০২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

ভূ-স্বামীত্বের ভূক্তভোগী সফিউল্লা মিয়া অপ্রয়োজনীয় মামলায় চরফ্যাসনের আদালতে।

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০১:৪০:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / ১০ Time View
  ভোলা প্রতিনিধি : ভূমি দস্যূদের ভূমি অপরাধের ভোলা জেলার  লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ ছাইফুল্লাহ মিয়া লালমোহনের দেবীর চরের জমি ও চরফ্যাসন উপজেলার মুজিবনগর ইউনিয়নের জমির নিষ্কন্ঠক মালিকানার জন্য দীর্ঘ্যদিন যাবত আদালতের মামলার জবাব দিয়েই চলেছেন। ঘটনার সূত্রে জানা যায় যে, তিনি জমি খরিদের জন্য জমির মালিকদেরকে টাকা দিয়েছেন, দলিল সম্পাদন করতে বিলম্ব করেছেন। জমির মালিক বিশ্বস্ততার কারনে তাকে জমির ভোগ দখলও দিয়েছেন। দীর্ঘ্যদিন যাবত জমির ভোগ দখলে থাকা সত্ত্বেও তিনি জমির দলিল সূত্রের মালিকানা প্রাপ্তির অভাবে তার নামে জমির হাল বিডিএস খতিয়ান প্রাপ্তি হতে দূরে আছেন। আবার-  অপর পক্ষ উক্ত জমির মালিকানা দাবী করণান্তে চরফ্যাসন চৌকি আদালতে মামলা দায়ের করেই জোর-জবরানে, উক্ত জমিতে ছাইফুল্লাহ মিয়ার সৃজিত ফসলাদির ক্ষেত হতে সিজনাল ফসলাদি লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া সূত্রেও দাবী করে যে, তারা উক্ত জমির মালিক। লোকমুখের তথ্য হতে জানতে পারা গেছে যে, ভূমিদস্যূ বাহিনী চরফ্যাসন ও লালমোহন উপজেলার চাঁদাবাজ বাহিনীও- যখন যেই সরকার ক্ষমতায় থাকে তখন সেই সরকারের লোকের হাব-ভাব-স্বভাবে প্রদর্শণ করে ছাইফুল্লাহ  মিয়ার নিকট হতে মোটাতাজা অংকের চাঁদা আদায়ের আশার ধান্দায় আছে। সেই ক্ষেত্রে ছাইফুল্লাহ মিয়ার টনক নাড়াতেও কেউ পারছে না। তাতেও চরফ্যাসন ও লালমোহন উপজেলার ভূমিদস্যূ বাহিনী গোপন যোগাযোগের মাধ্যমে ভূমি মালিক ছাইফুল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে কলকাঠি নাড়ার খবর সংগ্রহ করা গেছে। উক্ত ভূমিদস্যূ বাহিনীর সর্দারেরা আরো অনেক লোকের ভূমির উপর দস্যূয়ানা কার্যকর রেখেছে। চরফ্যাসন উপজেলার চার নং ওয়ার্ডের একজন জমিওয়ালাকেও তুলসী পূঁজারী বাসিন্দার কাতারের লোক বোধ করতে পেরে, মুজিব নগর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের ভূমিদস্যূ বাবুল ভূয়া হাওলাদার (৬৫) পিতা- মৃত: মোজাম্মেল ভূয়া হাওলাদার তার দুই ছেলে কবির ও জাকির সমেত সিরাজ ভূমি দস্যূবাহিনী দিয়ে দখল করে রেখেছে। লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের ভূমিসন্ত্রাসী অলি মেলকার (৫০) পিতা- আব্দুল ওহাব মেলকার ও ভূমিদস্যূ বাবুল ভূয়া হাওলাদার (৬৫) পিতা- মৃত: মোজাম্মেল ভূয়া হাওলাদার পরস্পর পরস্পরের যোগসাজেশনের মাধ্যমে শান্তিপ্রিয় ছাইফুল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করতে দেখা গেছে।চরফ্যাসন আদালতের দেওয়ানী মামলা নং- ৪৯৩/২০২৫ ইং এর বিগত চলমানকালের আদালতের দর্শণার্থী সূত্রে জানা গেছে যে, ভূমিদস্যূবাহিনী মামলা চালানোর দালালের মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করে মোঃ সফিউল্লা মিয়াকে ভূ-স্বামীত্বের ভূক্তভোগী করে রেখেছে। ছাইফুল্লাহ মিয়া তার জমি-জমার সুষ্ঠু সমাধান ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাধান পাওয়ার জন্য ইতিপূর্বে ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখার নৌ-কন্টিনজেন্ট কমান্ডারের দপ্তরেও আবেদন করতে দেখা গেছে। ছবিতে-  অপ্রয়োজনীয় মামলার ভূক্তভোগী বয়োবৃদ্ধ সফিউল্লা।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

