০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে কুর’আন শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • / ২৬ Time View

বাংলাদেশের  সরকার

নামাজ রোজার ন্যায় প্রতিটি মুসলিমের উপর ফরজ হলো কুর’আন বুঝার সামর্থ্য অর্জন এবং কুর’আন থেকে জ্ঞানার্জন। বুঝতে হবে, ৫ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হয়েছে নবীজী (সা:) মিরাজ থেকে ফেরার পর, সেটি তাঁর নবুয়ত প্রাপ্তির ১১ বছর পর। ৫ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার আগে পবিত্র কুর’আন বুঝা এবং কুর’আন থেকে জ্ঞান করাই ছিল মূল ইবাদত। সাহাবাগণ রাতের অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশ ভাগ কুর’আন শিক্ষার ইবাদতে কাটিয়ে দিতেন। সেরূপ কুর’আন পাঠের নির্দেশ এসেছে সুরা মুজাম্মিলে। অথচ পরিতাপের বিষয় হলো, সে কুর’আন শিক্ষার কাজটি বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশে হচ্ছে না। এ নিয়ে সরকারে মাথা ব্যথা নাই, মাথা ব্যাথা নাই জনগণেরও। ফলে অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে, প্রতি ১০ হাজার মুসলিমের মাঝে একজনও পাওয়া যাবে না যে পবিত্র কুর’আনের বাণীগুলি সরাসরি বুঝে। কুর’আনই হলো মানব জাতির জন্য মহান আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ দান। অর্থ সম্পদ মানুষকে মুসলিম বানায় না, কিন্তু কেউ মুসলিম হতে পারে না কুর’আনের জ্ঞান ছাড়া। অথচ মহান রব’য়ের দেয়া সে কিতাবের সাথে হচ্ছে চরম অবহেলা।  কুর’আন থেকে জ্ঞান অর্জন না করলে জ্ঞানার্জনের ফরজই আদায় হয় না।‌ কুরআনের জ্ঞানে অজ্ঞ থাকাই মহাপাপ। অজ্ঞতার এ পাপ অসম্ভব করে সত্যিকার মুসলিম হওয়া। অথচ সে অজ্ঞতা মোচনের কাজটি বাংলাদেশে হচ্ছে না।

প্রাথমিক যুগের মুসলিমদের সাফল্যের মূল কারণ, তাঁরা মহান রব’য়ের দেয়া সাফল্যের রোডম্যাপ পবিত্র কুর’আনকে পদে পদে অনুসরণ করেছিলেন। রোডম্যাপ চুমু খাওয়ার বই নয়, না বুঝে তেলাওয়াতের বইও নয়। সেটি বুঝতে হয় এবং পুরোপুরি অনুসরণ করতে হয়। অথচ বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশে সে কাজটিই হচ্ছে না। অথচ কুর’আন বুঝার তাগিদে সিরিয়া, ইরাক, মিশর, সুদান আলজেরিয়া, লিবিয়া, তিউনিসিয়া, মৌরিতানিয়া ও মরক্কোর মানুষ তাদের মাতৃভাষা বর্জন করে কুরআনের ভাষাকে গ্রহণ করেছিল। গড়ে উঠেছিল ঐক্যবদ্ধ মুসলিম উম্মাহ। বাংলাদেশ হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে লক্ষাধিক স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠা দেয়া হয়েছে কিন্তু সেগুলির মাধ্যমে কুর’আন শিক্ষার ফরজ আদায় হচ্ছে না। সরকারের এটি গুরুতর অপরাধ। অথচ একটি মুসলিম দেশের সরকারের  জন্য কুর’আন শিক্ষার চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ অন্য কিছু হতে পারে না। অনাহারে মারা যাওয়াতে কেউ জাহান্নামে যাবে না; কিন্তু অবশ্যই জাহান্নামে যাবে কুরআনী জ্ঞানের অজ্ঞতায়। তাই কোন শিশুকে অনাহারে রাখা যেমন গুরুতর অপরাধ, তেমনি গুরুতর অপরাধ হলো কুর’আনের জ্ঞানে শিশুদের অজ্ঞ রাখা। অথচ সে অপরাধের সাথে জড়িত বাংলাদেশে সরকার।

 

