https://www.facebook.com/obaidul1991
মোহনপুরের ধুরসা বাজারে ২২ দিন ধরে অবৈধ সুতি জালে অবাধে মাছ নিধন: ‘অজ্ঞাত’ প্রশাসন, নেপথ্যে রাজ্জাক-সাজ্জাদ দুই ভাই
- Update Time : ১২:২৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
- / ৩৯ Time View

মোঃ নাসিরউদ্দিন, সটাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ধুরসা বাজার সংলগ্ন জলাশয়ে গত ২২ দিন ধরে অবাধে অবৈধ সুতি জাল বসিয়ে দেশীয় প্রজাতিসহ বিভিন্ন ছোট-বড় মাছ নিধন করা হচ্ছে। মৎস্য আইন উপেক্ষা করে প্রকাশ্যে দীর্ঘ দিন ধরে এই অপকর্ম চললেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন কিংবা মৎস্য বিভাগ। প্রশাসনের এই ভূমিকা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মৎস্যজীবীরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুরসা বাজার এলাকায় অবৈধ এই সুতি জাল বসিয়ে মাছ শিকারের মূল নেপথ্যে রয়েছেন স্থানীয় রাজ্জাক ও সাজ্জাদ নামের দুই ভাই। প্রজনন মৌসুমে সুতি জাল ব্যবহার করায় দেশীয় প্রজাতির রুই, কাতলা, মৃগেল থেকে শুরু করে ছোট ছোট পোনা মাছ ও ডিমওয়ালা মা মাছ নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে। এতে করে ওই অঞ্চলের প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ চরম হুমকির মুখে পড়েছে। দীর্ঘ তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে প্রকাশ্যে সুতি জাল দিয়ে মাছ ধরা হলেও স্থানীয় প্রশাসন কিংবা উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত দুই ভাই রাজ্জাক ও সাজ্জাদের সঙ্গে কথা বলা হলে তারা প্রকাশ্যেই জানান, সুতি জাল দেওয়ার বিষয়ে মৎস্য কর্মকর্তা বা স্থানীয় প্রশাসন কিছুই জানেন না। প্রশাসনের অজান্তে বা নীরবতায় এভাবে দিনের পর দিন সুতি জাল চালু থাকা নিয়ে নানামুখী প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সুতি জাল দিয়ে পানিপ্রবাহ আটকে মাছ শিকারের ফলে শুধু মৎস্যসম্পদেরই ক্ষতি হচ্ছে না, বরং জলাশয়ের স্বাভাবিক বাস্তুসংস্থান ও পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অবৈধ সুতি জাল উচ্ছেদ না করা হলে ওই এলাকার দেশীয় প্রজাতির মাছ একবারে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ জেলেরা অবিলম্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। অতি দ্রুত মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করে অবৈধ সুতি জাল উচ্ছেদ এবং অভিযুক্ত রাজ্জাক ও সাজ্জাদ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।





























