০৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলা জেলার বালি দস্যুদেরকে দমনের জন্য সংশ্লিষ্টদেরকে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার দাবী

মোঃ আবুল কাশেম
  • Update Time : ০৭:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / ৬ Time View
 বিশেষ প্রতিনিধি : ভোলা জেলার নৌ-সীমানার মধ্যে বালি দস্যুদের ড্রেজারের মাধ্যমে শত শত বালি ভরাট কার্গো বালি তুলে বালির পাইকারি বাজারে বিক্রির কারনে অচিরেই ভোলা জেলার বহু ভূ-অঞ্চল নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তাই খুবই দ্রুততার সাথে কোস্টগার্ডের অভিযানে বালি দস্যুদের ড্রেজারসহ সকল কার্গো, নৌকা, বোট, বালি জমা করার বালি বাজার ছিন্নভিন্ন ও লন্ডভন্ড করা প্রয়োজন। নদী তীরবর্তী এলাকায় ড্রেজিং করার কারনে বর্তমান বর্ষা মৌসুম পরবর্তী শরৎ, হেমন্ত ও শীতের মৌসুমেই দেখা যাবে যে, ভোলার বিস্তৃর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। যাদের জমি ঘরবাড়ি বিলীন হবে তারা বর্তমানে জানেই না যে, নদীতে বালি দস্যু নেমেছে। তাই সচেতন মহলের আবেদন হলো বর্তমান তেঁতুলিয়া ও মেঘনা নদীতে বিদ্যমান বালি দস্যুদের দমনে কার্যকর ব্যবস্থায় নামা। সারা দেশে খুঁজে খুঁজে তাদেরকে দমন করা। তাদের বালি বিক্রির আস্তানাগুলো নির্মূল করা। ভোলা জেলার বালি বিক্রির সাথে জড়িত সকল ব্যবসায়ী, বালি বিক্রেতা ও বালি বিক্রির দালালদেরকে আইনী সাজা দেওয়া। বালি দস্যুরা শুধু বালি দস্যুই নয়। তারা দেশের সমুদ্র সীমা, নৌ-সীমা মুছে দেওয়ার ও ক্ষতিগ্রস্ত করার কারিগর। তারা দেশের মানচিত্র বদলের অদৃশ্য হুমকিও বটে। তাদের এহেন কর্মকান্ডে দেশের পবিত্র জাতীয় সংবিধানের সংবিধি নং- ২ (ক) লংঘিত হয়, এবং দেশের জাতীয় সংবিধানের সংবিধি নং- ২ (খ) পালনে অপ্রস্তুতি তৈরি হয়। এজন্য এই বালি দস্যু এবং বালি ব্যবসার সাথে জড়িত লোকজন দেশের জাতীয় সংবিধানের সংবিধি নং- ২ এর লঙ্ঘনকারী বটে। তাই তারা মৃত্যুদন্ড সাজা পাওয়ার অপরাধ কার্যক্রম করনে ও অপরাধ কার্যক্রম পরিচালনা করনে জড়িত। এজন্য এই সকল অপরাধ কার্যক্রমের লোকজনদেরকে মৃত্যুদন্ড সাজা দেওয়া প্রয়োজন। বিগত আওয়ামী লীগের সরকার‌‌‌ আমলের ফ্যাসিবাদীরা এই সতের বছর যাবত বালি ব্যবসা করতে ও বালি দস্যুতা করতে দেখা গেছে। তার আগে যে যা-ই করেছে চোরাগুপ্তা সুযোগে করেছে। বর্তমানে মসজিদের নামাজের আজান দেওয়ার মত কিংবা হরি বাড়ির ঢোল-সানাই বাদ্য বাজিয়ে এবাদত করার মত জাঁকজমকের সাথে ড্রেজিং করে নদীর তলদেশ উজার করে ফেলে দেশের ভূ্-খন্ডাঞ্চল বিলীন করে দেয়। এহেন রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অবস্থান নিয়েই রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ও অপরাধে দোষী ব্যক্তিদের মত ব্যক্তিদেরকে করতে দেখা যায়। তাই অনতিবিলম্বে এই বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড দমনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অপরাধীদেরকে মৃত্যুদন্ড দেয়া প্রয়োজন। ছবিতে – ভোলা জেলার নদীতে বালি দস্যুদের অসংখ্য ড্রেজারের চলমান ড্রেজিং ও অসংখ্য বালি দস্যুতা।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলা জেলার বালি দস্যুদেরকে দমনের জন্য সংশ্লিষ্টদেরকে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার দাবী

