ভোলা-বরিশাল কভার্ড ব্রীজ নির্মানে অস্ট্রেলিয়ার মাইক্রো ফাইন সিমেন্ট
- Update Time : ০৪:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
- / ৪০ Time View

জেলা প্রতিনিধি :ভোলা-বরিশাল সড়কে প্রায় ১১ কি. মি. দীর্ঘ্য সেতু প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় ভোলা-বরিশাল নামক সেতুটি হবে বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ সেতু। নদী দ্বারা বেষ্টিত বাংলাদেশ অঞ্চলে নদীর এক তীর হতে আরেক তীরে আসা-যাওয়ার জন্য আরো দশটি বিখ্যাত সড়কের সেতুর দৈর্ঘ্য টপকে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মিত হলে ভোলা-বরিশাল সেতুই হবে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বা দৈর্ঘ্যে প্রথম স্থানীয় বৃহৎ সেতু। দৈর্ঘ্যে দ্বিতীয় স্থানীয় বৃহৎ সেতু হবে পদ্মা সেতু। দৈর্ঘ্যে তৃতীয় স্থানীয় বৃহৎ সেতু হবে যমুনা সেতু। দৈর্ঘ্যে চতূর্থ স্থানীয় বৃহৎ সেতু হবে লালন শাহ সেতু বা পাকশী সেতু। দৈর্ঘ্যে পঞ্চম স্থানীয় বৃহৎ সেতু হবে হার্ডিঞ্জ সেতু। দৈর্ঘ্যে ষষ্ঠ স্থানীয় বৃহৎ সেতু হবে খান জাহান আলী সেতু বা রুপসা সেতু। দৈর্ঘ্যে সপ্তম স্থানীয় বৃহৎ সেতু হবে মুক্তারপুর সেতু। দৈর্ঘ্যে অষ্টম স্থানীয় বৃহৎ সেতু হবে পায়রা সেতু। দৈর্ঘ্যে নবম স্থানীয় বৃহৎ সেতু হবে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু। দৈর্ঘ্যে দশম স্থানীয় বৃহৎ সেতু হবে শাহ আমানত সেতু এবং দৈর্ঘ্যে একাদশ স্থানীয় বৃহৎ সেতু হবে ভৈরব রেল সেতু। বাংলাদেশের উক্ত বিখ্যাত দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট দশটি সেতু নির্মানের প্রকল্পে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃতিগত উর্ধ্বতন দূর্যোগের একটিকেও বিবেচনা না করে- নির্মানের অনুমোদন হলেও ভোলা-বরিশাল ব্রীজ এলাকার মত প্রকৃতির উর্ধ্বতন দূর্যোগের এলাকা বা বঙ্গোপসাগরীয় এলাকা বিবেচনা করে, উন্নত বিশ্বের উর্ধ্বতন দূর্যোগ প্রবন এলাকার সেতুগুলোর মত- ভোলা বরিশাল সেতুতে ছাদ যুক্ত করার পরিকল্পনা সহকারে সেতুর নির্মান প্রকল্প বাস্তবায়ন করা উচিত। ছাদওয়ালা ব্রীজকে সাধারনত কভার্ড ব্রীজ বলে। তাই ভোলা-বরিশাল ব্রীজে ছাদ সংযোগ করলে এর নাম হবে ভোলা-বরিশাল কভার্ড ব্রীজ বা ভোলা-বরিশাল ছাদ ব্রীজ বা ভোলা-বরিশাল আচ্ছাদিত ব্রীজ। পৃথিবীর কোন কোন দেশের সেতুতে ছাদ আছে- এমন প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করে জানা যায় যে, সাধারণত উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোতেই বেশি ছাদযুক্ত সেতু (Covered Bridge) দেখা যায়। উর্ধ্বতন দূর্যোগ প্রবন আবহাওয়া বিশিষ্ট এলাকা হিসেবে, আকাশ থেকে অনাকাংখিতভাবে পতিত বৃষ্টি, বিশালাকার ভারী জলরাশি খন্ডের পতন, ভারী তুষার পতন, ভারী বরফ খন্ড পতন, আকাশ ভেঙ্গে পড়া মেঘের উপরে থাকা সলিড খন্ড পতন, আকাশে বিদ্যমান জলরাশিতে থাকা দানবাকৃতির জলজ মৎস্য কিংবা অমৎস্য প্রানির নিন্মদিকে পতিতাবস্থার আক্রমন, বিজলী