বাধ্যতামূলক করতে হবে কুর‌’আন শিক্ষা: শুরু হোক তীব্র আন্দোলন

ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বিজ্ঞানী না হওয়াতে কেউ জাহান্নামে যাবে না। কিন্তু মুসলিম হতে ব্যর্থ হলে অবশ্যই জাহান্নামে যেতে হবে। আর মুসলিম হওয়ার জন্য জরুরি হলো কুর’আনের জ্ঞান। সে কুর’আনী জ্ঞান চেতনার ভূমি থেকে জাহিলিয়াত দূর করে এবং জান্নাতের পথ দেখায়। সূদখোর, ঘুষখোর, প্রতারকও নামাজী রোজাদার হতে পারে। কিন্তু সে মুসলিম হতে ব্যর্থ হয় কুর’আনী জ্ঞানের অভাবে। ফলে সে দুর্বৃত্ত হয়। সরকারের দায়িত্ব হলো প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর জন্য কুরআনের জ্ঞানদানের ব্যবস্থা করা। সে কাজ না করলে সরকার গুনাহগার হবে। এবং সে ব্যর্থতার জন্য গুনাহগার হবে দেশবাসীও।

বুঝতে হবে, দেশবাসীর দায়িত্ব শুধু গৃহ নির্মাণ, খাদ্য উৎপাদন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনা নয়, বরং সন্তানদের জন্য কুর’আন শিক্ষার ব্যবস্থা করা। নতুন প্রজন্মের জন্য এটিই সবচেয়ে বড় দান।  জনগণের অর্থে ছাত্র-ছাত্রীদের নাচ-গান শেখানো হবে অথচ দেয়া হবে না কুর’আন শিক্ষা -সেটি বাংলাদেশের মত দেশে হতে পাবে না। তাতে কোন সওয়াব নাই, বরং পাপের অঙ্ক বাড়াবে। পাপী সরকার এভাবে জনগণকে পাপী বানাতে চায়। এটি শুধু মহান আল্লাহ তায়ালার সাথে গাদ্দারী নয়, গাদ্দারি জনগণের সাথেও। এটি হলো মুসলিম সন্তানদের ইসলাম থেকে দূরে রাখার শয়তানী ষড়যন্ত্র। শিক্ষাঙ্গণে এ ষড়যন্ত্রের শুরু উপনিবেশিক ব্রিটিশ কাফের শাসকদের পক্ষ থেকে। পরিতাপের বিষয় হলো, বাংলাদেশের সেকুলার সরকার ব্রিটিশ আমলের সে দুষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থাকেই বহাল রেখেছে। জনগণের দায় এ সেকুলার শিক্ষা ব্যবস্থার নির্মূল। চালু করতে হবে এমন শিক্ষা ব্যবস্থা যা ছাত্র ছাত্রীদের জান্নতের পথ দেখায় এবং সে পথে চলতে সাহায্য জোগায়।

তাই জরুরি হলো, বাংলাদেশের প্রতিটি প্রাইমারি ও মাধ্যমিক স্কুলে আরবি শিক্ষা ও কুর’আন শিক্ষার ব্যবস্থা করা। সেটি প্রতিটি মুসলিম ছাত্র ছাত্রীর উপর বাধ্যতামূলক হতে হবে। প্রতিটি স্কুলে নিয়োগ দিতে হবে কুর’আন শিক্ষকের। ‌ দেশে মাদ্রাসা শিক্ষিত যুবকদের অভাব নেই; সে কাজে তাদের সত্বর নিয়োগ দেয়া হোক। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, সরকার সে ফরজ বিষয়ের দিকে নজর না দিয়ে প্রাইমারি স্কুলগুলিতে নাচ গান শেখানোর জন্য শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। এটি ইসলামে বিরুদ্ধে যুদ্ধ। সেক্যুলার বিএনপি সরকার ইসলামের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধে শিক্ষাব্যবস্থাকে হাতিয়ার রূপে ব্যবহার করতে চায়। ইসলামের বিরুদ্ধে এমন যুদ্ধ এমন কি কাফির ব্রিটিশগণও করেনি। এমন যুদ্ধের শুরু হিন্দুত্ববাদের সেবক হাসিনা সরকারের আমলে। তারিক জিয়ার সরকারের সে শয়তানী প্রকল্পকেই শক্তিশালী করেছে। এ শয়তানী প্রকল্পের বিরুদ্ধে এখনই প্রতিরোধের সময়। সত্বর গড়ে তুলতে হবে তীব্র গণআন্দোলন। ইসলামের শত্রু পক্ষের এ যুদ্ধের মুখে কোন ঈমানদতার কি নীরব ও নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে?

