০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
https://www.facebook.com/obaidul1991
রাফাহ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ ও খাদ্য সামগ্রী পেল ২৮০০টি পরিবার
মোঃ জসীম উদ্দীন
- Update Time : ১২:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
- / ৫১ Time View

বাঁশখালী প্রতিনিধি: টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যায় চট্টগ্রামের উপকূলীয় উপজেলা বাঁশখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়ে দেখা দিয়েছে চরম মানবিক সংকট। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রায় ৬০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। কোথাও একতলা ভবনসমান, আবার কোথাও কোমর থেকে বুকসমান পানি জমে থাকায় অনেক পরিবার রান্নাবান্নাও করতে পারছে না। এ সময় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুর্গত এলাকার মানুষ।
এমন পরিস্থিতিতে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে মানবকল্যাণমূলক সংগঠন রাফাহ ফাউন্ডেশন।
গত ১১ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত (দুইদিন বিরতি দিয়ে) টানা রাফাহ ফাউন্ডেশন স্থানীয় অসহায় মানুষের মাঝে জরুরি শুকনো খাবার, রান্না করা খাবার, বিশুদ্ধ পানি, খাবার স্যালাইন, প্রাথমিক চিকিৎসার ওষুধসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ব্যবস্থা করে। পরবর্তীতে বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকার ২৮০০ টি পরিবারের মাঝে তা বিতরণ করা হয়।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সেচ্ছাসেবীরা দুর্গম এলাকায় নৌকা ও হেঁটে পানিবন্দি পরিবারের কাছে এসব সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
ত্রাণ বিতরণ শেষে ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা বলেন, “নিজেদের চোখে না দেখলে বাঁশখালীর মানুষের দুর্ভোগের ভয়াবহতা উপলব্ধি করা কঠিন। অনেক পরিবার কয়েকদিন ধরে স্বাভাবিকভাবে রান্না করতে পারছে না। এই সংকটময় সময়ে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠন এবং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের উচিত বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো।”
তারা আরও জানান, রাফাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং বাঁশখালীর স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় এ ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে আরও বৃহৎ পরিসরে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা রাফাহ ফাউন্ডেশনের এই উদ্যেগে অত্যন্ত স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং চলমান সংকটে এটি তাদের দারুণ উপকারে আসবে বলে জানিয়েছেন।
রাফাহ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: যারা এই মানবিক সংকটে আমাদের নানাভাবে সাহায্য করেছেন, মাঠে থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন এবং অনুদান দিয়ে বন্যার্তদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন, তাদের প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। মানুষের এই বিপদে রাফাহ ফাউন্ডেশনের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস আগামীতেও অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
Tag :
