পতন, আকাশের বা মেঘের বিকট শব্দাক্রমন, মহাশূন্যীয় উদ্ভূত চৌম্বকীয় আক্রমন, ভৌগলিক তাপীয় আক্রমন, নদী বা সাগরে উদ্ভূত প্রকান্ড শক্তির ঘূর্ণি বাতাসের আক্রমন ইত্যাদি থেকে সেতু ও সেতু দিয়ে চলমান যাত্রী ও যানবাহনকে রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্র (USA) এর পেনসিলভেনিয়া, ভার্মন্ট এবং ওহাইও অঙ্গরাজ্যে, কানাডার অন্টারিও এবং কুইবেক প্রদেশে, ইউরোপ মহাদেশের সুইজারল্যান্ড, জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার আল্পাইন অঞ্চলে ঐতিহাসিক ছাদযুক্ত সেতু সবচেয়ে বেশি নির্মান করা হয়েছে। ভৌগলিক আঞ্চলিকতার হিসেবে ভোলা-বরিশাল ব্রীজ এলাকাটিও যুক্তরাষ্ট্র (USA) এর পেনসিলভেনিয়া, ভার্মন্ট এবং ওহাইও অঙ্গরাজ্য, কানাডার অন্টারিও এবং কুইবেক প্রদেশ, ইউরোপ মহাদেশের সুইজারল্যান্ড, জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার আল্পাইন অঞ্চলের মত- উর্ধ্বতন দূর্যোগ প্রবন আবহাওয়া বিশিষ্ট এলাকা হিসেবে, আকাশ থেকে অনাকাংখিতভাবে পতিত বৃষ্টি, বিশালাকার ভারী জলরাশি খন্ডের পতন, ভারী তুষার পতন, ভারী বরফ খন্ড পতন, আকাশ ভেঙ্গে পড়া মেঘের উপরে থাকা সলিড খন্ড পতন, আকাশে বিদ্যমান জলরাশিতে থাকা দানবাকৃতির জলজ মৎস্য কিংবা অমৎস্য প্রানির নিন্মদিকে পতিতাবস্থার আক্রমন, বিজলী পতন, আকাশের বা মেঘের বিকট শব্দাক্রমন, চৌম্বকীয় আক্রমন, ভৌগলিক তাপীয় আক্রমন, নদী বা সাগরে উদ্ভূত প্রকান্ড শক্তির ঘূর্ণি বাতাসের আক্রমন প্রবন এলাকা হিসেবে ভোলা-বরিশাল সংযোগ সড়কে ভোলা-বরিশাল কভার্ড ব্রীজ নির্মানের পরিকল্পনা অনুমোদন করা প্রয়োজন। কেননা- ভোলা জেলার নিকটতম দক্ষিনে বঙ্গোপসাগর যা ভারত মহাসাগরের একটি উপসাগর। ভারত মহাসাগরও প্রশান্ত মহাসাগরের একটি লিংক মহাসাগর। তাই ভোলা বরিশাল অঞ্চলের আকাশ দিয়ে চলমান মেঘমালার গতিবেগ কারোর দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত নয়। মেঘের কোন কোন খন্ড বিজলির বেগে ধাবিত হয়। কোন কোন খন্ড হটাৎ প্রকান্ড গতিতে ছুটে গিয়ে অন্য মেঘমালা বা মেঘ খন্ডের সাথে বিকট শক্তিতে পাগলা ধাক্কা মারে। আর তখনি আবহাওয়া সংক্রান্ত ক্ষণস্থায়ী দূর্যোগ পতিত হয়। যা থেকেও বেঁচে থাকার মত করে অর্থাৎ আত্মরক্ষামূলকভাবেই ভোলা-বরিশাল ব্রীজ দিয়ে চলার জন্য কভার্ড ব্রীজ নির্মানের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। এছাড়াও বাংলাদেশের ভোলা-বরিশাল ব্রীজ নির্মানে বাংলাদেশী বা বাংলাদেশে উৎপাদিত সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিৎ নয়। কারন- বাংলাদেশের উৎপাদিত সিমেন্ট দিয়ে ভোলা জেলার সকল সরকারি নির্মানের-ই পলেস্টারা খসে পড়ে। সিমেন্ট দিয়ে ঢালাইয়ের অভ্যন্তরে দেওয়া লোহার রডের মেয়াদের তিন-চতূর্থাংশ সময়ের মধ্যেই অঙ্গার বা ছাই হয়ে যায়। মেয়াদ শুরুর কয়েক মাসের মধ্যেই স্বল্প শক্তি প্রয়োগ মাত্রার হাতুরী দিয়ে স্বল্প আঘাত করলেই ঢালাই বা সিমেন্ট ভেঙ্গে যায়। এমতাবস্থায় ভোলা-বরিশাল ব্রীজ নির্মান