০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

শান্তিরক্ষা মিশনের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • Update Time : ১০:২১:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ১৬ Time View
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে ‘শান্তি সমাবেশ’
২৪ জুন ২০২৬ বুধবার, সকাল ১১:৩০ টায় রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ বিএসজিএসএফ মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস  (International Day of UN Peacekeepers)  উপলক্ষে সিএলএনবি’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত শান্তি সমাবেশে সভাপতির হারুনূর রশিদ বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও অবদান আজ বিশ্ব স্বীকৃত। এছাড়াও শান্তিরক্ষা মিশনের অপার সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ডলার আয় করতে সক্ষম। এ জন্য প্রয়োজন সরকারের নীতি সহায়তা। সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বিজয়ে শান্তি মিশনের বাংলাদেশের অবদানের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

হারুনূর রশিদ বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সামরিক ও পুলিশ সদস্য পাঠানো দেশ বাংলাদেশ। বর্তমানে বিশ্বের ১২টি দেশে বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার শান্তিরক্ষী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত রয়েছেন। বিশ্বের ৪৩টি দেশের ৬৩টি মিশনে ২ লক্ষাধিক বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন থেকে ১৯৮৮ সন এ পর্যন্ত ৩ বিলিয়নের বেশি ডলার আয় করেছে। উল্লেখ্য, অবসরপ্রাপ্ত শান্তিরক্ষা সেনাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরো প্রায় ২ কোটি লোকের বিদেশে স্থায়ী কর্মসংস্থান সহ বৎসরে প্রায় ৮০—৮৫ বিলিয়ন ডলার আয় করার সুযোগ রয়েছে।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তাগণ বলেন, আমাদের গৌরব বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তারা কাজ করছেন। সংঘাতময় দেশে শান্তি স্থাপন, দুর্গতদের উদ্ধার, আর্তের সেবা, অসুস্থ ও আহতদের সেবা ও দূর্গম এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন করতে গিয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশের ১৭৪ জন শান্তিসেনাকে প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে। শান্তিরক্ষীদের নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগ দেশের জন্য অনেক গৌরব বয়ে এনেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন দেশের মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান খাত। এ অবদানের কারণে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন ফোরামে বাংলাদেশ এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে।

আলোচনা শেষে শান্তিরক্ষা মিশনে শহীদ শান্তিসেনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং আহতদের আরোগ্য কামনা করা হয়।

শান্তি সমাবেশের আরও বক্তব্য রাখেন লেঃ কর্ণেল (অবঃ) আবু ইউসুফ জুবায়ের উল্লাহ, সংযুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান বাবলু, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম আসাদ, শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও ভোলা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বইয়ের লেখক কালাম ফয়েজী, সাবেক ছাত্রনেতা কবি শফিক সেলিম, সাবেক ছাত্রনেতা হাসান মঞ্জুর, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় নেতা তরিকুল ইসলাম মধু, সমাজসেবক আব্দুর রহিম চৌধুরী, সাবেক ছাত্রনেতা নূরুর রহমান জাহাঙ্গীর, রফিকুল ইসলাম হিরণ, দার্শনিক আবু মহি মুসা, স্বাস্থ্যসেবা কর্মী হাওয়া বেগম প্রমুখ। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি )

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

শান্তিরক্ষা মিশনের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান

Update Time : ১০:২১:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে ‘শান্তি সমাবেশ’
২৪ জুন ২০২৬ বুধবার, সকাল ১১:৩০ টায় রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ বিএসজিএসএফ মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস  (International Day of UN Peacekeepers)  উপলক্ষে সিএলএনবি’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত শান্তি সমাবেশে সভাপতির হারুনূর রশিদ বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও অবদান আজ বিশ্ব স্বীকৃত। এছাড়াও শান্তিরক্ষা মিশনের অপার সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ডলার আয় করতে সক্ষম। এ জন্য প্রয়োজন সরকারের নীতি সহায়তা। সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বিজয়ে শান্তি মিশনের বাংলাদেশের অবদানের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

হারুনূর রশিদ বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সামরিক ও পুলিশ সদস্য পাঠানো দেশ বাংলাদেশ। বর্তমানে বিশ্বের ১২টি দেশে বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার শান্তিরক্ষী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত রয়েছেন। বিশ্বের ৪৩টি দেশের ৬৩টি মিশনে ২ লক্ষাধিক বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন থেকে ১৯৮৮ সন এ পর্যন্ত ৩ বিলিয়নের বেশি ডলার আয় করেছে। উল্লেখ্য, অবসরপ্রাপ্ত শান্তিরক্ষা সেনাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরো প্রায় ২ কোটি লোকের বিদেশে স্থায়ী কর্মসংস্থান সহ বৎসরে প্রায় ৮০—৮৫ বিলিয়ন ডলার আয় করার সুযোগ রয়েছে।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তাগণ বলেন, আমাদের গৌরব বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তারা কাজ করছেন। সংঘাতময় দেশে শান্তি স্থাপন, দুর্গতদের উদ্ধার, আর্তের সেবা, অসুস্থ ও আহতদের সেবা ও দূর্গম এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন করতে গিয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশের ১৭৪ জন শান্তিসেনাকে প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে। শান্তিরক্ষীদের নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগ দেশের জন্য অনেক গৌরব বয়ে এনেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন দেশের মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান খাত। এ অবদানের কারণে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন ফোরামে বাংলাদেশ এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে।

আলোচনা শেষে শান্তিরক্ষা মিশনে শহীদ শান্তিসেনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং আহতদের আরোগ্য কামনা করা হয়।

শান্তি সমাবেশের আরও বক্তব্য রাখেন লেঃ কর্ণেল (অবঃ) আবু ইউসুফ জুবায়ের উল্লাহ, সংযুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান বাবলু, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম আসাদ, শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও ভোলা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বইয়ের লেখক কালাম ফয়েজী, সাবেক ছাত্রনেতা কবি শফিক সেলিম, সাবেক ছাত্রনেতা হাসান মঞ্জুর, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় নেতা তরিকুল ইসলাম মধু, সমাজসেবক আব্দুর রহিম চৌধুরী, সাবেক ছাত্রনেতা নূরুর রহমান জাহাঙ্গীর, রফিকুল ইসলাম হিরণ, দার্শনিক আবু মহি মুসা, স্বাস্থ্যসেবা কর্মী হাওয়া বেগম প্রমুখ। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি )