০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

রাজশাহীতে বিচারকের ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৯২ Time View
রাজশাহী স্টাফ রিপোর্টার: মো: আতিকুর রহমান :
রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান (সুমন)-কে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের ডাবতলা এলাকায় বিচারকের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার গুরুতর আহত হন। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়েছে বলে হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় ইমন নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তার বাড়ি গাইবান্ধায়। তিনি ভবনে প্রবেশের সময় নিজেকে “বিচারকের ভাই” পরিচয় দেন এবং দারোয়ানের খাতায় নিজের নাম লেখেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান জানান, আটক ব্যক্তির পকেট থেকে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তার সঙ্গে পরিবারের পূর্ববিরোধ থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

রাজশাহীতে বিচারকের ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

Update Time : ০৪:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
রাজশাহী স্টাফ রিপোর্টার: মো: আতিকুর রহমান :
রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান (সুমন)-কে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের ডাবতলা এলাকায় বিচারকের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার গুরুতর আহত হন। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়েছে বলে হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় ইমন নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তার বাড়ি গাইবান্ধায়। তিনি ভবনে প্রবেশের সময় নিজেকে “বিচারকের ভাই” পরিচয় দেন এবং দারোয়ানের খাতায় নিজের নাম লেখেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান জানান, আটক ব্যক্তির পকেট থেকে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তার সঙ্গে পরিবারের পূর্ববিরোধ থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।