০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

সনাতনীদের জন্য পৃথক প্রদেশ এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে উস্কানীমুলক বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহীতার শামিল — ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  • Update Time : ০৫:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / ২৭ Time View


অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তীর ‘বক্তব্য’ ‘বিদেশিদের সহায়তা নিয়ে আলাদা প্রদেশ গঠন করবো’ এধরনের রাষ্ট্রদ্রোহী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি বলেন, বিদেশি সহায়তার মত এমন কিছু আপত্তিকর শব্দ এবং ফ্রেমিং উঠে এসেছে যা মোটেই কোনো আইনি বা সামাজিক দাবির ভাষা নয়, বরং ভূরাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ক্লাসিক ব্লুপ্রিন্ট। এতে গভীর ষড়যন্ত্রের আভাস মিলে। চৈতালি চক্রবর্তীর বক্তব্য দেশদ্রোহীতার শামিল। তাকে অবিলম্বে গ্রেফতার এবং তার আইনজীবী সনদ বাতি করতে হবে।
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু নাগরিকরা মায়ের পেটে যেমন শিশুরা নিরাপদ তেমনই নিরাপদে আছে, যা হিন্দু রাষ্ট্র ভারতেও নাই। কিন্তু সনাতনী উগ্রবাদী হিন্দুরা হঠাৎ করে সারাদেশে যেভাবে বাংলাদেশের মুসলমানদের আঘাত করে বক্তব্য ও হুমকি দিচ্ছে তা স্বাভাবিক ভাববার সুযোগ নেই। স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ভারতীয় গভীর ষড়যন্ত্র  হচ্ছে কিনা তা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে।

                                                                              https://www.facebook.com/BangladeshNezameislamparty

শনিবার (২০ জুন ‘২৬) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গাইবান্ধায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেবতা শ্রী রামচন্দ্রের ছবি বা প্রতিমার কথিত অবমাননাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশজুড়ে পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছড়িয়ে দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। ভারতের চরমপন্থী হিন্দুত্ববাদীদের বহুল বিতর্কিত ও রাজনৈতিক স্লোগান ‘জয় শ্রী রাম’ ব্যবহারের ঘটনায় তীব্র বিতর্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত ও ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ইন্ধন এবং গভীর ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের আভাস কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে।
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম আরও বলেন, ভারতে ‘জয় শ্রী রাম’, স্লোগান দিয়ে মুসলমানদের নিমর্মভাবে হত্যা করছে এবং মসুলমানদের বাড়ী-ঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে। সেই উগ্রবাদী এবং ভারতে মুসলিম নিপীড়নের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দিয়ে তারা বাংলাদেশে নতুন করে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাধানোর ষড়যন্ত্র করছে। অপরদিকে সনাতনী আইনজীবী বাংলাদেশে সনাতনীদের জন্য আলাদা প্রদেশ দাবি করে বক্তব্য দিয়ে দেশবিরোধী চক্রান্তে মেতে উঠেছে। এধরণের বক্তব্য একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশে চলতে পারে না। তাকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। বাংলাদেশের মতো একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে প্রকাশ্য রাজপথে এই উগ্র রাজনৈতিক স্লোগানের অনুপ্রবেশকে সাধারণ মানুষ সহজভাবে নিতে পারছেন না।

মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, গত এক দশকে ভারতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই স্লোগানটি ধর্মীয় গণ্ডি পুরোপুরি পেরিয়ে এক ধরনের আগ্রাসী ও উগ্র হিন্দুত্ববাদী জাতীয়তাবাদের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বর্তমান ভারতে এটি মূলত সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলিম নিধন, গণপিটুনি এবং ভয় দেখানোর প্রধান হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে। বর্তমান সরকারকে উগ্রবাদী হিন্দু ও ভারতীয় চক্রান্তের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

(বিজ্ঞপ্তি)

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

সনাতনীদের জন্য পৃথক প্রদেশ এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে উস্কানীমুলক বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহীতার শামিল — ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ

Update Time : ০৫:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তীর ‘বক্তব্য’ ‘বিদেশিদের সহায়তা নিয়ে আলাদা প্রদেশ গঠন করবো’ এধরনের রাষ্ট্রদ্রোহী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি বলেন, বিদেশি সহায়তার মত এমন কিছু আপত্তিকর শব্দ এবং ফ্রেমিং উঠে এসেছে যা মোটেই কোনো আইনি বা সামাজিক দাবির ভাষা নয়, বরং ভূরাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ক্লাসিক ব্লুপ্রিন্ট। এতে গভীর ষড়যন্ত্রের আভাস মিলে। চৈতালি চক্রবর্তীর বক্তব্য দেশদ্রোহীতার শামিল। তাকে অবিলম্বে গ্রেফতার এবং তার আইনজীবী সনদ বাতি করতে হবে।
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু নাগরিকরা মায়ের পেটে যেমন শিশুরা নিরাপদ তেমনই নিরাপদে আছে, যা হিন্দু রাষ্ট্র ভারতেও নাই। কিন্তু সনাতনী উগ্রবাদী হিন্দুরা হঠাৎ করে সারাদেশে যেভাবে বাংলাদেশের মুসলমানদের আঘাত করে বক্তব্য ও হুমকি দিচ্ছে তা স্বাভাবিক ভাববার সুযোগ নেই। স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ভারতীয় গভীর ষড়যন্ত্র  হচ্ছে কিনা তা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে।

                                                                              https://www.facebook.com/BangladeshNezameislamparty

শনিবার (২০ জুন ‘২৬) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গাইবান্ধায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেবতা শ্রী রামচন্দ্রের ছবি বা প্রতিমার কথিত অবমাননাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশজুড়ে পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছড়িয়ে দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। ভারতের চরমপন্থী হিন্দুত্ববাদীদের বহুল বিতর্কিত ও রাজনৈতিক স্লোগান ‘জয় শ্রী রাম’ ব্যবহারের ঘটনায় তীব্র বিতর্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত ও ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ইন্ধন এবং গভীর ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের আভাস কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে।
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম আরও বলেন, ভারতে ‘জয় শ্রী রাম’, স্লোগান দিয়ে মুসলমানদের নিমর্মভাবে হত্যা করছে এবং মসুলমানদের বাড়ী-ঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে। সেই উগ্রবাদী এবং ভারতে মুসলিম নিপীড়নের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দিয়ে তারা বাংলাদেশে নতুন করে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাধানোর ষড়যন্ত্র করছে। অপরদিকে সনাতনী আইনজীবী বাংলাদেশে সনাতনীদের জন্য আলাদা প্রদেশ দাবি করে বক্তব্য দিয়ে দেশবিরোধী চক্রান্তে মেতে উঠেছে। এধরণের বক্তব্য একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশে চলতে পারে না। তাকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। বাংলাদেশের মতো একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে প্রকাশ্য রাজপথে এই উগ্র রাজনৈতিক স্লোগানের অনুপ্রবেশকে সাধারণ মানুষ সহজভাবে নিতে পারছেন না।

মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, গত এক দশকে ভারতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই স্লোগানটি ধর্মীয় গণ্ডি পুরোপুরি পেরিয়ে এক ধরনের আগ্রাসী ও উগ্র হিন্দুত্ববাদী জাতীয়তাবাদের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বর্তমান ভারতে এটি মূলত সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলিম নিধন, গণপিটুনি এবং ভয় দেখানোর প্রধান হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে। বর্তমান সরকারকে উগ্রবাদী হিন্দু ও ভারতীয় চক্রান্তের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

(বিজ্ঞপ্তি)