০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

বাংলা নববর্ষ বরণের নামে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে হবে -ইসলামি আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ

Reporter Name
  • Update Time : ১০:২৯:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৩০ Time View

 

                                                                                    মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে পৌত্তলিকতা এবং কলকাতাকেন্দ্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও দলের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম বলেছেন, বাংলা নববর্ষ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নামে রাষ্ট্রীয়ভাবে হিন্দুয়ানী সংষ্কৃতি বন্ধ করতে হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রা একটি বিশেষ ধর্মের প্রতি ইঙ্গিত বহন করে। মঙ্গল শোভাযাত্রাকে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর দীর্ঘকালের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে সুগভীর চক্রান্ত বলে উল্লেখ করেছেন। মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে পৌত্তলিকতা এবং কলকাতাকেন্দ্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের সংস্কৃতির সঙ্গে এটা মানায় না। পহেলা বৈশাখের আয়োজন থেকে ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সবকিছু বাদ দিতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পুরানা পল্টনস্থ ঢাকা মহানগর কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জোনভিত্তিক জিম্মাদারদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের ঢাকা মহানগর দক্ষিন সেক্রেটারী মোঃ আব্দুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনাং অংশ নেন মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, মাওলানা নজরুল ইসলাম, প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা জিয়াউল আশরাফ, শেখ আবু তাহের, মাওলানা নাযীর আহমদ শিবলী, মাওলানা নিজামুদ্দিন, মাওলানা গোলামুর রহমান আজম, হাফেজ সালাউদ্দিন প্রমুখ।

মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, বাংলা বর্ষবরণ বাঙালির নিজস্ব সাল গণনাসংক্রান্ত একটা উৎসব। গ্রামবাংলায় এর আয়োজনে নিজস্ব ও ঐতিহ্যবাহী একটা রীতি বিরাজমান ছিল। তাতে আমাদের প্রাণ ও প্রকৃতির ছোঁয়া লক্ষ্য করা যেত। কিন্তু এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে মুসলিম বিশ্বাসবিরোধী সংস্কৃতির বিস্তার ঘটানোর অপচেষ্টা হয়েছে। বিশেষ করে পতিত স্বৈরাচারের আমলে পয়লা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রার নামে যেভাবে কলকাতার উচ্চবর্ণীয় হিন্দু সংস্কৃতির বিস্তার ঘটানো হয়েছে, তা দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর বিশ্বাস ও অনুভূতিকে আঘাত করেছে।

(বিজ্ঞপ্তি)

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

বাংলা নববর্ষ বরণের নামে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে হবে -ইসলামি আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ

Update Time : ১০:২৯:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

 

                                                                                    মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে পৌত্তলিকতা এবং কলকাতাকেন্দ্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও দলের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম বলেছেন, বাংলা নববর্ষ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নামে রাষ্ট্রীয়ভাবে হিন্দুয়ানী সংষ্কৃতি বন্ধ করতে হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রা একটি বিশেষ ধর্মের প্রতি ইঙ্গিত বহন করে। মঙ্গল শোভাযাত্রাকে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর দীর্ঘকালের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে সুগভীর চক্রান্ত বলে উল্লেখ করেছেন। মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে পৌত্তলিকতা এবং কলকাতাকেন্দ্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের সংস্কৃতির সঙ্গে এটা মানায় না। পহেলা বৈশাখের আয়োজন থেকে ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সবকিছু বাদ দিতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পুরানা পল্টনস্থ ঢাকা মহানগর কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জোনভিত্তিক জিম্মাদারদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের ঢাকা মহানগর দক্ষিন সেক্রেটারী মোঃ আব্দুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনাং অংশ নেন মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, মাওলানা নজরুল ইসলাম, প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা জিয়াউল আশরাফ, শেখ আবু তাহের, মাওলানা নাযীর আহমদ শিবলী, মাওলানা নিজামুদ্দিন, মাওলানা গোলামুর রহমান আজম, হাফেজ সালাউদ্দিন প্রমুখ।

মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, বাংলা বর্ষবরণ বাঙালির নিজস্ব সাল গণনাসংক্রান্ত একটা উৎসব। গ্রামবাংলায় এর আয়োজনে নিজস্ব ও ঐতিহ্যবাহী একটা রীতি বিরাজমান ছিল। তাতে আমাদের প্রাণ ও প্রকৃতির ছোঁয়া লক্ষ্য করা যেত। কিন্তু এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে মুসলিম বিশ্বাসবিরোধী সংস্কৃতির বিস্তার ঘটানোর অপচেষ্টা হয়েছে। বিশেষ করে পতিত স্বৈরাচারের আমলে পয়লা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রার নামে যেভাবে কলকাতার উচ্চবর্ণীয় হিন্দু সংস্কৃতির বিস্তার ঘটানো হয়েছে, তা দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর বিশ্বাস ও অনুভূতিকে আঘাত করেছে।

(বিজ্ঞপ্তি)