কাজে অস্ট্রেলিয়ার মাইক্রো ফাইন সিমেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। যা (মাইক্রো ফাইন সিমেন্ট) দিয়ে নির্মান করলে এটম বোম্বের আঘাতেও ব্রীজ পূর্ন যৌবন নিয়ে দাড়িয়ে থাকতে পারবে। ভোলা-বরিশাল সড়কে কালাবাঁদর ও তেঁতুলিয়া নদীর ওপর ভোলা সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি পিপিপির ভিত্তিতে গ্রহণের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটি। প্রকল্পটির সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা। নির্মাণের পর এটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় সেতু। গত ০৮/০৪/২০২৬ ইং তারিখ রোজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে এই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাননীয় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সভা সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলার সঙ্গে বরিশালসহ ঢাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় চার লেইন বিশিষ্ট ১০.৮৬৭ কি.মি. দীর্ঘ সেতু এবং ১৮.০৭৫ কি.মি. দীর্ঘ নদীর তীর রক্ষামূলক কাজ করা হবে। সম্ভাব্য সমীক্ষায় প্রকল্পটি অর্থনৈতিক দিক থেকে প্রহণযোগ্য প্রতীয়মান হওয়ায় প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পটির সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা। সেতুটি চালু হওয়ার পর ২০৩৩ সালে এ সেতু দিয়ে দৈনিক প্রায় ৪,৯৯৬টি যানবাহন চলাচল করবে এবং ২০৬২ সালে ৪১ হাজার ৮৬৫টি যানবাহন চলাচল করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৫০৭.৫ একর জমি অধিগ্রহণ এবং ইউটিলিটিজ স্থানান্তর বাবদ সকল ব্যয় সরকারের খাত হতে নির্বাহ করা হবে। এই সেতুটি নির্মানের জন্য প্রায় একযুগেরও বেশি সময় আগে রাষ্ট্রের নিকট আবেদন করা হয়। ব্রীজ নির্মানের উদ্দেশ্য দীর্ঘ্য আন্দোলন সংগ্রাম ও সচেতনতা সৃষ্টির জন্য দেশি-বিদেশী ২৯৬০০০ (দুই লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার টি) টি গণমাধ্যম প্রতিষ্টানে নিউজ প্রেরণ করা হয়। প্রকাশিত আশি পার্সেন্ট নিউজের ফলাফলে সার্বজনীন জনতার সৃষ্ট ও উদ্ভুত নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে বাংলাদেশের মহান জাতীয় সংসদে ভোলা – ১ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ব্রীজটি নির্মানের পক্ষে আইনগত বক্তব্য তুলে ধরেন। ভোলা-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও মাননীয় স্পীকার মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ (বীর বিক্রম) এর মাধ্যমে মাননীয় সেতু মন্ত্রী ব্রীজটি নির্মান হওয়ার কথা খোলসা করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ব্রীজ হলো ভোলা-বরিশাল ব্রীজ। তাই ভোলা-বরিশাল ব্রীজকে উন্নত বিশ্বের আধুনিক ভোলা-বরিশাল আচ্ছাদিত ব্রীজ নির্মান-ই সবার কাম্য। ছবিতে- মাননীয় সাংসদ ভোলা-১ ও মাননীয় স্পীকার-সাংসদ ভোলা-৩।





























