০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
১৭৪১ সালে মহতি মির্যা আগা মুহম্মদ বাকের শ্রীমন্ত নদীর তীরে বাকেরগঞ্জ বন্দর ও প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেন। ১৭৯৭ সালে তৎকালীন ভারতের গভর্নর জেনারেল স্যার জন শোর আনুষ্ঠানিকভাবে বাকেরগঞ্জকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন। দীর্ঘ প্রায় দুই শতাব্দী ধরে (১৭৯৭-১৯৯৩) বাকেরগঞ্জ একটি স্বীকৃত প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল।তারা আরও উল্লেখ করেন, ১৮০১ সালের ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হওয়ায় জেলা সদর বর্তমান বরিশালে স্থানান্তর করা হলেও বাকেরগঞ্জ জেলার নাম ও মর্যাদা বহাল ছিল।

ঐতিহ্যের দাবি: বাকেরগঞ্জ জেলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • Update Time : ০৩:৪৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৪২ Time View
দক্ষিণ বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গর্ব- বাকেরগঞ্জ জেলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯:৩০ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচির আয়োজন করে “বাকেরগঞ্জ জেলা পুনরুদ্ধার কমিটি”, সার্বিক সহযোগিতায় ছিল সামাজিক সংগঠন “গর্বের বাকেরগঞ্জ”।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন মোহন এবং সঞ্চালনা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরোজ হাওলাদার।
বক্তারা বলেন, ১৭৪১ সালে মহতি মির্যা আগা মুহম্মদ বাকের শ্রীমন্ত নদীর তীরে বাকেরগঞ্জ বন্দর ও প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৭৯৭ সালে তৎকালীন ভারতের গভর্নর জেনারেল স্যার জন শোর আনুষ্ঠানিকভাবে বাকেরগঞ্জকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন। দীর্ঘ প্রায় দুই শতাব্দী ধরে (১৭৯৭-১৯৯৩) বাকেরগঞ্জ একটি স্বীকৃত প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল।
তারা আরও উল্লেখ করেন, ১৮০১ সালের ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হওয়ায় জেলা সদর বর্তমান বরিশালে স্থানান্তর করা হলেও বাকেরগঞ্জ জেলার নাম ও মর্যাদা বহাল ছিল।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি একটি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বাকেরগঞ্জ জেলার নাম বিলুপ্ত করা হয় এবং এটিকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়। তারা দাবি করেন, সরকারি বিধি অনুযায়ী নিকার কমিটির অনুমোদন ছাড়াই এই পরিবর্তন করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কোনো প্রজ্ঞাপনও প্রকাশ করা হয়নি, যা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ।
মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- বাকেরগঞ্জ কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক খান, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন খান দুলাল, গর্বের বাকেরগঞ্জের জ্যৈষ্ঠ সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল আরেফিন, জ্যৈষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, সম্পাদক প্রকৌশলী গোলাম কাওসার, নুরুল ইসলাম সাকিব, মোঃ রবিউল ইসলাম, মানিক সিকদার জয়, সহ সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম, ইমরান হোসেন কামাল, প্রকৌশলী মাসুদ খান, কার্যকরী সদস্য বিক্রম চন্দ্র, মোঃ সোহেল রানা, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ জলিলুর রহমান, মিরাজ সিকদার, মোঃ হুমায়ুন হাওলাদার, গাজীপুর জেলা শাখার সম্পাদক ইমরান হোসেন এবং উপজেলা শাখার সমন্বয়ক মোঃ আফজাল হোসেন গাজীসহ অনেকে।
মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুত বাকেরগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক স্বীকৃতি পুনর্বহালের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
(প্রেস বিজ্ঞপ্তি )
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

১৭৪১ সালে মহতি মির্যা আগা মুহম্মদ বাকের শ্রীমন্ত নদীর তীরে বাকেরগঞ্জ বন্দর ও প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেন। ১৭৯৭ সালে তৎকালীন ভারতের গভর্নর জেনারেল স্যার জন শোর আনুষ্ঠানিকভাবে বাকেরগঞ্জকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন। দীর্ঘ প্রায় দুই শতাব্দী ধরে (১৭৯৭-১৯৯৩) বাকেরগঞ্জ একটি স্বীকৃত প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল।তারা আরও উল্লেখ করেন, ১৮০১ সালের ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হওয়ায় জেলা সদর বর্তমান বরিশালে স্থানান্তর করা হলেও বাকেরগঞ্জ জেলার নাম ও মর্যাদা বহাল ছিল।

ঐতিহ্যের দাবি: বাকেরগঞ্জ জেলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন

Update Time : ০৩:৪৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
দক্ষিণ বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গর্ব- বাকেরগঞ্জ জেলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯:৩০ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচির আয়োজন করে “বাকেরগঞ্জ জেলা পুনরুদ্ধার কমিটি”, সার্বিক সহযোগিতায় ছিল সামাজিক সংগঠন “গর্বের বাকেরগঞ্জ”।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন মোহন এবং সঞ্চালনা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরোজ হাওলাদার।
বক্তারা বলেন, ১৭৪১ সালে মহতি মির্যা আগা মুহম্মদ বাকের শ্রীমন্ত নদীর তীরে বাকেরগঞ্জ বন্দর ও প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৭৯৭ সালে তৎকালীন ভারতের গভর্নর জেনারেল স্যার জন শোর আনুষ্ঠানিকভাবে বাকেরগঞ্জকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন। দীর্ঘ প্রায় দুই শতাব্দী ধরে (১৭৯৭-১৯৯৩) বাকেরগঞ্জ একটি স্বীকৃত প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল।
তারা আরও উল্লেখ করেন, ১৮০১ সালের ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হওয়ায় জেলা সদর বর্তমান বরিশালে স্থানান্তর করা হলেও বাকেরগঞ্জ জেলার নাম ও মর্যাদা বহাল ছিল।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি একটি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বাকেরগঞ্জ জেলার নাম বিলুপ্ত করা হয় এবং এটিকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়। তারা দাবি করেন, সরকারি বিধি অনুযায়ী নিকার কমিটির অনুমোদন ছাড়াই এই পরিবর্তন করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কোনো প্রজ্ঞাপনও প্রকাশ করা হয়নি, যা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ।
মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- বাকেরগঞ্জ কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক খান, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন খান দুলাল, গর্বের বাকেরগঞ্জের জ্যৈষ্ঠ সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল আরেফিন, জ্যৈষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, সম্পাদক প্রকৌশলী গোলাম কাওসার, নুরুল ইসলাম সাকিব, মোঃ রবিউল ইসলাম, মানিক সিকদার জয়, সহ সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম, ইমরান হোসেন কামাল, প্রকৌশলী মাসুদ খান, কার্যকরী সদস্য বিক্রম চন্দ্র, মোঃ সোহেল রানা, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ জলিলুর রহমান, মিরাজ সিকদার, মোঃ হুমায়ুন হাওলাদার, গাজীপুর জেলা শাখার সম্পাদক ইমরান হোসেন এবং উপজেলা শাখার সমন্বয়ক মোঃ আফজাল হোসেন গাজীসহ অনেকে।
মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুত বাকেরগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক স্বীকৃতি পুনর্বহালের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
(প্রেস বিজ্ঞপ্তি )