https://www.facebook.com/obaidul1991
চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’সহ গ্রেফতার ৫ বিদেশি পিস্তল, এলজি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
- Update Time : ০৫:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
- / ৭ Time View

স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রাম জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী চক্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জেলা ডিবি পুলিশ উন্নত প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং পেশাদার কৌশলের সমন্বয়ে নিরবচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ জুন ২০২৬ইং চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় সংঘটিত বহুল আলোচিত মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ নিবিড় তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে উক্ত মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ মিঠু ওরফে ধামা ইলিয়াছ (৪৭)-কে গ্রেফতার করা হয়। বিজ্ঞ আদালতের অনুমতিক্রমে তাকে দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, অস্ত্রের মজুদ এবং সহযোগীদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন।
তদন্তে জানা যায়, ধামা ইলিয়াছ কুখ্যাত সন্ত্রাসী রায়হানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ২১টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ০৫টি হত্যা মামলা ছাড়াও অস্ত্র, চাঁদাবাজি এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।
রিমান্ডে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং ধারাবাহিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলা ডিবি পুলিশ শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে। ২৯ জুলাই ২০২৬ বুধবার,যশোর জেলার কোতোয়ালি থানাধীন ঝুমঝুমপুর এলাকায় জেলা পুলিশের সহযোগিতায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ইমন ওরফে ডেভিড ইমন-সহ ৪ (চার) জনকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, ডেভিড ইমন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম মহানগর, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়া এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে সিএমপি ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন স্থানে অপরাধ কর্ম কাণ্ডে জড়িত থাকার
অভিযোগ পাওয়া গেছে।
























