১০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
https://www.facebook.com/obaidul1991
চীনের দানিয়াং কুনসাং ব্রীজের মত বাংলাদেশেও ৮০ মাইল দৈর্ঘ্যের ঢাকা-ভোলা ব্রীজ নির্মাণ প্রয়োজন
বিশেষ প্রতিনিধি
- Update Time : ০২:০৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
- / ১২ Time View

মোঃ আবুল কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি :চীনের সাংহাই প্রদেশের দানিয়াং ও কুনশান শহরে যাতায়াতের জন্য দানিয়াং ও কুনশাং গ্র্যান্ড ব্রিজের মত বাংলাদেশেও ঢাকা-ভোলা যাতায়াতের জন্য ঢাকা-ভোলা ব্রীজ নির্মাণ প্রয়োজন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও সড়ক-সেতু-পরিবহন মন্ত্রী রবিউল আহসান এর হটকারী সিদ্ধান্তের কারনে- চীনের দানিয়াং কুনসাং ব্রীজের মত ঢাকা-ভোলার মধ্যবর্তী সর্ব নিকটবর্তী দূরত্ব বরাবর ঢাকা-ভোলা ব্রীজ নির্মাণের চিন্তায় ভোলা জেলার মানুষ। ঢাকা ও ভোলার মধ্যকার সরল রৈখিক বা আকাশ পথের সর্ব নিকটবর্তী দূরত্ব প্রায় ১১৬ থেকে ১৩১ কিলোমিটার (৭২ থেকে ৮১ মাইল)। চীনের দানিয়াং কুনসাং ব্রীজের দৈর্ঘ্য ১৬৪ কিলোমিটার বা ১০২ মাইল। ২০১১ ইং সালের পর হতে ঐ দানিয়াং কুনসাং গ্রান্ড ব্রীজ পৃথিবীর দীর্ঘতম ব্রীজ হিসেবে বিশ্ব রেকর্ড বুকে স্থান পেয়েছে। সেই দানিয়াং কুনসাং ব্রীজের আদলে ঢাকা-ভোলা এর মধ্যবর্তী সর্ব নিকটবর্তী দূরত্বে একটি ব্রীজ নির্মাণের জন্য রাষ্ট্রের নিকট আবেদন নিবেদন করলে এবং ব্রীজটি নির্মিত হলে বিশ্ব রেকর্ড বুকে স্থান না পেলেও ভোলা জেলার ত্রিশ লক্ষ লোকের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। উক্ত ৮০ মাইল দৈর্ঘ্যের ঢাকা-ভোলা ব্রীজ নির্মাণ করলে ভোলা জেলার লোকেরা প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে চলমান যেকোন যানবাহনে চড়ে মাত্র ভোলা হতে এক হতে দেড় ঘণ্টায় বাংলাদেশের বর্তমান রাজধানী ঢাকায় পৌঁছতে পারবে। উক্ত ৮০ মাইল দৈর্ঘ্যের ঢাকা-ভোলা ব্রীজ নির্মাণ করতে আনুমানিক ১৭০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। বাংলাদেশের ভোলা জেলার পার্শ্ববর্তী মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী হতে বছরে আহরিত মাছের মধ্যে দেশের বিভিন্ন বাজারে কমপক্ষে ৯০০ হাজার কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়। সেই এক বছরে বিক্রিত মাছের টাকা দিয়ে প্রতি এক বছরে ৮০ মাইল দৈর্ঘ্যের পাঁচটি ঢাকা-ভোলা ব্রীজ নির্মাণ করা সম্ভব। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর হতে এইভাবে বছরে একটি করে ঢাকা-ভোলা ব্রীজ নির্মাণ করা হলে স্বাধীনতা পরবর্তী ৫৫ বছরে অন্তত: ৫৫টি ঢাকা-ভোলা ব্রীজ নির্মাণ করা সম্ভব হতো। কিন্তু দেশে কোন রাষ্ট্রীয় কাজ শুরু করলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের চোর-ডাকাত-ষন্ডা-গুন্ডা-সন্ত্রা সী ও লুইচ্ছারা রাষ্ট্র ক্ষমতাসীন হয়ে প্রশাসন যন্ত্রকে হাতে নিয়ে কোন খাত হতে কত টাকা চুরি ডাকাতি লুটপাট ও লুটতরাজ করা যায়- সেই তৎপরতায় নিয়োজিত হয় বিধায়- বাংলাদেশের বিগত ৫৫ বছরে মাত্র একটি ঢাকা-ভোলা ব্রীজও নির্মাণ করা হয় নাই। গত ২০১৫ ইং সালের দিকে দেশের আর্থিক অবস্থার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে একটি ভোলা-বরিশাল ব্রীজ নির্মাণের আবেদন করলেও- উক্ত ব্রীজ নির্মাণ খাত হতে কত টাকা চুরি ডাকাতি লুটপাট ও লুটতরাজ করা যায়- সেই হিসেবটি চূড়ান্ত করতে না পেরে বিগত সাড়ে এগারো বছরেও বাংলাদেশের মূল ভূ্-খন্ডের সাথে যুক্ত করার ঐ ভোলা-বরিশাল ব্রীজটি বাংলাদেশের প্রশাসন নির্মান করে নাই। বর্তমানে জাপান সরকারের আর্থিক বিনিয়োগে ভোলা-বরিশাল নামক উক্ত ব্রীজটি নির্মানের খবর শোনার পর রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে থাকা চোরেরা ঐ ভোলা-বরিশাল ব্রীজটির নির্মাণের গুরুত্বকে অস্বীকার করার জন্য ও গুরুত্ব কমিয়ে ফেলার জন্য এবং দেশে বৃহৎ আকারের মেগা দূর্নীতি চালু করার উদ্দেশ্যে ও অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার দূরাশায় বেআইনী জনতাবদ্ধে একতাবদ্ধ হয়ে দশ কিলোমিটার এর ভোলা-বরিশালের ব্রীজসমেত রাস্তাকে ১২০ কিলোমিটারের রাস্তায় পরিনত করে বরিশাল-বাবুগঞ্জ-রহমতপুর-মুলাদি -হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা মহাসড়ক নির্মাণ অনুমোদন করেছে। এভাবে ১২০ কিলোমিটারের মহাসড়ক এতই জনবান্ধব হলে বিগত ৫৫ বছরে কেন ঐ মহাসড়কটি নির্মাণ করা হয় নাই? ভোলা এক সময় বরিশাল জেলার মহকুমা ছিল তখন কেন ভোলাকে মহাসড়কে উঠানো হয় নাই। নাকি বরিশাল-বাবুগঞ্জ-রহমতপুর-মুলাদি -হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা মহাসড়কটি তখন ভিন গ্রহের কোন এলিয়েন ছিল? সর্বশেষ খবর হতে জানা গেছে যে, ঠাকুরগাঁও জেলার মাষ্টার মাইন্ড খুনী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ভোলা-বরিশাল ব্রীজের উপর ঠাকুরের ঘ্রান লাগিয়ে দেশের বিগত প্রেসিডেন্টদের মত ভোলা-বরিশাল ব্রীজ নির্মাণকে স্থগিত করে “বরিশাল-বাবুগঞ্জ-রহমতপুর-মুলা দি-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা” মহাসড়ক খাত হতে চুরি ডাকাতি লুটপাট ও লুটতরাজের বখরা বসানোর জন্য ভোলা জেলাকে মহাসড়কে উঠানোর ফন্দি করেছে। তবে ভোলা বাসী সোচ্চার হয়ে কোনভাবেই ভোলা-বরিশাল ব্রীজ নির্মাণ স্থগিত হতে দেবে না। এমনকি ভোলা জেলাবাসী বর্তমান ক্ষমতাসীন বেইমান সরকারের পতনকে অতীব দ্রুততার সাথে ঘনীভূত করে “বরিশাল-বাবুগঞ্জ-রহমতপুর-মুলা দি-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা মহাসড়ক”, “ভোলা-বরিশাল ব্রীজ” ও “ঢাকা- ভোলা ব্রীজ” নির্মাণ বাস্তবায়ন করবে। ছবিতে- দানিয়াং কুনসাং ব্রীজ।
Tag :



























