১০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলার রহিমা ইসলাম কলেজের এমপিও ভূক্তি বাতিলেরও শীর্ষে

মোঃ আবুল কাশেম
  • Update Time : ০১:২৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • / ২২ Time View
বিশেষ প্রতিনিধি : অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম এমপি কত সালে জন্ম গ্রহন করেছে কথা বলার সাথে সাথেই ভোলা জেলার পশ্চিমের তেঁতুলিয়া নদী পাড়ি দিয়ে শাহবাজ পুরের বাসিন্দা হওয়া প্রায় আশি-নব্বই বছরের এক বয়বৃদ্ধ ব্যক্তি বলে উঠল যে, ১৯৪৩ ইং সালের ১৭ই অক্টোবর তারিখে জন্ম নেয়া নজরুল ১৯৫৮ ইং সালের দিকে দৈহিক যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য ভোলা মহকুমা হতে পটুয়াখালীর পতিতালয়ে যাওয়া-আসা শুরু করে। এক পর্যায়ে পটুয়াখালী পতিতালয়ের রক্ষিতা ও পতিতা এক মেয়ে রহিমার সাথে নিয়মিত যৌন মেলামেশায় ধরা পড়ে। ফলে সে রহিমাকে নিয়ে ভোলায় চলে আসে এবং বর্তমান লালমোহনের লর্ড হার্ডিঞ্জ বাজার এলাকার চাভদপুরের বাড়িতে ওঠে। সেখানে তেমনভাবে উপস্থিত থাকতে না পেরে চরফ্যাসন এলাকায় আশ্রয় নিয়ে লজিং টিউশনি করে ঐ নজরুল। চরফ্যাসন উপজেলা সদরের টিনের ঘরে-  খুলে বসা স্কুলে প্রধান শিক্ষক হওয়ার জন্য ঊনবিংশ শতাব্দির সত্তর দশকে আরেকজন আবেদনকারী প্রধান শিক্ষক আরব আলী মাষ্টারকে কে খুন করার পরিকল্পনা মোতাবেক- এক পৌষ মাসের এক দিনের ভোর বেলায় ঐ লুইচ্ছা  নজরুল তার সঙ্গীয় খুনীদেরকে নিয়ে আরব আলী মাষ্টারকে আক্রমন করে। লুইচ্ছামিত দক্ষতা থাকার কারনে ঐ নজরুল খুনের মরীচিকা দিয়ে প্রতিপক্ষ ও হবু হেড মাষ্টার আরব আআলীকে কাবু করে অর্থাৎ, খুন না করেই সরিয়ে দিয়ে খুনী ও ধর্ষক নজরুল নিজে হেড মাষ্টার বনে যায়। পটুয়াখালী পতিতালয়ের ধরা খাওয়া- লুইচ্চামির মানিক জোড় রহিমা-নজরুল বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৩০২ ধারার অপরাধ করেও খুন চেষ্টাকারী ও ধর্ষক নজরুল চরফ্যাসন টিবি স্কুলের হেডমাষ্টার হয়। পরবর্তীতে একই ধরনে পাপাচারী ও আইন বিরোধী কাজকর্ম করে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। কলেজের হেড মাষ্টার বা অধ্যক্ষ হয়। এলাকায় এলাকায় হিন্দু নিধনে মহোৎসব ও জোড়ালো ভূমিকা পালনের জন্য ঐ নজরুল নিজেকে নজরুল ইসলাম নামে বেশী বেশি প্রচার করে এবং নামের সাথে ইসলাম শব্দটি প্রচার করে জীবনের যাবতীয় অকাম-কুকাম ঢেকে ফেলার জন্য আরো অনেক কিছু করনঅন্তে  ১৯৯২ ইং সালে ১৭ই সেপ্টেম্বরে মৃত্যূবরণ করে। উক্ত ষন্ডা-গুন্ডা ও লুইচ্ছা নজরুল এর অভিন্ন চরিত্রের জ্যেষ্ঠ পুত্র জ্যাকবও ২০০৮ ইং সালে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী সরকার দেখা দিলে, নিজ নামকে “আব্দুল্যাহ আল ইসলাম” নামক কতিপয় শব্দের শান্ এর লাগান্ দিয়ে জ্যাকব নামক শব্দটিকে “আব্দুল্যাহ আল ইসলাম জ্যাবক” শব্দক্ষরনে শানিত করন অন্তে চরফ্যাসন মনপুরা উপজেলায় ব্যাপক ফ্যাসিবাদ কায়েম করে। দেহ ব্যবসা, যৌন ব্যবসা, পতিতার ব্যবসা, ইয়াবার ব্যবসা ও মাদকের ব্যবসা করার জন্য ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার শশীভূষণে ঐ পতিতা, রক্ষিতা ও দেহপসারিনী রহিমার নামে- ” বেগম রহিমা ইসলাম কলেজ” নামে একটি নামকাওয়াস্তের কলেজ খুলে বসে। ঐ কলেজের নিয়োগ বানিজ্যের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। আরো মাগিবাজেরাও ঐ নিয়োগ বাণিজ্যে যোগ দিয়ে চরফ্যাসনের দক্ষিনাঞ্চলের গোপন পতিতাবৃত্তির দেহ  ব্যবসাকে চাঙ্গা করার জন্য ঐ কলেজের শিক্ষকের ভূমিকা নেয়। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে শুধু সরকারি খোলা তারিখের দিনের বেলায় ঐ কলেজ নামে পতিতার ব্যবসাটি খোলা থাকত এবং দিন ও রাতের অন্য সকল সময় স্থানীয় শশীভূষণ থানা পুলিশের ও অন্য এলাকা হতে আগত পুলিশের সহায়তায় পতিতাবৃত্তি চলত। যা বেগম রহিমা ইসলাম কলেজ নামের আড়ালে এখনো চলতে শুনা যায়। ২০১৯ ইং সালে উক্ত কলেজের এমপিও ভূক্তি পেলেও ঐ কলেজে শিক্ষার মান বলতে কিছুই নাই। ঐ কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে যোগাযোগ করে যা জানা গেছে, তার-চেয়েও বেশি জানা গেছে কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের ফেইসবুক আইডি থেকে। ফেইস বুক আইডির লেখালেখি দেখে জানা গেছে যে, তারা এখনো ভালো একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীরও নীচের ক্লাশের পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী প্রকৃতির। তারা কখনো মানুষ বলতে যা বোঝায় তা হতে পারবে না। সম্প্রতি ঢাকার শিক্ষা ভবন সূত্রে জানা গেছে যে, বিগত ফ্যাসিবাদী শক্তি ব্যবহার করে গড়ে ওঠা ঐ পতিতা, দেহব্যবসায়ী, রক্ষিতা ও দেহপসারিনী রহিমার নামে গড়ে ওঠা ঐ কলেজের এমপিও ভূক্তি বাতিল হবে। ঐ কলেজটির নামকরনের ক্ষেত্রে যথাযত আইন-কানুন পালন করা হয় নাই। ভূমি সংগ্রহের ক্ষেত্রে ভূমি আইন মান্য করা হয় নাই। ভবন নির্মানের অনুমোদনের ক্ষেত্রে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের সকল নিয়ম-কানুন অমান্য রয়েছে। ভবন নির্মানের টেন্ডারিং এর ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় আইনের সাথে চরম দুশমনী নিয়ম পালিত হয়েছে। কলেজ ভবনের কন্সট্রাকশনে মাস্তানী ঠিকাদারীত্বের আশ্রয় গ্রহন করা হয়েছে। রাষ্ট্র সরকারের বিধি মোতাবেক টেন্ডারিং-এ কাউকেই অংশ গ্রহণ করতে দেওয়া হয় নাই। নির্মানের সময়ও চরম ও জঘন্য দূর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ করা হয়েছে। ঐ কলেজ ভবন নির্মানে প্রদত্ত রডের এক পিস রডেও লোহার রড নির্মানের সঠিক ইনগ্রেডিয়েন্ট ব্যবহার করা হয় নাই। আরো দূর্নীতি করার জন্য যথোপযুক্ত ক্লিংকারের অসংমিশ্রিত সিমেন্টকে লোকাল বালির সাথে মিস্রিত করা বালি-সিমেন্টের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়েছে। এমন কি এক পিস ইটও কয়লার পোড়ানো ব্রীক ফিল্ডের থেকে ক্রয় করে ইটের গাঁথুনী দেয় নাই। শুধু তা-ই নয়, গাঁথুনী দেওয়া ইটগুলোর একপিস ইটও কোন বৈধ ব্রিক ফিল্ডের উৎপাদিত নয়। সর্বশেয় আরো জানা গেছে যে, কলেজ ভবন নির্মিতব্যকালে দুই টাকা পঞ্চাশ পয়সা দামের প্রতি পিস ইটের দাম বাড়িয়ে রাষ্ট্রের নিকট হতে দশ টাকা দাম ধরে সরকারী টাকা আদায় করে নেওয়া হয়েছে। যা- চুরি চুরি মহাচুরি, দূর্নীতি দূর্নীতি মহাদূনীতি নীতির আশ্রয়ে- চরফ্যাসন উপজেলা প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন অফিসারকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইয়াবা ট্যাবলেট খাইয়ে দিয়ে- তাকে দেহ সৌষ্ঠব নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীর কামোদ্দীপক যৌনোদ্ধিপ্ত দেহের উপর চড়িয়ে যৌন বাসনা চলন্ত মুহূর্তে, কলেজ ভবন নির্মান