচ্ছে না

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ১১:৩১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৭ Time View

মোঃ আবুল কাশেম : আব্দুল্লার মৃত্যু কি আত্মহত্যা? নাকি তাকে সুপরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে, কিছু প্রশ্ন মিলাতে পারছেনা কেউ-ই। দলিল লিখক আব্দুল্লাহ আগে ভোলা জেলার চরফ্যাশনে একটি বিয়ে করেছিল। সেই ঘরে তার ছেলে সন্তান আছে। হটাৎ করে চরফ্যাশনে চাকরি করা লালমোহনের সুন্দরী মেয়ে নাহিদা পারভীনকে পেয়ে তাকে বিয়ে করে নববধু নিয়ে লালমোহনে চলে যায় আব্দুল্যাহ। আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর চরফ্যাশনের পিতা-মাতার সংসারকে আব্দুল্লার নয়া স্ত্রীর পক্ষ হতে জানানো হয়েছিল যে, লালমোহনে বাসা ভাড়া করে তারা লালমোহনে থাকবে। কিন্তু আব্দুল‌্যাহ পাটোয়ারীর পিতা ও অন‌্যান‌্য প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা গেছে যে, আব্দুল্লাহ পাটোয়ারী তার নয়া স্ত্রীর বাড়িতে উঠেছিল। তাতে ও আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর হাল মৃত্যুর রকমফের হতে ধারণা করা হচ্ছে যে, আব্দুল্লাহকে হত্যার চেষ্টা ও পরিকল্পনা বেশ আগের। মৃত্যুর দিনের ঘটনায় দেখা গেল ও জানা গেল যে, দরজা ভেঙে যখন বাহিরের লোকজন ভিতরে গেছে তখন আব্দুল্লার রুমের লাইট বন্ধ ছিলো। তাহলে লাইট বন্ধ করে কিভাবে চেয়ারের উপরে উঠে গলায় রশি লাগিয়ে মুখে গামছা পেচাবে, লাইট বন্ধ করে অন্ধকারে এতো কিছুতো করা যায় না। এখন প্রশ্ন- তাহলে মৃত্যুর পর আব্দুল্লার রুমের লাইট বন্ধ করলো কে? ২ ফুট উচ্চতার একটি চেয়ারে দাঁড়িয়ে গলায় রশি ঝুলিয়েছে কে? রশি ঝুলানোর পরে অন্তত ১ ফুট উপরেও তার পা থাকবে, পা কেন বিছানার সাথে লেগে আছে? মারা যাবার সময় একটু হলেও হাত পা নাড়াবে। তাহলে বিছানায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির বিছানা একটুও এলোমেলো হলোনা কেন? একটা লোক মারা গিয়েছে দেখার পরে তাদের বাসায় কোন কান্নাকাটির শব্দ শুনলাম না কেন। অথচ তার স্ত্রীও সেখানে। রাত ৪ টার সময় মারা যাওয়ার খবর প্রথমে তার পরিবারকে না জানিয়ে স্ত্রীর স্বজন এবং থানা পুলিশ এসবি ডিজিএফআইকে জানায় অথচ তার পরিবারকে ফোন করেছে সকাল ৬. ৩০ মিনিট এর সময়। কেউ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলে শুনেছি জিহ্বা বের হয়ে যায়, নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। অথচ তার মুখে এমন কিছুই দেখা যায় নি কেন? তার স্ত্রী পাশের রুমে ঘুমিয়ে আছে। সে কিছুই বুঝলোনা, সে কি সব সময়ই অন্য রুমে ঘুমায়? তাহলে রাত ৪ টার সময় কেনো এমন সন্দেহ হলো যে থানা পুলিশ নিয়ে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে যেতে হবে? সর্বোপরি পরিবারে লোকজন যাওয়ার পরে তাদের সাথে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। এবং সকল কাজে অসহযোগিতা করেছে। এতো কিছুর পরেও কী বলবেন যে, আব্দুল্যার মৃত্যূ একটি আত্মহত্যা? যে কোন অপমৃত্যূকে আত্মহত্যা চালানোর জন্য বাংলাদেশের পুলিশ একটি মৃত্যূ মামলা বানিজ্যে নামে। যেমন বাংলাদেশের চিত্র নায়ক সালমান শাহ- খুনের কবলে পড়েছিল। অথচ সালমান শাহের খুনের পরে পুলিশ বার বার ঘুষ খাওয়ার আশ্রয় নিয়ে পরিপূর্ণ তদন্ত না করে দীর্ঘ্যদিন যাবত বলেছিল আত্মহত্যা। অথচ সালমান শাহের আত্মহত্যার পরিপূর্ণ আলামত হত্যার স্পটে ছিলো না। লালমোহনের উক্ত আব্দুল্যাহ পাটোয়ারীর মৃত্যুর স্পটেও আত্মহত্যার পরিপূর্ণ আলামত নাই। তাহলে আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর মৃত্যূ কিভাবে একটি আত্মহত্যা? জনমনে এখন এই প্রশ্ন রীতিমত ঘুরপাক খাচ্ছে। ছবিতে- আব্দুল্লাহ পাটোয়ারী, তজুমদ্দিন সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের সাব-রেজিষ্ট্রার‌ সহকারী নাহিদা পারভীন, আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর বিমর্ষ ও অভিযোগকারী পিতা, আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর মরদেহ বেষ্টনী, মৃত্যূ হতে কি জানি কি খোঁজ করার তাগিদে থাকা চরফ্যাশনের মাফিয়া সাংবাদিক সাহাবুদ্দিন হাওলাদার।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলা জেলার দলিল লিখক আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর মৃত্যূ নিয়ে ধোঁয়াশা যাচ্ছে না

