০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

চন্দ্রায় অটোরিকশা ও সিএনজি আটক করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

মতামত
  • Update Time : ০১:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • / ২৭১ Time View

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় অটোরিকশা ও সিএনজি চালকদের আটক করে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু দালাল ও সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ সদস্যের যোগসাজশে নিয়মিত এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চন্দ্রা এলাকায় নিয়মিতভাবে অটোরিকশা ও সিএনজি আটকানো হয় এবং মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়। তবে এই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না হয়ে একটি অসাধু চক্রের মাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবে ভাগবাটোয়ারা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, এই ঘটনায় পুলিশের এক সদস্য মনিরুজ্জামান সরাসরি জড়িত। তিনি দালালদের মাধ্যমে চালকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—একটি দৈনিক পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধির মোবাইল ফোনে অর্থ লেনদেনের ছবি ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু পরে সেই ছবি পুলিশ সদস্য মনিরুজ্জামান মোবাইল থেকে মুছে ফেলেন বলে অভিযোগ উঠেছে, যা ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং অবৈধ অর্থ আদায় বন্ধ করা হোক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। ✍️

মো: জাহিদ হাসান গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

চন্দ্রায় অটোরিকশা ও সিএনজি আটক করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

Update Time : ০১:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় অটোরিকশা ও সিএনজি চালকদের আটক করে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু দালাল ও সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ সদস্যের যোগসাজশে নিয়মিত এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চন্দ্রা এলাকায় নিয়মিতভাবে অটোরিকশা ও সিএনজি আটকানো হয় এবং মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়। তবে এই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না হয়ে একটি অসাধু চক্রের মাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবে ভাগবাটোয়ারা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, এই ঘটনায় পুলিশের এক সদস্য মনিরুজ্জামান সরাসরি জড়িত। তিনি দালালদের মাধ্যমে চালকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—একটি দৈনিক পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধির মোবাইল ফোনে অর্থ লেনদেনের ছবি ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু পরে সেই ছবি পুলিশ সদস্য মনিরুজ্জামান মোবাইল থেকে মুছে ফেলেন বলে অভিযোগ উঠেছে, যা ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং অবৈধ অর্থ আদায় বন্ধ করা হোক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। ✍️

মো: জাহিদ হাসান গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী