০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে চরফ্যাশনে মানববন্ধন।

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৮২ Time View

মোঃ আবুল কাশেম, জেলা প্রতিনিধি,, দৈনিক সরকার, ভোলা : ঝড়বাদলে, রোগবাদলে মৃত্যূপূরী খ্যাত ভোলা জেলা বাংলাদেশের মূল ভূ-খন্ড হতে বিচ্ছিন্ন, পৃথক, রাষ্ট্রত্বহীন, বঞ্চিত, অবহেলিত, বৈষম্যযুক্ত, অসামাজিক, অনগ্রসর, পশ্চাতমুখী, অজ্ঞানতাযুক্ত ও সড়ক সংযোগবিহীন। তাই ভোলা জেলার মানুষ ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে ভোলা সদরে, বোরহানউদ্দিন সদরে ও চরফ্যাশন সদরে মানববন্ধন করেছে। ভোলার এক এক উপজেলায় এক এক সংগঠনের ব্যানারে সমগ্র ভোলা জেলার অনৈক্যবদ্ধ জনগোষ্ঠির নেতৃত্বে আমরা ভোলাবাসী নামক একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের ঢাকাস্থ নেতৃবৃন্দের ডাকে ভোলা-বরিশাল সড়ক পথের কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীর উপর ব্রীজ নির্মানের দাবীতে ভোলা জেলায় উক্ত মানববন্ধন হয়েছে বলে ধারণা করা যায়। জনগোষ্ঠির দিক থেকে বর্তমান প্রায় ত্রিশ লক্ষ লোকের ভারে ন্যূজ এই বিচ্ছিন্ন, পৃথক, রাষ্ট্রত্বহীন, বঞ্চিত, অবহেলিত, বৈষম্যযুক্ত, অসামাজিক, অনগ্রসর, পশ্চাতমুখী, অজ্ঞানতাযুক্ত ও সড়ক সংযোগবিহীন ভোলা জেলা। কিন্তু উক্ত মানববন্ধনের কোন বক্তাই ভোলা জেলার ঐ জনগোষ্ঠিকে ত্রিশ লক্ষ বলতে শোনা যায় নাই। নব্বইয়ের দশকের প্রথমদিকে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রকাশনায় ও ম্যাগাজিনে দাবী করা হয়েছিল ভোলা জেলার জনসংখ্যা ২৩ লক্ষ। অধুনা, ভোলা-বরিশাল সড়কে কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীর উপর ব্রীজের দাবীতে জলে ও স্থলে এমনকি রাজধানী ঢাকার রাজপথের আন্দোলনে নেমে পড়া কোন বক্তাকেই ভোলা জেলার জনসংখ্যা বিশ-বাইশ লাখের বেশি বলতে শোনা যায় নাই। মানববন্ধনগুলোতে লোকসংখ্যার এই ব্যবধানযুক্ত বক্তব্য প্রদানকারী নেতাদের নেতৃত্বের কারনে ভোলা-বরিশাল সড়কে কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীর উপর ব্রীজের দাবী নিয়ে সরকারী উচ্চ প্রফাইলবিদগন ধারনা করছেন যে, উক্ত ব্রীজের নামে কোন বরাদ্ধ দিলেই সেই বরাদ্ধের সরকারি অর্থ-সম্পদ তছরূপ হবে। আর নেতাদের এই ধরনের হিসাব-নিকাশ ও ইতিহাসহীন বক্তব্য দ্বারা আরো ধারণা করা হচ্ছে যে, “আমরা ভোলাবাসী” সংগঠনের নামে যারা ব্রীজ দাবী করে তারা কেউ-ই ভোলা জেলার বাসিন্দা নয়। কেননা- তারা একটি সড়কে ব্রীজ নির্মানের দাবীতে গড়ে তোলা আন্দোলনের সাথে আরো চারটি দাবীর আন্দোলন যুক্ত করে মোট পাঁচটি দাবী নিয়ে এসেছে। তাই ভোলা-বরিশাল সড়কে ব্রীজের দাবীর আন্দোলনটি আন্দোলনকারীদের দ্বারাই ভন্ডুল। এছাড়াও যারা মানববন্ধনে ভোলা-বরিশাল সড়কে ব্রীজের দাবীতে সোচ্চার বক্তব্য দিতে দেখা গেছে তারা ভোলা জেলায় প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের উচ্ছিষ্ট ও বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। তারা একবার ১৯৭১ ইং সালের আগে বাংলাদেশ অঞ্চলের ক্ষমতাসীন ছিল। ১৯৭১ ইং সালের পরেও বাংলাদেশ অঞ্চলের ক্ষমতাসীন ছিল। দুই মেজর জেনারেল এর শাসন আমলেও ক্ষমতাসীন ছিল। আরো চৌদ্দ পনের প্রকারের সরকারের আমলেও বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন ছিল। কিন্তু ক্ষমতাসীন থাকাকালে কেন ঐ সড়কে ব্রীজ নির্মান করে থাকে নাই এমন প্রশ্নেও নেতাদেরকে হাবুডুবু খেতে দেখা গেছে।এছাড়াও বর্তমান ডক্টর ইউনুসের সরকার পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দূর্নীতিবাজের সরকার। কেননা- এই সরকারের চীফ অফ ষ্ট্যাফ ডক্টর ইউনুস শিশুকাল, বাল্যকাল, তরুনকাল হতে এই পর্যন্ত সারা জীবনকাল ধরেই দূর্নীতি করে চলছে। এমনকি তার নামের পরিচিতির সাথে নোবেল লড়িয়েট খেতাবের নোবেল পুরষ্কারের পুরোটা তার নয়। ২০০৬ ইং সালে তাকে নোবেল পুরষ্কারের অর্ধেক পুরষ্কার দেওয়া হয়েছিল। দূর্নীতি করে সে বাংলাদেশে পুরো পুরষ্কারের মালিক দেখাচ্ছে। তাই সেই বিজ্ঞ দূর্নীতিবাজ সরকারের চীফ অফ ষ্ট্যাফের নখ-দর্পনের সামনের থেকে ভূয়া আন্দোলনের নামে ভোলা-বরিশাল সড়কে ব্রীজ নির্মানের নামে টাকা বরাদ্ধ এনে সাবেক এমপি জ্যাকবের মত চরফ্যাসনের কচ্চপিয়া-কুকরী ব্রীজ করার নামে টাকা মেরে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ভোলা-বরিশাল সড়কে কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীর উপর ব্রীজ নির্মানের আন্দোলনকারীদেরকে ছহি নিয়্যতের আন্দোলনকারী হতে হবে। খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে যে, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দাবিতে ভোলার চরফ্যাশনে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ায় ঢাকায় পুলিশের ডিসি মাসুদ ভোলার আন্দোলনকারীদেকে আগুন, বুদ্ধিমান ও বেশি শক্তিশালী বলতে শোনা গেছে। গত রোববার (২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ইং) সকাল ১০টায় চরফ্যাশন সদর রোডে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আধুনিক সন্ধ্যাতারা ক্লাবের আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে আধুনিক সন্ধ্যা তারা ক্লাবের সভাপতি সালমান রহমান সোহেলের সভাপতিত্বে কিছু বক্তব্যও শোনা গেছে। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ঐ মানববন্ধনে দেখা গেছে। বক্তারা বলেন, ভোলা দেশের একমাত্র বিচ্ছিন্ন দ্বীপ জেলা, যেখানে প্রাকৃতিক গ্যাস, মৎস্য সম্পদ, কৃষি ও পর্যটন খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই ভোলা-বরিশাল সেতুর অভাবে এ সম্ভাবনাগুলো বাস্তবে রূপ পাচ্ছে না। বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় হতাশা বাড়ছে জনমনে। সম্প্রতি যোগাযোগ উপদেষ্টার “ভোলা-বরিশাল সেতু হচ্ছে না” মন্তব্য ঘিরে জেলাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের সুস্পষ্ট ঘোষণা না দিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মানববন্ধন শেষে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসনা শারমিন মিথির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও ঢাকাস্থ ভোলাইয়া নেতৃবৃন্দের আহ্বানে আন্দোলনের বিস্তারিত কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে চরফ্যাশনে মানববন্ধন।