————ফিরোজ মাহবুব কামাল

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে কুর’আন শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে

Update Time : ০৪:১৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের  সরকার

নামাজ রোজার ন্যায় প্রতিটি মুসলিমের উপর ফরজ হলো কুর’আন বুঝার সামর্থ্য অর্জন এবং কুর’আন থেকে জ্ঞানার্জন। বুঝতে হবে, ৫ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হয়েছে নবীজী (সা:) মিরাজ থেকে ফেরার পর, সেটি তাঁর নবুয়ত প্রাপ্তির ১১ বছর পর। ৫ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার আগে পবিত্র কুর’আন বুঝা এবং কুর’আন থেকে জ্ঞান করাই ছিল মূল ইবাদত। সাহাবাগণ রাতের অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশ ভাগ কুর’আন শিক্ষার ইবাদতে কাটিয়ে দিতেন। সেরূপ কুর’আন পাঠের নির্দেশ এসেছে সুরা মুজাম্মিলে। অথচ পরিতাপের বিষয় হলো, সে কুর’আন শিক্ষার কাজটি বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশে হচ্ছে না। এ নিয়ে সরকারে মাথা ব্যথা নাই, মাথা ব্যাথা নাই জনগণেরও। ফলে অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে, প্রতি ১০ হাজার মুসলিমের মাঝে একজনও পাওয়া যাবে না যে পবিত্র কুর’আনের বাণীগুলি সরাসরি বুঝে। কুর’আনই হলো মানব জাতির জন্য মহান আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ দান। অর্থ সম্পদ মানুষকে মুসলিম বানায় না, কিন্তু কেউ মুসলিম হতে পারে না কুর’আনের জ্ঞান ছাড়া। অথচ মহান রব’য়ের দেয়া সে কিতাবের সাথে হচ্ছে চরম অবহেলা।  কুর’আন থেকে জ্ঞান অর্জন না করলে জ্ঞানার্জনের ফরজই আদায় হয় না।‌ কুরআনের জ্ঞানে অজ্ঞ থাকাই মহাপাপ। অজ্ঞতার এ পাপ অসম্ভব করে সত্যিকার মুসলিম হওয়া। অথচ সে অজ্ঞতা মোচনের কাজটি বাংলাদেশে হচ্ছে না।

প্রাথমিক যুগের মুসলিমদের সাফল্যের মূল কারণ, তাঁরা মহান রব’য়ের দেয়া সাফল্যের রোডম্যাপ পবিত্র কুর’আনকে পদে পদে অনুসরণ করেছিলেন। রোডম্যাপ চুমু খাওয়ার বই নয়, না বুঝে তেলাওয়াতের বইও নয়। সেটি বুঝতে হয় এবং পুরোপুরি অনুসরণ করতে হয়। অথচ বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশে সে কাজটিই হচ্ছে না। অথচ কুর’আন বুঝার তাগিদে সিরিয়া, ইরাক, মিশর, সুদান আলজেরিয়া, লিবিয়া, তিউনিসিয়া, মৌরিতানিয়া ও মরক্কোর মানুষ তাদের মাতৃভাষা বর্জন করে কুরআনের ভাষাকে গ্রহণ করেছিল। গড়ে উঠেছিল ঐক্যবদ্ধ মুসলিম উম্মাহ। বাংলাদেশ হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে লক্ষাধিক স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠা দেয়া হয়েছে কিন্তু সেগুলির মাধ্যমে কুর’আন শিক্ষার ফরজ আদায় হচ্ছে না। সরকারের এটি গুরুতর অপরাধ। অথচ একটি মুসলিম দেশের সরকারের  জন্য কুর’আন শিক্ষার চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ অন্য কিছু হতে পারে না। অনাহারে মারা যাওয়াতে কেউ জাহান্নামে যাবে না; কিন্তু অবশ্যই জাহান্নামে যাবে কুরআনী জ্ঞানের অজ্ঞতায়। তাই কোন শিশুকে অনাহারে রাখা যেমন গুরুতর অপরাধ, তেমনি গুরুতর অপরাধ হলো কুর’আনের জ্ঞানে শিশুদের অজ্ঞ রাখা। অথচ সে অপরাধের সাথে জড়িত বাংলাদেশে সরকার।

 