Update Time : ১১:৩১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ আবুল কাশেম : আব্দুল্লার মৃত্যু কি আত্মহত্যা? নাকি তাকে সুপরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে, কিছু প্রশ্ন মিলাতে পারছেনা কেউ-ই। দলিল লিখক আব্দুল্লাহ আগে ভোলা জেলার চরফ্যাশনে একটি বিয়ে করেছিল। সেই ঘরে তার ছেলে সন্তান আছে। হটাৎ করে চরফ্যাশনে চাকরি করা লালমোহনের সুন্দরী মেয়ে নাহিদা পারভীনকে পেয়ে তাকে বিয়ে করে নববধু নিয়ে লালমোহনে চলে যায় আব্দুল্যাহ। আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর চরফ্যাশনের পিতা-মাতার সংসারকে আব্দুল্লার নয়া স্ত্রীর পক্ষ হতে জানানো হয়েছিল যে, লালমোহনে বাসা ভাড়া করে তারা লালমোহনে থাকবে। কিন্তু আব্দুল‌্যাহ পাটোয়ারীর পিতা ও অন‌্যান‌্য প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা গেছে যে, আব্দুল্লাহ পাটোয়ারী তার নয়া স্ত্রীর বাড়িতে উঠেছিল। তাতে ও আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর হাল মৃত্যুর রকমফের হতে ধারণা করা হচ্ছে যে, আব্দুল্লাহকে হত্যার চেষ্টা ও পরিকল্পনা বেশ আগের। মৃত্যুর দিনের ঘটনায় দেখা গেল ও জানা গেল যে, দরজা ভেঙে যখন বাহিরের লোকজন ভিতরে গেছে তখন আব্দুল্লার রুমের লাইট বন্ধ ছিলো। তাহলে লাইট বন্ধ করে কিভাবে চেয়ারের উপরে উঠে গলায় রশি লাগিয়ে মুখে গামছা পেচাবে, লাইট বন্ধ করে অন্ধকারে এতো কিছুতো করা যায় না। এখন প্রশ্ন- তাহলে মৃত্যুর পর আব্দুল্লার রুমের লাইট বন্ধ করলো কে? ২ ফুট উচ্চতার একটি চেয়ারে দাঁড়িয়ে গলায় রশি ঝুলিয়েছে কে? রশি ঝুলানোর পরে অন্তত ১ ফুট উপরেও তার পা থাকবে, পা কেন বিছানার সাথে লেগে আছে? মারা যাবার সময় একটু হলেও হাত পা নাড়াবে। তাহলে বিছানায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির বিছানা একটুও এলোমেলো হলোনা কেন? একটা লোক মারা গিয়েছে দেখার পরে তাদের বাসায় কোন কান্নাকাটির শব্দ শুনলাম না কেন। অথচ তার স্ত্রীও সেখানে। রাত ৪ টার সময় মারা যাওয়ার খবর প্রথমে তার পরিবারকে না জানিয়ে স্ত্রীর স্বজন এবং থানা পুলিশ এসবি ডিজিএফআইকে জানায় অথচ তার পরিবারকে ফোন করেছে সকাল ৬. ৩০ মিনিট এর সময়। কেউ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলে শুনেছি জিহ্বা বের হয়ে যায়, নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। অথচ তার মুখে এমন কিছুই দেখা যায় নি কেন? তার স্ত্রী পাশের রুমে ঘুমিয়ে আছে। সে কিছুই বুঝলোনা, সে কি সব সময়ই অন্য রুমে ঘুমায়? তাহলে রাত ৪ টার সময় কেনো এমন সন্দেহ হলো যে থানা পুলিশ নিয়ে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে যেতে হবে? সর্বোপরি পরিবারে লোকজন যাওয়ার পরে তাদের সাথে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। এবং সকল কাজে অসহযোগিতা করেছে। এতো কিছুর পরেও কী বলবেন যে, আব্দুল্যার মৃত্যূ একটি আত্মহত্যা? যে কোন অপমৃত্যূকে আত্মহত্যা চালানোর জন্য বাংলাদেশের পুলিশ একটি মৃত্যূ মামলা বানিজ্যে নামে। যেমন বাংলাদেশের চিত্র নায়ক সালমান শাহ- খুনের কবলে পড়েছিল। অথচ সালমান শাহের খুনের পরে পুলিশ বার বার ঘুষ খাওয়ার আশ্রয় নিয়ে পরিপূর্ণ তদন্ত না করে দীর্ঘ্যদিন যাবত বলেছিল আত্মহত্যা। অথচ সালমান শাহের আত্মহত্যার পরিপূর্ণ আলামত হত্যার স্পটে ছিলো না। লালমোহনের উক্ত আব্দুল্যাহ পাটোয়ারীর মৃত্যুর স্পটেও আত্মহত্যার পরিপূর্ণ আলামত নাই। তাহলে আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর মৃত্যূ কিভাবে একটি আত্মহত্যা? জনমনে এখন এই প্রশ্ন রীতিমত ঘুরপাক খাচ্ছে। ছবিতে- আব্দুল্লাহ পাটোয়ারী, তজুমদ্দিন সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের সাব-রেজিষ্ট্রার‌ সহকারী নাহিদা পারভীন, আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর বিমর্ষ ও অভিযোগকারী পিতা, আব্দুল্লাহ পাটোয়ারীর মরদেহ বেষ্টনী, মৃত্যূ হতে কি জানি কি খোঁজ করার তাগিদে থাকা চরফ্যাশনের মাফিয়া সাংবাদিক সাহাবুদ্দিন হাওলাদার।