Update Time : ০৫:৩৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ আবুল কাশেম, জেলা প্রতিনিধি,, দৈনিক সরকার, ভোলা : ঝড়বাদলে, রোগবাদলে মৃত্যূপূরী খ্যাত ভোলা জেলা বাংলাদেশের মূল ভূ-খন্ড হতে বিচ্ছিন্ন, পৃথক, রাষ্ট্রত্বহীন, বঞ্চিত, অবহেলিত, বৈষম্যযুক্ত, অসামাজিক, অনগ্রসর, পশ্চাতমুখী, অজ্ঞানতাযুক্ত ও সড়ক সংযোগবিহীন। তাই ভোলা জেলার মানুষ ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে ভোলা সদরে, বোরহানউদ্দিন সদরে ও চরফ্যাশন সদরে মানববন্ধন করেছে। ভোলার এক এক উপজেলায় এক এক সংগঠনের ব্যানারে সমগ্র ভোলা জেলার অনৈক্যবদ্ধ জনগোষ্ঠির নেতৃত্বে আমরা ভোলাবাসী নামক একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের ঢাকাস্থ নেতৃবৃন্দের ডাকে ভোলা-বরিশাল সড়ক পথের কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীর উপর ব্রীজ নির্মানের দাবীতে ভোলা জেলায় উক্ত মানববন্ধন হয়েছে বলে ধারণা করা যায়। জনগোষ্ঠির দিক থেকে বর্তমান প্রায় ত্রিশ লক্ষ লোকের ভারে ন্যূজ এই বিচ্ছিন্ন, পৃথক, রাষ্ট্রত্বহীন, বঞ্চিত, অবহেলিত, বৈষম্যযুক্ত, অসামাজিক, অনগ্রসর, পশ্চাতমুখী, অজ্ঞানতাযুক্ত ও সড়ক সংযোগবিহীন ভোলা জেলা। কিন্তু উক্ত মানববন্ধনের কোন বক্তাই ভোলা জেলার ঐ জনগোষ্ঠিকে ত্রিশ লক্ষ বলতে শোনা যায় নাই। নব্বইয়ের দশকের প্রথমদিকে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রকাশনায় ও ম্যাগাজিনে দাবী করা হয়েছিল ভোলা জেলার জনসংখ্যা ২৩ লক্ষ। অধুনা, ভোলা-বরিশাল সড়কে কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীর উপর ব্রীজের দাবীতে জলে ও স্থলে এমনকি রাজধানী ঢাকার রাজপথের আন্দোলনে নেমে পড়া কোন বক্তাকেই ভোলা জেলার জনসংখ্যা বিশ-বাইশ লাখের বেশি বলতে শোনা যায় নাই। মানববন্ধনগুলোতে লোকসংখ্যার এই ব্যবধানযুক্ত বক্তব্য প্রদানকারী নেতাদের নেতৃত্বের কারনে ভোলা-বরিশাল সড়কে কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীর উপর ব্রীজের দাবী নিয়ে সরকারী উচ্চ প্রফাইলবিদগন ধারনা করছেন যে, উক্ত ব্রীজের নামে কোন বরাদ্ধ দিলেই সেই বরাদ্ধের সরকারি অর্থ-সম্পদ তছরূপ হবে। আর নেতাদের এই ধরনের হিসাব-নিকাশ ও ইতিহাসহীন বক্তব্য দ্বারা আরো ধারণা করা হচ্ছে যে, “আমরা ভোলাবাসী” সংগঠনের নামে যারা ব্রীজ দাবী করে তারা কেউ-ই ভোলা জেলার বাসিন্দা নয়। কেননা- তারা একটি সড়কে ব্রীজ নির্মানের দাবীতে গড়ে তোলা আন্দোলনের সাথে আরো চারটি দাবীর আন্দোলন যুক্ত করে মোট পাঁচটি দাবী নিয়ে এসেছে। তাই ভোলা-বরিশাল সড়কে ব্রীজের দাবীর আন্দোলনটি আন্দোলনকারীদের দ্বারাই ভন্ডুল। এছাড়াও যারা মানববন্ধনে ভোলা-বরিশাল সড়কে ব্রীজের দাবীতে সোচ্চার বক্তব্য দিতে দেখা গেছে তারা ভোলা জেলায় প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের উচ্ছিষ্ট ও বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। তারা একবার ১৯৭১ ইং সালের আগে বাংলাদেশ অঞ্চলের ক্ষমতাসীন ছিল। ১৯৭১ ইং সালের পরেও বাংলাদেশ অঞ্চলের ক্ষমতাসীন ছিল। দুই মেজর জেনারেল এর শাসন আমলেও ক্ষমতাসীন ছিল। আরো চৌদ্দ পনের প্রকারের সরকারের আমলেও বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন ছিল। কিন্তু ক্ষমতাসীন থাকাকালে কেন ঐ সড়কে ব্রীজ নির্মান করে থাকে নাই এমন প্রশ্নেও নেতাদেরকে হাবুডুবু খেতে দেখা গেছে।এছাড়াও বর্তমান ডক্টর ইউনুসের সরকার পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দূর্নীতিবাজের সরকার। কেননা- এই সরকারের চীফ অফ ষ্ট্যাফ ডক্টর ইউনুস শিশুকাল, বাল্যকাল, তরুনকাল হতে এই পর্যন্ত সারা জীবনকাল ধরেই দূর্নীতি করে চলছে। এমনকি তার নামের পরিচিতির সাথে নোবেল লড়িয়েট খেতাবের নোবেল পুরষ্কারের পুরোটা তার নয়। ২০০৬ ইং সালে তাকে নোবেল পুরষ্কারের অর্ধেক পুরষ্কার দেওয়া হয়েছিল। দূর্নীতি করে সে বাংলাদেশে পুরো পুরষ্কারের মালিক দেখাচ্ছে। তাই সেই বিজ্ঞ দূর্নীতিবাজ সরকারের চীফ অফ ষ্ট্যাফের নখ-দর্পনের সামনের থেকে ভূয়া আন্দোলনের নামে ভোলা-বরিশাল সড়কে ব্রীজ নির্মানের নামে টাকা বরাদ্ধ এনে সাবেক এমপি জ্যাকবের মত চরফ্যাসনের কচ্চপিয়া-কুকরী ব্রীজ করার নামে টাকা মেরে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ভোলা-বরিশাল সড়কে কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীর উপর ব্রীজ নির্মানের আন্দোলনকারীদেরকে ছহি নিয়্যতের আন্দোলনকারী হতে হবে। খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে যে, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দাবিতে ভোলার চরফ্যাশনে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ায় ঢাকায় পুলিশের ডিসি মাসুদ ভোলার আন্দোলনকারীদেকে আগুন, বুদ্ধিমান ও বেশি শক্তিশালী বলতে শোনা গেছে। গত রোববার (২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ইং) সকাল ১০টায় চরফ্যাশন সদর রোডে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আধুনিক সন্ধ্যাতারা ক্লাবের আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে আধুনিক সন্ধ্যা তারা ক্লাবের সভাপতি সালমান রহমান সোহেলের সভাপতিত্বে কিছু বক্তব্যও শোনা গেছে। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ঐ মানববন্ধনে দেখা গেছে। বক্তারা বলেন, ভোলা দেশের একমাত্র বিচ্ছিন্ন দ্বীপ জেলা, যেখানে প্রাকৃতিক গ্যাস, মৎস্য সম্পদ, কৃষি ও পর্যটন খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই ভোলা-বরিশাল সেতুর অভাবে এ সম্ভাবনাগুলো বাস্তবে রূপ পাচ্ছে না। বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় হতাশা বাড়ছে জনমনে। সম্প্রতি যোগাযোগ উপদেষ্টার “ভোলা-বরিশাল সেতু হচ্ছে না” মন্তব্য ঘিরে জেলাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের সুস্পষ্ট ঘোষণা না দিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মানববন্ধন শেষে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসনা শারমিন মিথির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও ঢাকাস্থ ভোলাইয়া নেতৃবৃন্দের আহ্বানে আন্দোলনের বিস্তারিত কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে।