০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলা জেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের কালু মেম্বারই তমেজ শেখ।

মোঃ আবুল কাশেম
  • Update Time : ০৩:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৩১ Time View
মোঃ আবুল কাশেম : নাম-ঠিকানা পরিবর্তন করে বন্য চোরাই হরিনের মাংশ খেতে সুন্দরবনে গিয়েছে- ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের পঁয়ত্রিশ বছরের একটানা মেম্বার কালু হাওলাদার। শখের বসে সুন্দরবনে গিয়েছিলেন হরিণের মাংসের স্বাদ নিতে- এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু বিধি বাম- প্রথম দিনেই বন্য কর্মীদের হাতে ধরা পড়লেন তিনি। ধরা পড়েই নিজের নাম ঠিকানা দিতে গিয়ে ঠিকানা বললেন যে তিনি- বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার গৌরম্ভ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার তমেজ শেখ। কারন ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের ঠিকানা দিলে যদি তার ধরা পড়ার কথা- ঐ ঠিকানা মোতাবেক নিজ এলাকায় পৌঁছে যাবে। তবে তাতে বিগত পঁয়ত্রিশ বছরের ভাঁওতাবাজির মেম্বারীর মাধ্যমে অর্জিত নাম-সুনাম, মান-সন্মান, ইজ্জত পুরোপুরি পাংচার হয়ে যাবে। তাই হরিনের মাংশ চুরি করতে যাওয়ার ঐ খবর যাতে নিজ এলাকায় না পৌঁছে সেই জন্য তার নিজের নাম মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার এর পরিবর্তে ধৃত: স্পটে তমেজ শেখ বলেছেন। বর্তমান যুগে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম ঠিকানা সাথে সাথেই ভাইরাল হয় বিধায়- ঐ তমেজ শেখ দাবীকারকই যে, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের নুরুল আমিন কালু হাওলাদার ওরফে বিগত পঁয়ত্রিশ বছরের ইউপি মেম্বার তা সবাই জেনে গেছে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়—বন ও বন্য প্রাণী রক্ষায় বন বিভাগের এই তৎপরতা প্রশংসনীয়। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ ও বন্য প্রাণী রক্ষায় ঐ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার বা কালু মেম্বার সহ আমাদের সবাইকেই সচেতন হতে হবে এবং এই ধরনের অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে এলাকায় ২০২৪ ইং সালের ৫ই আগস্ট নামক দিনের পর ঐ ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার এর প্রতিপক্ষগুলো স্থানীয়, দূর-দূ্রান্তের, প্রতিপক্ষের ও চরাঞ্চলের শত শত মানুষ হাজার হাজার গরু, ছাগল, মহিষ ও হাঁস-মুরগী চুরি, ডাকাতি, লুটপাট, ও লুটতরাজ করেছে, খেয়ে ফেলেছে ও মেরে‌ ফেলেছে। নিজেদের নামের সেই সকল কলঙ্ক দূর করার জন্য ঐ এলাকার একটানা পঁয়ত্রিশ বছরের ইউপি মেম্বার মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার এর সাথে হরিন চোর লেলিয়ে দিয়ে তাকে (মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার ওরফে কালু হাওলাদারকে) হরিনের মাংশ খাওয়াতে সুন্দরবনে নিয়ে যায়। সৎ সঙ্গে স্বর্গে বাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ এই জ্ঞান না থাকায় ঐ মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার ওরফে কালু মেম্বার হরিন চোরের সঙ্গে হরিনের মাংশ খেতে সুন্দরবনে গিয়ে হরিনের মাংশ চোর উপাধি পেয়েছে। ছবিতে- তমেজ শেখ নাম দাবী কারক মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার ওরফে কালু মেম্বার।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলা জেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের কালু মেম্বারই তমেজ শেখ।

Update Time : ০৩:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
মোঃ আবুল কাশেম : নাম-ঠিকানা পরিবর্তন করে বন্য চোরাই হরিনের মাংশ খেতে সুন্দরবনে গিয়েছে- ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের পঁয়ত্রিশ বছরের একটানা মেম্বার কালু হাওলাদার। শখের বসে সুন্দরবনে গিয়েছিলেন হরিণের মাংসের স্বাদ নিতে- এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু বিধি বাম- প্রথম দিনেই বন্য কর্মীদের হাতে ধরা পড়লেন তিনি। ধরা পড়েই নিজের নাম ঠিকানা দিতে গিয়ে ঠিকানা বললেন যে তিনি- বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার গৌরম্ভ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার তমেজ শেখ। কারন ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের ঠিকানা দিলে যদি তার ধরা পড়ার কথা- ঐ ঠিকানা মোতাবেক নিজ এলাকায় পৌঁছে যাবে। তবে তাতে বিগত পঁয়ত্রিশ বছরের ভাঁওতাবাজির মেম্বারীর মাধ্যমে অর্জিত নাম-সুনাম, মান-সন্মান, ইজ্জত পুরোপুরি পাংচার হয়ে যাবে। তাই হরিনের মাংশ চুরি করতে যাওয়ার ঐ খবর যাতে নিজ এলাকায় না পৌঁছে সেই জন্য তার নিজের নাম মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার এর পরিবর্তে ধৃত: স্পটে তমেজ শেখ বলেছেন। বর্তমান যুগে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম ঠিকানা সাথে সাথেই ভাইরাল হয় বিধায়- ঐ তমেজ শেখ দাবীকারকই যে, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের নুরুল আমিন কালু হাওলাদার ওরফে বিগত পঁয়ত্রিশ বছরের ইউপি মেম্বার তা সবাই জেনে গেছে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়—বন ও বন্য প্রাণী রক্ষায় বন বিভাগের এই তৎপরতা প্রশংসনীয়। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ ও বন্য প্রাণী রক্ষায় ঐ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার বা কালু মেম্বার সহ আমাদের সবাইকেই সচেতন হতে হবে এবং এই ধরনের অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে এলাকায় ২০২৪ ইং সালের ৫ই আগস্ট নামক দিনের পর ঐ ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার এর প্রতিপক্ষগুলো স্থানীয়, দূর-দূ্রান্তের, প্রতিপক্ষের ও চরাঞ্চলের শত শত মানুষ হাজার হাজার গরু, ছাগল, মহিষ ও হাঁস-মুরগী চুরি, ডাকাতি, লুটপাট, ও লুটতরাজ করেছে, খেয়ে ফেলেছে ও মেরে‌ ফেলেছে। নিজেদের নামের সেই সকল কলঙ্ক দূর করার জন্য ঐ এলাকার একটানা পঁয়ত্রিশ বছরের ইউপি মেম্বার মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার এর সাথে হরিন চোর লেলিয়ে দিয়ে তাকে (মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার ওরফে কালু হাওলাদারকে) হরিনের মাংশ খাওয়াতে সুন্দরবনে নিয়ে যায়। সৎ সঙ্গে স্বর্গে বাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ এই জ্ঞান না থাকায় ঐ মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার ওরফে কালু মেম্বার হরিন চোরের সঙ্গে হরিনের মাংশ খেতে সুন্দরবনে গিয়ে হরিনের মাংশ চোর উপাধি পেয়েছে। ছবিতে- তমেজ শেখ নাম দাবী কারক মোঃ নুরুল আমিন কালু হাওলাদার ওরফে কালু মেম্বার।