০৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, চেয়ারম্যানসহ আটক ৩

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৩:২২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৬২ Time View

 


বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজারে দোকান ঘর নির্মাণ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় জিনদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজারে এ সংঘর্ষ ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিনদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজার কমিটির সভাপতি শামীম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য-সচিব আবু কাউছার, জিনদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজনু সরকারের সঙ্গে বাঙ্গরা বাজারের একটি দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে জিনদপুর ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল আওয়াল রবি ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলামের মধ্যে বিরোধ চলছিল ।
সোমবার শফিকুল ইসলাম মোবাইল ফোনে উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য-সচিব আবু কাওসারকে হুমকি প্রদান করেন। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকালে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে রবিউল আউয়াল রবি, তার ভাই শফিকুল ইসলাম, রুবেল আহত হয়েছেন। অপরপক্ষের শামীম, তার ছেলে শান্ত, মজনুসহ কয়েকজন আহত হন।

আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়াম্যান রবিউল আওয়াল রবি জানান, আমি কোনো অন্যায় করিনি। যেখানে দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে, সেটি আমার লিজকৃত জায়গা। তারা সরকারি দলের লোকজন হওয়ায় মব সৃষ্টি করে আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখে।

যুবদলের সাবেক সদস্য-সচিব কাউছার বলেন, সরকারি জায়গায় রবিউল আওয়াল রবি চেয়ারম্যান দোকান নির্মাণ করতে আসলে আমার ভাই বাজারের সভাপতি শামীম বাধা দেন। এ সময় তারা অতর্কিত হামলা করে।

সংঘর্ষের একপর্যায়ে উত্তেজিত শামীমের সমর্থকরা চেয়ারম্যান ও তার দুই ভাইকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং চেয়ারম্যান ও তার দুই ভাই রুবেল ও পলাশকে থানায় নিয়ে যায়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

https://www.facebook.com/obaidul1991

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, চেয়ারম্যানসহ আটক ৩

Update Time : ০৩:২২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

 


বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজারে দোকান ঘর নির্মাণ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় জিনদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজারে এ সংঘর্ষ ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিনদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজার কমিটির সভাপতি শামীম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য-সচিব আবু কাউছার, জিনদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজনু সরকারের সঙ্গে বাঙ্গরা বাজারের একটি দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে জিনদপুর ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল আওয়াল রবি ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলামের মধ্যে বিরোধ চলছিল ।
সোমবার শফিকুল ইসলাম মোবাইল ফোনে উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য-সচিব আবু কাওসারকে হুমকি প্রদান করেন। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকালে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে রবিউল আউয়াল রবি, তার ভাই শফিকুল ইসলাম, রুবেল আহত হয়েছেন। অপরপক্ষের শামীম, তার ছেলে শান্ত, মজনুসহ কয়েকজন আহত হন।

আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়াম্যান রবিউল আওয়াল রবি জানান, আমি কোনো অন্যায় করিনি। যেখানে দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে, সেটি আমার লিজকৃত জায়গা। তারা সরকারি দলের লোকজন হওয়ায় মব সৃষ্টি করে আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখে।

যুবদলের সাবেক সদস্য-সচিব কাউছার বলেন, সরকারি জায়গায় রবিউল আওয়াল রবি চেয়ারম্যান দোকান নির্মাণ করতে আসলে আমার ভাই বাজারের সভাপতি শামীম বাধা দেন। এ সময় তারা অতর্কিত হামলা করে।

সংঘর্ষের একপর্যায়ে উত্তেজিত শামীমের সমর্থকরা চেয়ারম্যান ও তার দুই ভাইকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং চেয়ারম্যান ও তার দুই ভাই রুবেল ও পলাশকে থানায় নিয়ে যায়।