০২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

নাচোলে ৫৬২০  ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

মো: নজরুল ইসলাম
  • Update Time : ০৪:৪৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৭ Time View
সরকার
​নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৫ হাজার ৬২০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উচ্চফলনশীল বীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া । ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ, তিল, পাট ও আউশ ধানের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
​বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলা চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে উন্নত জাতের বীজ এবং ডিএপি  ও এমওপি  সার  তুলে দেওয়া হয়। কৃষি অফিসের তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন ফসল ভেদে বিতরণের মাত্রা ছিল, ​আউশ ধান কৃষক প্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার। ​পাট ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার। ​মুগ ডাল ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার। ​তিল ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার।
​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া  বলেন, বর্তমান সরকারের কৃষি বান্ধব নীতির ফলে কৃষকরা সঠিক সময়ে উন্নত মানের বীজ ও সার হাতে পাচ্ছেন। বিশেষ করে আউশ এবং গ্রীষ্মকালীন ফসলের আবাদ বৃদ্ধি করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই প্রণোদনার মূল লক্ষ্য। এয়ার ফ্লো মেশিনের ব্যবহার ও উফশী জাতের আবাদ সম্প্রসারণের মাধ্যমে হেক্টর প্রতি ফলন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
​এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সলেহ্ আকরাম , উপজেলা জামায়াতের আমীর প্রভাষক ইয়াকুব আলী, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ। বিতরণ শেষে কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও সারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পরামর্শ প্রদান করা হয়।
​বিনামূল্যে এই কৃষি উপকরণ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকরা। তারা জানান, সঠিক সময়ে এই সহায়তা পাওয়ায় তারা আবাদি জমি ফেলে না রেখে অর্থকরী ফসল উৎপাদনে অধিক আগ্রহী হবেন।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

https://www.facebook.com/obaidul1991

নাচোলে ৫৬২০  ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

Update Time : ০৪:৪৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সরকার
​নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৫ হাজার ৬২০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উচ্চফলনশীল বীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া । ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ, তিল, পাট ও আউশ ধানের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
​বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলা চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে উন্নত জাতের বীজ এবং ডিএপি  ও এমওপি  সার  তুলে দেওয়া হয়। কৃষি অফিসের তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন ফসল ভেদে বিতরণের মাত্রা ছিল, ​আউশ ধান কৃষক প্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার। ​পাট ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার। ​মুগ ডাল ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার। ​তিল ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার।
​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া  বলেন, বর্তমান সরকারের কৃষি বান্ধব নীতির ফলে কৃষকরা সঠিক সময়ে উন্নত মানের বীজ ও সার হাতে পাচ্ছেন। বিশেষ করে আউশ এবং গ্রীষ্মকালীন ফসলের আবাদ বৃদ্ধি করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই প্রণোদনার মূল লক্ষ্য। এয়ার ফ্লো মেশিনের ব্যবহার ও উফশী জাতের আবাদ সম্প্রসারণের মাধ্যমে হেক্টর প্রতি ফলন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
​এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সলেহ্ আকরাম , উপজেলা জামায়াতের আমীর প্রভাষক ইয়াকুব আলী, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ। বিতরণ শেষে কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও সারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পরামর্শ প্রদান করা হয়।
​বিনামূল্যে এই কৃষি উপকরণ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকরা। তারা জানান, সঠিক সময়ে এই সহায়তা পাওয়ায় তারা আবাদি জমি ফেলে না রেখে অর্থকরী ফসল উৎপাদনে অধিক আগ্রহী হবেন।