১০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

স্ট্রোকের চিকিৎসার কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে বিপাকে অসুস্থ জাহিদ হাসান, ভাতা আবেদনে নতুন করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সামর্থ্য নেই

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০২:৩২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৩৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্ট্রোকের পর শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করার পাশাপাশি চিকিৎসার কাগজপত্র ও সরকারি ভাতা আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজ সংগ্রহ করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী মো: জাহিদ হাসান। জানা যায়, অসুস্থতার কারণে তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সিটি স্ক্যান (CT Scan) করিয়েছেন। পরবর্তীতে চিকিৎসক তার সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ও শারীরিক অবস্থা দেখে প্রয়োজনীয় ওষুধ লিখে দেন। চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্রে ডা. ওয়াসিম আহমেদ স্বাক্ষরও করেছেন। তবে বর্তমানে স্ট্রোকজনিত রোগের জন্য সরকারি চিকিৎসা ভাতার আবেদন করতে গিয়ে তাকে বলা হয়েছে, নির্দিষ্টভাবে নিউরোলজিস্ট কর্তৃক প্রত্যায়িত কাগজে স্বাক্ষর প্রয়োজন। ফলে আগে চিকিৎসকের দেওয়া স্বাক্ষর দিয়ে কাজ না হলে তাকে আবার চিকিৎসকের কাছে গিয়ে নতুন করে কাগজপত্রে স্বাক্ষর করাতে হতে পারে। এ অবস্থায় জাহিদ হাসান বলেন, তিনি একজন স্ট্রোকের রোগী। শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং চিকিৎসা, ওষুধ,

sonalishopbd.com

পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ নিয়মিত খরচ বহন করাই তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। নতুন করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হলে যাতায়াত ও চিকিৎসার খরচ প্রয়োজন, কিন্তু বর্তমানে তার হাতে সেই অর্থও নেই। তিনি বলেন, “আমি স্ট্রোক করেছি, চিকিৎসকের পরামর্শে সিটি স্ক্যান করিয়েছি। ডাক্তার রিপোর্ট দেখে ওষুধ লিখে দিয়েছেন এবং ডা. ওয়াসিম আহমেদ স্বাক্ষর করেছেন। এখন ভাতার আবেদনের জন্য আবার স্বাক্ষরের প্রয়োজন হলে আমি কীভাবে যাব? আমার টাকা নেই, শরীরও ভালো নয়। সরকারি সহায়তা পাওয়ার জন্য যদি বারবার চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়, তাহলে একজন অসহায় রোগীর জন্য বিষয়টি অত্যন্ত কষ্টকর।” অসুস্থ রোগীর এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্তৃপক্ষের মানবিক ও বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি। পূর্বের চিকিৎসা নথি, সিটি স্ক্যান রিপোর্ট ও চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রত্যয়ন গ্রহণের সুযোগ রয়েছে কি না—তা কর্তৃপক্ষকে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন জাহিদ হাসান। তিনি আরও বলেন, সরকারি চিকিৎসা সহায়তা বা ভাতা মূলত অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। তাই একজন স্ট্রোক আক্রান্ত রোগী যেন শুধুমাত্র কাগজপত্রের জটিলতা ও অতিরিক্ত যাতায়াতের খরচের কারণে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহানুভূতিশীল ভূমিকা প্রয়োজন। ভুক্তভোগীর প্রত্যাশা— তার বিদ্যমান চিকিৎসা নথি ও রিপোর্টগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং শারীরিক ও আর্থিক অসামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করে তাকে অযথা বারবার চিকিৎসকের কাছে যেতে বাধ্য করা হবে না।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

স্ট্রোকের চিকিৎসার কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে বিপাকে অসুস্থ জাহিদ হাসান, ভাতা আবেদনে নতুন করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সামর্থ্য নেই

Update Time : ০২:৩২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্ট্রোকের পর শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করার পাশাপাশি চিকিৎসার কাগজপত্র ও সরকারি ভাতা আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজ সংগ্রহ করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী মো: জাহিদ হাসান। জানা যায়, অসুস্থতার কারণে তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সিটি স্ক্যান (CT Scan) করিয়েছেন। পরবর্তীতে চিকিৎসক তার সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ও শারীরিক অবস্থা দেখে প্রয়োজনীয় ওষুধ লিখে দেন। চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্রে ডা. ওয়াসিম আহমেদ স্বাক্ষরও করেছেন। তবে বর্তমানে স্ট্রোকজনিত রোগের জন্য সরকারি চিকিৎসা ভাতার আবেদন করতে গিয়ে তাকে বলা হয়েছে, নির্দিষ্টভাবে নিউরোলজিস্ট কর্তৃক প্রত্যায়িত কাগজে স্বাক্ষর প্রয়োজন। ফলে আগে চিকিৎসকের দেওয়া স্বাক্ষর দিয়ে কাজ না হলে তাকে আবার চিকিৎসকের কাছে গিয়ে নতুন করে কাগজপত্রে স্বাক্ষর করাতে হতে পারে। এ অবস্থায় জাহিদ হাসান বলেন, তিনি একজন স্ট্রোকের রোগী। শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং চিকিৎসা, ওষুধ,

sonalishopbd.com

পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ নিয়মিত খরচ বহন করাই তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। নতুন করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হলে যাতায়াত ও চিকিৎসার খরচ প্রয়োজন, কিন্তু বর্তমানে তার হাতে সেই অর্থও নেই। তিনি বলেন, “আমি স্ট্রোক করেছি, চিকিৎসকের পরামর্শে সিটি স্ক্যান করিয়েছি। ডাক্তার রিপোর্ট দেখে ওষুধ লিখে দিয়েছেন এবং ডা. ওয়াসিম আহমেদ স্বাক্ষর করেছেন। এখন ভাতার আবেদনের জন্য আবার স্বাক্ষরের প্রয়োজন হলে আমি কীভাবে যাব? আমার টাকা নেই, শরীরও ভালো নয়। সরকারি সহায়তা পাওয়ার জন্য যদি বারবার চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়, তাহলে একজন অসহায় রোগীর জন্য বিষয়টি অত্যন্ত কষ্টকর।” অসুস্থ রোগীর এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্তৃপক্ষের মানবিক ও বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি। পূর্বের চিকিৎসা নথি, সিটি স্ক্যান রিপোর্ট ও চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রত্যয়ন গ্রহণের সুযোগ রয়েছে কি না—তা কর্তৃপক্ষকে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন জাহিদ হাসান। তিনি আরও বলেন, সরকারি চিকিৎসা সহায়তা বা ভাতা মূলত অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। তাই একজন স্ট্রোক আক্রান্ত রোগী যেন শুধুমাত্র কাগজপত্রের জটিলতা ও অতিরিক্ত যাতায়াতের খরচের কারণে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহানুভূতিশীল ভূমিকা প্রয়োজন। ভুক্তভোগীর প্রত্যাশা— তার বিদ্যমান চিকিৎসা নথি ও রিপোর্টগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং শারীরিক ও আর্থিক অসামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করে তাকে অযথা বারবার চিকিৎসকের কাছে যেতে বাধ্য করা হবে না।