https://www.facebook.com/obaidul1991
সুন্দরগঞ্জসহ গাইবান্ধার ৭ উপজেলার ৬টিতেই সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার নেই চরম ভোগান্তিতে ভূমি মালিকেরা
- Update Time : ০১:০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৯ Time View

শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ দীর্ঘদিন থেকে সুন্দরগঞ্জসহ গাইবান্ধার ৭ উপজেলার
মধ্যে ৬টিতেই সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ভূমি মালিকেরা। এসব
পদ শূন্য থাকায় জেলার ভূমি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম কার্য্যত অচল হয়ে পড়ার পাশাপাশি রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
জানা গেছে, প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা না থাকায় জমির রেকর্ডে ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য মাসের পর
মাস সংশ্লিষ্ট অফিসে ঘুরতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। নতুন খতিয়ান, মৌজা ম্যাপ ও পর্চা উত্তোলন করতে গিয়েও চরম
বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা। আর এ সুযোগ গ্রহণ করে এক শ্রেণির দালাল চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
ফলে সাধারন মানুষকে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। শিকার হইতে হচ্ছে হয়রানীর। এছাড়া জমি সংক্রান্ত বিরোধ
নিস্পত্তি না হওয়ায় আদালতে মামলার জটও বাড়ছে। সার্বিকভাবে সেটেলমেন্ট কার্যক্রম স্থবির থাকায় সরকারও বিপুল
পরিমান রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা দ্রæত শূন্যপদে কর্মকর্তা নিয়োগের দাবী জানিয়েছেন। তারা বলেন, ৭ উপজেলার মধ্যে
৬টিতেই যদি অফিসার না থাকে, তাহলে আমরা যাবো কোথায়? এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি
আকর্ষণ করেছেন সচেতন মহল।
এ ব্যাপারে রংপুর জোনাল অফিসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ বাইতুল কবির
সরকার এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, এ জোনের অধিনে ৩৫টি উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট
অফিসারের মধ্যে পদ শূন্য রয়েছে ৩৩টি। দায়িত্বে রয়েছেন শুধুমাত্র গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ ও জোনাল অফিসে ১ জন
করে। এ দুইজন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার দিয়েই ৩৩টি উপজেলায় পালাক্রমে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে
সাধারণ মানুষের কতটা প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হচ্ছে তা আপনারাই ভেবে দেখুন? শূন্যপদ গুলোতে কর্মকর্তা
পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে। আশা করি অতি অল্প সময়ের মধ্যে শূন্যপদগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।
দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের এডহক কমিটি গঠন বিষয়ে চিঠি নিয়ে
সুন্দরগঞ্জে ব্যাপক সমালোচনার ঝড়
শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ এডহক কমিটি গঠন বিষয়ে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের
ইস্যুকৃত চিঠি নিয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বত্রই আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
জানা গেছে, উপজেলার শিবরাম আলহাজ¦ মোহাম্মদ হোসেন স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজে এডহক কমিটি
গঠনের অনুমতি দিয়ে একটি চিঠি ইস্যু করার ১৬ দিন আগেই সেই চিঠি প্রত্যাহারের আরেকটি চিঠি ইস্যু
করা হয়েছে। বোর্ডের এমন অদ্ভুত কান্ডে শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটিতে গর্ভনিং বডি গঠনের লক্ষ্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবিধানমালা ২০২৪ এর ৬৪ ধারা
মোতাবেক কলেজ পরির্দশক প্রফেসর মোঃ আমিনুল হক স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ইস্যু করা হয়। যার স্মারক নং-
০৪/কল/রং/৪৫১/৮৭৫৬(৬) এবং তারিখ- ২০/০৯/২০২৬ইং। ঐ চিঠিতে এডহক কমিটি গঠনের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু
একই কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত আর একটি চিঠিতে ঐ আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। যার স্মারক নং-
০৪/কল/রং/৪৫১/৮৭৮৩(২) এবং তারিখ- ০৪/০৯/২০২৬ইং। এতে ১৬দিন আগে ৪ তারিখে প্রত্যাহার দেখানো হয়েছে, যা
প্রশাসনিক ভাবে কোনভাবেই সম্ভব নয়। এদিকে দু’টি চিঠিতেই স্বাক্ষরকারীর পদবীতেও গড়মিল লক্ষ্য করা গেছে।
একটি চিঠিতে কলেজ পরিদর্শক এবং অন্যটিতে কলেজ পরিদর্শক অতিরিক্ত দায়িত্ব লেখা রয়েছে
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিত বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন নিয়ে একাধিক
মামলা বা অভিযোগ রয়েছে। এমন একটি স্পর্শকাতর সময়ে এডহক কমিটি গঠনের অনুমতি দিয়ে আবার তা
ভৌতিকভাবে ১৬ দিন আগের তারিখে প্রত্যাহার দেখানো পেছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে কিনা তা নিয়ে জনমনে
নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে হেনস্থা করতে এবং একটি বিশেষ মহলকে সুবিধা দিতে
ভেতর থেকে কোন যোগসাজসে এই অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটানো হয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখার দাবী উঠেছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
——শাহ মোঃ রেদওয়ানুর রহমান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ,গাইবান্ধা


























