১১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

মুনাফিকদের ধোঁকাবাজি থেকে সতর্ক থাকা কারবালার অন্যতম শিক্ষা  : হাবিবুল্লাহ মিয়াজী

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • Update Time : ০২:৩৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / ২৭ Time View


বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেছেন, কারবালায় হযরত হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহুর শাহাদাত ইতিহাসের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহু অসংখ্য পত্রের মাধ্যমে কুফাবাসীর প্রেরিত আহবানে সাড়া দিয়ে মক্কা থেকে কুফা অভিমূখে রওয়ানা হয়েছিলেন। কিন্তু কুফাবাসী তাঁর সাথে চরমভাবে মুনাফিকি করেছিল। যার ফলশ্রুতিতে তাঁকে মর্মান্তিকভাবে শাহাদাতবরণ করতে হয়। অতএব কারবালার ঘটনার অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে মুনাফিকদের ধোঁকাবাজি থেকে সতর্ক থাকতে হবে। ইসলামের লেবাসে সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনাকারী, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের বিপরীত আকীদা লালনকারী, ইসলামী আইনশাস্ত্র তথা ফিকহবিরোধীদের মুনাফিকি সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে ও জাতিকে তাদের ব্যাপারে সতর্ক করতে হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন ২০২৬) বিকাল ৩ টায় রাজধানীর লালবাগ কেল্লার মোড়স্থ খেলাফত মিলনায়তনে   বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ঢাকা মহানগর আয়োজিত ‘আশুরার তাৎপর্য ও ইতিহাসের আলোকে কারবালা’ শীর্ষক সেমিনারে  প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর আমীর মাওলানা মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠিত সীরাত সম্মেলনে  প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী, নায়েব আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, প্রচার সম্পাদক  মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর নায়েবে আমীর মুফতী আখতারুজ্জামান আশরাফী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি মোফাচ্ছির হোসাইন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতী রুহুল আমীন প্রমূখ।৷

সেমিনার সঞ্চালনা করেন মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী আবুল হাসান কাসেমী এবং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসাইন।

সেমিনারে মাওলানা সাইদুর রহমান বলেন, মুহাররমের দশ তারিখ ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনার কারণে গুরুত্বপূর্ণ। পারিভাষিকভাবে আশুরা নামে পরিচিত এই দিনে রোজা রাখলে আল্লাহ তা’আলা রোজাদারের বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেন। এই দিনের অন্যতম ঐতিহাসিক ঘটনা হচ্ছে কারবালার ময়দানে হযরত হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহুর শাহাদাত। তাঁর শাহাদাতের ঘটনায় মুহাররমের দশ তারিখে কৃত্রিম শোক পালন করা, হাহুতাশ করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বরং ইসলামের জন্য, সত্যের জন্য, সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম শাহাদাতবরণ করেছেন। স্বয়ং  মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাহাদাতের জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করতেন। অতএব হুসাইন রাদিআল্লাহুসহ শাহাদাতবরণকারী অসংখ্য সাহাবায়ে কেরামের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে শাহাদাতের চেতনায় অত্যাচারী জালেমদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই হবে আমাদের উপযুক্ত কর্তব্য।

মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী বলেন, হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহু যেমন অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন তেমনি হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. অত্যাচারী, দূর্নীতিবাজ ও ইসলামবিরোধীদের শাসনক্ষমতায় পাঠানোর পরিবর্তে আল্লাহওয়ালা লোকদের শাসনক্ষমতায় বসানোর জন্য তওবার রাজনীতির ডাক দিয়েছিলেন।  ভোট দিয়ে আমরা যাদেরকে ক্ষমতায় বসাই তারা ক্ষমতায় গিয়ে যখন দূর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও ইসলামবিরোধী কাজ করে তখন তাদের সেই পাপের দায়ভার ভোটদাতার উপরেও বর্তায়। অতএব ভোট দিয়ে যে পাপ করা হয়েছে সৎ ও আল্লাহওয়ালা লোকদেরকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসানোই হবে সেই পাপের তওবা। এটাই ছিল হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ.-এর তওবার রাজনীতির মূলকথা। হাফেজ্জী হুজুরের এই রাজনীতির হযরত হুসাইন রাদিআল্লাহুর সংগ্রাম থেকেও অনুপ্রেরণা পেয়েছে। তিনি হাফেজ্জী হুজুরের তওবার রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, ইয়াজিদ যেমন মুসলমান হয়েও অত্যাচারী শাসক ছিল ঠিক তেমনি আমাদের দেশে মুসলমান নাম ধারণ করেও সরকারের বিভিন্ন ব্যক্তিরা কাফের-মুশরিকদের স্বার্থ রক্ষা করে চলছেন। মূর্তি থাকার কথা মন্দিরের ভিতরে কিন্তু প্রকাশ্য রাস্তায় বিশালাকারে মূর্তি নির্মাণ করা হলেও তাতে তেমন বাধা দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ এক মামলায় সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা শুরুর দিকের আসামী হলেও তারা বেকসুর খালাস পেয়ে গেছেন কিন্তু মৃত্যূদণ্ড দেওয়া হয়েছে একজন হাফেজে কুরআনকে। ইসলামবিরোধী এসব অপতৎপরতা বন্ধ না হলে হুসাইনী চেতনায় ধর্মপ্রাণ জনতা রুখে দাঁড়াবে ইনশাআল্লাহ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মাহবুবুর রহমান বলেন, কারবালার অন্যতম শিক্ষা হলো বাতিলের সামনে, মিথ্যার সামনে মাথা নত না করা, হক্ব ও হক্কানিয়্যাতকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য, হক্বকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রয়োজনে নিজেকে লুটিয়ে দেওয়া। শুধুমাত্র এই শিক্ষাকে যদি আমরা ধারণ করতে পারি যে, নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও সত্যের পতাকাকে অবনমিত হতে দিব না, সত্যকে পরাজিত হতে দিব না, বাতিলের সাথে আপোস করব না, বাতিলকে প্রশ্রয় দিব না এবং বাতিলের সংস্পর্শেও যাব না তাহলেই হয়তো আমাদের সেমিনার তাৎপর্যপূর্ণ ও সাফল্যমণ্ডিত হবে।
তিনি বলেন, অন্যায়কে সহ্য করা, পাপাচারকে পরিহার না করে তাতে মগ্ন হওয়া কিংবা দূর থেকে তা উপভোগ করা হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী ঐ পাপাচারে লিপ্ত হওয়ার মতোই।  কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, মুসলিম যুবকরা আজ অর্থহীন খেলাধুলায় বুঁদ হয়ে আছে। খেলাধুলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফরজ বিধানের লংঘন হয় যে খেলায় সেই খেলার নেশায় বুঁদ হয়ে আছে যুবসমাজ। যুবসমাজকে এই অধ:পতন থেকে ফিরিয়ে উম্মাহর কল্যাণে নিয়োজিত করানোর কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে আমাদেরকে।
(সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

মুনাফিকদের ধোঁকাবাজি থেকে সতর্ক থাকা কারবালার অন্যতম শিক্ষা  : হাবিবুল্লাহ মিয়াজী

Update Time : ০২:৩৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬


বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেছেন, কারবালায় হযরত হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহুর শাহাদাত ইতিহাসের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহু অসংখ্য পত্রের মাধ্যমে কুফাবাসীর প্রেরিত আহবানে সাড়া দিয়ে মক্কা থেকে কুফা অভিমূখে রওয়ানা হয়েছিলেন। কিন্তু কুফাবাসী তাঁর সাথে চরমভাবে মুনাফিকি করেছিল। যার ফলশ্রুতিতে তাঁকে মর্মান্তিকভাবে শাহাদাতবরণ করতে হয়। অতএব কারবালার ঘটনার অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে মুনাফিকদের ধোঁকাবাজি থেকে সতর্ক থাকতে হবে। ইসলামের লেবাসে সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনাকারী, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের বিপরীত আকীদা লালনকারী, ইসলামী আইনশাস্ত্র তথা ফিকহবিরোধীদের মুনাফিকি সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে ও জাতিকে তাদের ব্যাপারে সতর্ক করতে হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন ২০২৬) বিকাল ৩ টায় রাজধানীর লালবাগ কেল্লার মোড়স্থ খেলাফত মিলনায়তনে   বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ঢাকা মহানগর আয়োজিত ‘আশুরার তাৎপর্য ও ইতিহাসের আলোকে কারবালা’ শীর্ষক সেমিনারে  প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর আমীর মাওলানা মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠিত সীরাত সম্মেলনে  প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী, নায়েব আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, প্রচার সম্পাদক  মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর নায়েবে আমীর মুফতী আখতারুজ্জামান আশরাফী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি মোফাচ্ছির হোসাইন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতী রুহুল আমীন প্রমূখ।৷

সেমিনার সঞ্চালনা করেন মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী আবুল হাসান কাসেমী এবং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসাইন।