ভূ-স্বামীত্বের ভূক্তভোগী সফিউল্লা মিয়া অপ্রয়োজনীয় মামলায় চরফ্যাসনের আদালতে।

Update Time : ০১:৪০:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  ভোলা প্রতিনিধি : ভূমি দস্যূদের ভূমি অপরাধের ভোলা জেলার  লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ ছাইফুল্লাহ মিয়া লালমোহনের দেবীর চরের জমি ও চরফ্যাসন উপজেলার মুজিবনগর ইউনিয়নের জমির নিষ্কন্ঠক মালিকানার জন্য দীর্ঘ্যদিন যাবত আদালতের মামলার জবাব দিয়েই চলেছেন। ঘটনার সূত্রে জানা যায় যে, তিনি জমি খরিদের জন্য জমির মালিকদেরকে টাকা দিয়েছেন, দলিল সম্পাদন করতে বিলম্ব করেছেন। জমির মালিক বিশ্বস্ততার কারনে তাকে জমির ভোগ দখলও দিয়েছেন। দীর্ঘ্যদিন যাবত জমির ভোগ দখলে থাকা সত্ত্বেও তিনি জমির দলিল সূত্রের মালিকানা প্রাপ্তির অভাবে তার নামে জমির হাল বিডিএস খতিয়ান প্রাপ্তি হতে দূরে আছেন। আবার-  অপর পক্ষ উক্ত জমির মালিকানা দাবী করণান্তে চরফ্যাসন চৌকি আদালতে মামলা দায়ের করেই জোর-জবরানে, উক্ত জমিতে ছাইফুল্লাহ মিয়ার সৃজিত ফসলাদির ক্ষেত হতে সিজনাল ফসলাদি লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া সূত্রেও দাবী করে যে, তারা উক্ত জমির মালিক। লোকমুখের তথ্য হতে জানতে পারা গেছে যে, ভূমিদস্যূ বাহিনী চরফ্যাসন ও লালমোহন উপজেলার চাঁদাবাজ বাহিনীও- যখন যেই সরকার ক্ষমতায় থাকে তখন সেই সরকারের লোকের হাব-ভাব-স্বভাবে প্রদর্শণ করে ছাইফুল্লাহ  মিয়ার নিকট হতে মোটাতাজা অংকের চাঁদা আদায়ের আশার ধান্দায় আছে। সেই ক্ষেত্রে ছাইফুল্লাহ মিয়ার টনক নাড়াতেও কেউ পারছে না। তাতেও চরফ্যাসন ও লালমোহন উপজেলার ভূমিদস্যূ বাহিনী গোপন যোগাযোগের মাধ্যমে ভূমি মালিক ছাইফুল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে কলকাঠি নাড়ার খবর সংগ্রহ করা গেছে। উক্ত ভূমিদস্যূ বাহিনীর সর্দারেরা আরো অনেক লোকের ভূমির উপর দস্যূয়ানা কার্যকর রেখেছে। চরফ্যাসন উপজেলার চার নং ওয়ার্ডের একজন জমিওয়ালাকেও তুলসী পূঁজারী বাসিন্দার কাতারের লোক বোধ করতে পেরে, মুজিব নগর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের ভূমিদস্যূ বাবুল ভূয়া হাওলাদার (৬৫) পিতা- মৃত: মোজাম্মেল ভূয়া হাওলাদার তার দুই ছেলে কবির ও জাকির সমেত সিরাজ ভূমি দস্যূবাহিনী দিয়ে দখল করে রেখেছে। লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের ভূমিসন্ত্রাসী অলি মেলকার (৫০) পিতা- আব্দুল ওহাব মেলকার ও ভূমিদস্যূ বাবুল ভূয়া হাওলাদার (৬৫) পিতা- মৃত: মোজাম্মেল ভূয়া হাওলাদার পরস্পর পরস্পরের যোগসাজেশনের মাধ্যমে শান্তিপ্রিয় ছাইফুল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করতে দেখা গেছে।চরফ্যাসন আদালতের দেওয়ানী মামলা নং- ৪৯৩/২০২৫ ইং এর বিগত চলমানকালের আদালতের দর্শণার্থী সূত্রে জানা গেছে যে, ভূমিদস্যূবাহিনী মামলা চালানোর দালালের মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করে মোঃ সফিউল্লা মিয়াকে ভূ-স্বামীত্বের ভূক্তভোগী করে রেখেছে। ছাইফুল্লাহ মিয়া তার জমি-জমার সুষ্ঠু সমাধান ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাধান পাওয়ার জন্য ইতিপূর্বে ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখার নৌ-কন্টিনজেন্ট কমান্ডারের দপ্তরেও আবেদন করতে দেখা গেছে। ছবিতে-  অপ্রয়োজনীয় মামলার ভূক্তভোগী বয়োবৃদ্ধ সফিউল্লা।