বাধ্যতামূলক করতে হবে কুর‌’আন শিক্ষা: শুরু হোক তীব্র আন্দোলন

ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বিজ্ঞানী না হওয়াতে কেউ জাহান্নামে যাবে না। কিন্তু মুসলিম হতে ব্যর্থ হলে অবশ্যই জাহান্নামে যেতে হবে। আর মুসলিম হওয়ার জন্য জরুরি হলো কুর’আনের জ্ঞান। সে কুর’আনী জ্ঞান চেতনার ভূমি থেকে জাহিলিয়াত দূর করে এবং জান্নাতের পথ দেখায়। সূদখোর, ঘুষখোর, প্রতারকও নামাজী রোজাদার হতে পারে। কিন্তু সে মুসলিম হতে ব্যর্থ হয় কুর’আনী জ্ঞানের অভাবে। ফলে সে দুর্বৃত্ত হয়। সরকারের দায়িত্ব হলো প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর জন্য কুরআনের জ্ঞানদানের ব্যবস্থা করা। সে কাজ না করলে সরকার গুনাহগার হবে। এবং সে ব্যর্থতার জন্য গুনাহগার হবে দেশবাসীও।

বুঝতে হবে, দেশবাসীর দায়িত্ব শুধু গৃহ নির্মাণ, খাদ্য উৎপাদন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনা নয়, বরং সন্তানদের জন্য কুর’আন শিক্ষার ব্যবস্থা করা। নতুন প্রজন্মের জন্য এটিই সবচেয়ে বড় দান।  জনগণের অর্থে ছাত্র-ছাত্রীদের নাচ-গান শেখানো হবে অথচ দেয়া হবে না কুর’আন শিক্ষা -সেটি বাংলাদেশের মত দেশে হতে পাবে না। তাতে কোন সওয়াব নাই, বরং পাপের অঙ্ক বাড়াবে। পাপী সরকার এভাবে জনগণকে পাপী বানাতে চায়। এটি শুধু মহান আল্লাহ তায়ালার সাথে গাদ্দারী নয়, গাদ্দারি জনগণের সাথেও। এটি হলো মুসলিম সন্তানদের ইসলাম থেকে দূরে রাখার শয়তানী ষড়যন্ত্র। শিক্ষাঙ্গণে এ ষড়যন্ত্রের শুরু উপনিবেশিক ব্রিটিশ কাফের শাসকদের পক্ষ থেকে। পরিতাপের বিষয় হলো, বাংলাদেশের সেকুলার সরকার ব্রিটিশ আমলের সে দুষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থাকেই বহাল রেখেছে। জনগণের দায় এ সেকুলার শিক্ষা ব্যবস্থার নির্মূল। চালু করতে হবে এমন শিক্ষা ব্যবস্থা যা ছাত্র ছাত্রীদের জান্নতের পথ দেখায় এবং সে পথে চলতে সাহায্য জোগায়।

তাই জরুরি হলো, বাংলাদেশের প্রতিটি প্রাইমারি ও মাধ্যমিক স্কুলে আরবি শিক্ষা ও কুর’আন শিক্ষার ব্যবস্থা করা। সেটি প্রতিটি মুসলিম ছাত্র ছাত্রীর উপর বাধ্যতামূলক হতে হবে। প্রতিটি স্কুলে নিয়োগ দিতে হবে কুর’আন শিক্ষকের। ‌ দেশে মাদ্রাসা শিক্ষিত যুবকদের অভাব নেই; সে কাজে তাদের সত্বর নিয়োগ দেয়া হোক। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, সরকার সে ফরজ বিষয়ের দিকে নজর না দিয়ে প্রাইমারি স্কুলগুলিতে নাচ গান শেখানোর জন্য শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। এটি ইসলামে বিরুদ্ধে যুদ্ধ। সেক্যুলার বিএনপি সরকার ইসলামের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধে শিক্ষাব্যবস্থাকে হাতিয়ার রূপে ব্যবহার করতে চায়। ইসলামের বিরুদ্ধে এমন যুদ্ধ এমন কি কাফির ব্রিটিশগণও করেনি। এমন যুদ্ধের শুরু হিন্দুত্ববাদের সেবক হাসিনা সরকারের আমলে। তারিক জিয়ার সরকারের সে শয়তানী প্রকল্পকেই শক্তিশালী করেছে। এ শয়তানী প্রকল্পের বিরুদ্ধে এখনই প্রতিরোধের সময়। সত্বর গড়ে তুলতে হবে তীব্র গণআন্দোলন। ইসলামের শত্রু পক্ষের এ যুদ্ধের মুখে কোন ঈমানদতার কি নীরব ও নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে?

————ফিরোজ মাহবুব কামাল