সেমিনারে মাওলানা সাইদুর রহমান বলেন, মুহাররমের দশ তারিখ ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনার কারণে গুরুত্বপূর্ণ। পারিভাষিকভাবে আশুরা নামে পরিচিত এই দিনে রোজা রাখলে আল্লাহ তা’আলা রোজাদারের বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেন। এই দিনের অন্যতম ঐতিহাসিক ঘটনা হচ্ছে কারবালার ময়দানে হযরত হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহুর শাহাদাত। তাঁর শাহাদাতের ঘটনায় মুহাররমের দশ তারিখে কৃত্রিম শোক পালন করা, হাহুতাশ করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বরং ইসলামের জন্য, সত্যের জন্য, সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম শাহাদাতবরণ করেছেন। স্বয়ং  মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাহাদাতের জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করতেন। অতএব হুসাইন রাদিআল্লাহুসহ শাহাদাতবরণকারী অসংখ্য সাহাবায়ে কেরামের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে শাহাদাতের চেতনায় অত্যাচারী জালেমদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই হবে আমাদের উপযুক্ত কর্তব্য।

মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী বলেন, হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহু যেমন অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন তেমনি হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. অত্যাচারী, দূর্নীতিবাজ ও ইসলামবিরোধীদের শাসনক্ষমতায় পাঠানোর পরিবর্তে আল্লাহওয়ালা লোকদের শাসনক্ষমতায় বসানোর জন্য তওবার রাজনীতির ডাক দিয়েছিলেন।  ভোট দিয়ে আমরা যাদেরকে ক্ষমতায় বসাই তারা ক্ষমতায় গিয়ে যখন দূর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও ইসলামবিরোধী কাজ করে তখন তাদের সেই পাপের দায়ভার ভোটদাতার উপরেও বর্তায়। অতএব ভোট দিয়ে যে পাপ করা হয়েছে সৎ ও আল্লাহওয়ালা লোকদেরকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসানোই হবে সেই পাপের তওবা। এটাই ছিল হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ.-এর তওবার রাজনীতির মূলকথা। হাফেজ্জী হুজুরের এই রাজনীতির হযরত হুসাইন রাদিআল্লাহুর সংগ্রাম থেকেও অনুপ্রেরণা পেয়েছে। তিনি হাফেজ্জী হুজুরের তওবার রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, ইয়াজিদ যেমন মুসলমান হয়েও অত্যাচারী শাসক ছিল ঠিক তেমনি আমাদের দেশে মুসলমান নাম ধারণ করেও সরকারের বিভিন্ন ব্যক্তিরা কাফের-মুশরিকদের স্বার্থ রক্ষা করে চলছেন। মূর্তি থাকার কথা মন্দিরের ভিতরে কিন্তু প্রকাশ্য রাস্তায় বিশালাকারে মূর্তি নির্মাণ করা হলেও তাতে তেমন বাধা দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ এক মামলায় সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা শুরুর দিকের আসামী হলেও তারা বেকসুর খালাস পেয়ে গেছেন কিন্তু মৃত্যূদণ্ড দেওয়া হয়েছে একজন হাফেজে কুরআনকে। ইসলামবিরোধী এসব অপতৎপরতা বন্ধ না হলে হুসাইনী চেতনায় ধর্মপ্রাণ জনতা রুখে দাঁড়াবে ইনশাআল্লাহ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মাহবুবুর রহমান বলেন, কারবালার অন্যতম শিক্ষা হলো বাতিলের সামনে, মিথ্যার সামনে মাথা নত না করা, হক্ব ও হক্কানিয়্যাতকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য, হক্বকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রয়োজনে নিজেকে লুটিয়ে দেওয়া। শুধুমাত্র এই শিক্ষাকে যদি আমরা ধারণ করতে পারি যে, নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও সত্যের পতাকাকে অবনমিত হতে দিব না, সত্যকে পরাজিত হতে দিব না, বাতিলের সাথে আপোস করব না, বাতিলকে প্রশ্রয় দিব না এবং বাতিলের সংস্পর্শেও যাব না তাহলেই হয়তো আমাদের সেমিনার তাৎপর্যপূর্ণ ও সাফল্যমণ্ডিত হবে।
তিনি বলেন, অন্যায়কে সহ্য করা, পাপাচারকে পরিহার না করে তাতে মগ্ন হওয়া কিংবা দূর থেকে তা উপভোগ করা হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী ঐ পাপাচারে লিপ্ত হওয়ার মতোই।  কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, মুসলিম যুবকরা আজ অর্থহীন খেলাধুলায় বুঁদ হয়ে আছে। খেলাধুলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফরজ বিধানের লংঘন হয় যে খেলায় সেই খেলার নেশায় বুঁদ হয়ে আছে যুবসমাজ। যুবসমাজকে এই অধ:পতন থেকে ফিরিয়ে উম্মাহর কল্যাণে নিয়োজিত করানোর কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে আমাদেরকে।
(সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)