পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার, 4নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের,সুতিপুখুরী গ্রাম
পঞ্চগড়ের বোদায়,প্রেমীক নাজু মিয়া-প্রেমীকা দুই সন্তানের মা সুইটির ঘরে রাতে জব্দ
- Update Time : ০৫:৪৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
- / ১৫৬ Time View

পঞ্চগড় সংবাদদাতা: পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার, 4নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের,সুতিপুখুরী গ্রামে বিশিষ্ঠ মধু ব্যবসায়ী সাফিকুল ইসলামের স্ত্রী দুই শিশু সন্তানের মা মোছাঃসুইটি আক্তার(25)=01307190419 গতকাল রবিবার 30/03/26 ইং রাত 10.00 ঘটিকার সময় পার্শবর্তী ইউনিয়ন 5নং বড়শশী,মালকাডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন কলনী খালপাড়া গ্রামের বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী ডিম ও মুরগী পাইকার নাজু মিয়া(38)=01713770161প্রেমীকার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে দু’জনের মতামতের ভিত্তিতে বিভিন্ন কলাকৌশল করে বাড়ীতে রাতের অন্ধকারে এসে প্রেমীকার ঘরে প্রবেশ করে।সুইটির স্বামী বাড়ীতে না থাকার কারনে প্রেমীক নাজু মিয়া বিশেষ সুযোগ গ্রহন করে।একই বাড়ীতে পার্শবর্তী কক্ষে সুইটির শসুর,শাশুরী,দেবর,জা ও ননদ টের পাইলে প্রেমীক নাজু মিয়া তাৎক্ষণিক ঘর থেকে বেরিয়ে দৌড়ে স্থান ত্যাগ করে।পাকা রাস্তায় উঠে দক্ষিন পশ্চিম দিকে সাইকেল যোগে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাসার লোকজন চোর চোর বলে চিল্লাচিল্লি করলে এলাকা বাসীর কিছু লোকজন নারী পুরুষ ও তরুন যুবক ছেলেরা নাজু মিয়াকে দোকানদার বাঘা মিয়ার বাড়ীর পার্শে পাকা রাস্তার ব্রীজের উপর থেকে স্ব-শরীলে নাজু পাইকার কে ধরিয়ে এনে টেনে হেচরে লাঠি সোটা,দিয়ে গনধোলাই দিয়ে সমস্থ শরীর রক্তাত্ত্ব ও ক্ষত বিক্ষত করে পাজরের হাড় গুলো ভেঙ্গে দেয়।এবং সমস্ত শরীর ক্ষত বিক্ষত করে দেয়।অত্র এলাকার ওয়ার্ড-9 ইউপি মেম্বার আবুল কাসেম কে অবগত করিলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গ্রাম পুলিশ শ্রীঃবিজর বাবু কে নির্দেশ দিলে(নাজু মিয়াকে) সারারাত কঠোর নিরাপত্তা সহকারে সকলের নির্দেশ ক্রমে পাহাড়া দেয়।পরদিন দুপুর 12.00 ঘটিকায় ঘটনা স্থলে সমগ্র গ্রামবাসী,ডানাকাটা টহল বিজিবি টিম ও জেলা সাংবাদিক গন তথ্য সুত্রে জানিতে পারিলে
সকলেই ঘটনা স্থলে নাজু মিয়ার শরীরের জর্জরিত রক্তস্রোতের ক্ষতবিক্ষত আঘাত আলামত লক্ষ করে সকলেই রাগান্বিত হলে।প্রেমীকা সুইটির এলাকার 9 নংওয়ার্ড মেম্বার আঃকাশেম এলাকা বাসীর সম্মতিক্রমে প্রেমীক নাজু মিয়ার এলাকার মেম্বার জাকির হোসেন প্রধান এর সঙ্গে এলাকা ভিত্তিক সামাজিকতা রক্ষা করে সুইটির দুইটি অবুজ শিশু সন্তানের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে দু’পক্ষের শান্তির জন্য স্থানীয় শালীশি বৈঠক করে প্রেমীক নাজু মিয়ার দন্ডনীয় অপরাধের জন্য নগদ অর্থদন্ড=75000 টাকা জরিমানা করা হয়।এবং সুইটি আক্তার কে আপাতত তার বাবার হেফাজতে টুনির হাট ভান্ডারু গ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।শিশু বাচ্চা দুটিকে আপাতত বাবা ও দাদা দাদীর হেফাজতে রাখা হয়। এবং নাজু মিয়াকে উন্নত জরুরী চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।অত্র মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটির জন্য দু’পক্ষের তীব্র নিন্দা জানান সমাজ,প্রতিবেশী সহ সমগ্র পঞ্চগড় বাসী।




