Update Time : ০৭:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
 বিশেষ প্রতিনিধি : ভোলা জেলার নৌ-সীমানার মধ্যে বালি দস্যুদের ড্রেজারের মাধ্যমে শত শত বালি ভরাট কার্গো বালি তুলে বালির পাইকারি বাজারে বিক্রির কারনে অচিরেই ভোলা জেলার বহু ভূ-অঞ্চল নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তাই খুবই দ্রুততার সাথে কোস্টগার্ডের অভিযানে বালি দস্যুদের ড্রেজারসহ সকল কার্গো, নৌকা, বোট, বালি জমা করার বালি বাজার ছিন্নভিন্ন ও লন্ডভন্ড করা প্রয়োজন। নদী তীরবর্তী এলাকায় ড্রেজিং করার কারনে বর্তমান বর্ষা মৌসুম পরবর্তী শরৎ, হেমন্ত ও শীতের মৌসুমেই দেখা যাবে যে, ভোলার বিস্তৃর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। যাদের জমি ঘরবাড়ি বিলীন হবে তারা বর্তমানে জানেই না যে, নদীতে বালি দস্যু নেমেছে। তাই সচেতন মহলের আবেদন হলো বর্তমান তেঁতুলিয়া ও মেঘনা নদীতে বিদ্যমান বালি দস্যুদের দমনে কার্যকর ব্যবস্থায় নামা। সারা দেশে খুঁজে খুঁজে তাদেরকে দমন করা। তাদের বালি বিক্রির আস্তানাগুলো নির্মূল করা। ভোলা জেলার বালি বিক্রির সাথে জড়িত সকল ব্যবসায়ী, বালি বিক্রেতা ও বালি বিক্রির দালালদেরকে আইনী সাজা দেওয়া। বালি দস্যুরা শুধু বালি দস্যুই নয়। তারা দেশের সমুদ্র সীমা, নৌ-সীমা মুছে দেওয়ার ও ক্ষতিগ্রস্ত করার কারিগর। তারা দেশের মানচিত্র বদলের অদৃশ্য হুমকিও বটে। তাদের এহেন কর্মকান্ডে দেশের পবিত্র জাতীয় সংবিধানের সংবিধি নং- ২ (ক) লংঘিত হয়, এবং দেশের জাতীয় সংবিধানের সংবিধি নং- ২ (খ) পালনে অপ্রস্তুতি তৈরি হয়। এজন্য এই বালি দস্যু এবং বালি ব্যবসার সাথে জড়িত লোকজন দেশের জাতীয় সংবিধানের সংবিধি নং- ২ এর লঙ্ঘনকারী বটে। তাই তারা মৃত্যুদন্ড সাজা পাওয়ার অপরাধ কার্যক্রম করনে ও অপরাধ কার্যক্রম পরিচালনা করনে জড়িত। এজন্য এই সকল অপরাধ কার্যক্রমের লোকজনদেরকে মৃত্যুদন্ড সাজা দেওয়া প্রয়োজন। বিগত আওয়ামী লীগের সরকার‌‌‌ আমলের ফ্যাসিবাদীরা এই সতের বছর যাবত বালি ব্যবসা করতে ও বালি দস্যুতা করতে দেখা গেছে। তার আগে যে যা-ই করেছে চোরাগুপ্তা সুযোগে করেছে। বর্তমানে মসজিদের নামাজের আজান দেওয়ার মত কিংবা হরি বাড়ির ঢোল-সানাই বাদ্য বাজিয়ে এবাদত করার মত জাঁকজমকের সাথে ড্রেজিং করে নদীর তলদেশ উজার করে ফেলে দেশের ভূ্-খন্ডাঞ্চল বিলীন করে দেয়। এহেন রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অবস্থান নিয়েই রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ও অপরাধে দোষী ব্যক্তিদের মত ব্যক্তিদেরকে করতে দেখা যায়। তাই অনতিবিলম্বে এই বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড দমনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অপরাধীদেরকে মৃত্যুদন্ড দেয়া প্রয়োজন। ছবিতে – ভোলা জেলার নদীতে বালি দস্যুদের অসংখ্য ড্রেজারের চলমান ড্রেজিং ও অসংখ্য বালি দস্যুতা।