প্রজেক্ট ফাইলে স্বাক্ষর নিয়ে কলেজ ভবন নির্মান সম্পন্ন করা হয়েছে বলে- খুব সংক্ষেপেই অনুমান করা যায়। কলেজ ভবনে কলেজ স্থাপনের তারিখ ও সাল লিখনের ক্ষেত্রে চরম অসত্য ও মিথ্যা তথ্য স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে চরম ঘুষ বাণিজ্য হয়েছে। কলেজ ষ্ট্যাফ নিয়োগের ক্ষেত্রে চরম পাপ-পঙ্কিলতার সংযোজন করা হয়েছে। কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সংগ্রহ ও ভর্তির ক্ষেত্রে চরম অরাজকতা নৈরাজ্য, বেলেল্লাপনা, ব্যবিচার, মানব শিষ্টাচার বহির্ভূত রীতি-নীতির সকল কিছুকেই গ্রহন করা হয়েছে। বর্তমানে উক্ত কলেজে দিবানিশি মাদকশালা, পানশালা, ইয়াবাশালা, নারীবারশালা চলছে। সৌদি আরবের দেহ ব্যবসার স্পা সেন্টারের মত ঐ কলেজের নারী-তরুনী-যুবতি ছাত্রীরা ঐ কলেজে ও বাহিরে দেহ ব্যবসায়ীদের দিক-নির্দেশনা মোতাবেক ধর্ষিতা হয়ে ও ধর্ষিতা হতে বাধ্য হয়ে গর্ববতী হওয়ার কারনে প্রায়ই চরফ্যাসন উপজেলার আনাচে-কানাচে তরুনীরা নিজেদের দৈহিক গর্বদশা লুকাতে না পেরে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবীতে অনশনে মেতে ওঠে। প্রেমের কারনের কথা বলে বিয়ের দাবীতে অনশনে মেতে ওঠা দু একটি খবর মাঝেমধ্যে দেশের বিভিন্ন গনমাধ্যমের খবরেও প্রকাশিত হতে দেখা যায়। ফেইসবুকের খবরে এই ধরনের ভূড়ি ভূড়ি তথ্য রয়েছে। এমতাবস্থায় ঐ কলেজটিকে সম্পূর্নরূপে বিলুপ্ত ও বাতিল করে দেশ ও জাতীকে বর্তমান চলমান পাপ-পঙ্কিলতা হতে রেহাই দেওয়া প্রয়োজন। ইতিমধ্যে ঐ কলেজে নয়া নিয়োগের ঘুষের বাণিজ্য চালু করে কেন্দ্রীয় সরকারের মোর্চাদেরকে বড় বড় টাকার বান্ডেল ঘুষ দিয়ে পুনরায় ঐ কলেজে নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীর দেহ ব্যবসার রমরমাভাব জাগ্রত করার তৎপরতা চালুর খবর পাওয়া গেছে। ছবিতে- প্রেমিক-প্রেমিকা কান্ডে ধরা খাওয়া, চরফ্যাসন উপজেলার দক্ষিনাঞ্চলে পতিতার নামে জাগ্রত ফ্যাসিবাদী কলেজ।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলার রহিমা ইসলাম কলেজের এমপিও ভূক্তি বাতিলেরও শীর্ষে

Update Time : ০১:২৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
বিশেষ প্রতিনিধি : অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম এমপি কত সালে জন্ম গ্রহন করেছে কথা বলার সাথে সাথেই ভোলা জেলার পশ্চিমের তেঁতুলিয়া নদী পাড়ি দিয়ে শাহবাজ পুরের বাসিন্দা হওয়া প্রায় আশি-নব্বই বছরের এক বয়বৃদ্ধ ব্যক্তি বলে উঠল যে, ১৯৪৩ ইং সালের ১৭ই অক্টোবর তারিখে জন্ম নেয়া নজরুল ১৯৫৮ ইং সালের দিকে দৈহিক যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য ভোলা মহকুমা হতে পটুয়াখালীর পতিতালয়ে যাওয়া-আসা শুরু করে। এক পর্যায়ে পটুয়াখালী পতিতালয়ের রক্ষিতা ও পতিতা এক মেয়ে রহিমার সাথে নিয়মিত যৌন মেলামেশায় ধরা পড়ে। ফলে সে রহিমাকে নিয়ে ভোলায় চলে আসে এবং বর্তমান লালমোহনের লর্ড হার্ডিঞ্জ বাজার এলাকার চাভদপুরের বাড়িতে ওঠে। সেখানে তেমনভাবে উপস্থিত থাকতে না পেরে চরফ্যাসন এলাকায় আশ্রয় নিয়ে লজিং টিউশনি করে ঐ নজরুল। চরফ্যাসন উপজেলা সদরের টিনের ঘরে-  খুলে বসা স্কুলে প্রধান শিক্ষক হওয়ার জন্য ঊনবিংশ শতাব্দির সত্তর দশকে আরেকজন আবেদনকারী প্রধান শিক্ষক আরব আলী মাষ্টারকে কে খুন করার পরিকল্পনা মোতাবেক- এক পৌষ মাসের এক দিনের ভোর বেলায় ঐ লুইচ্ছা  নজরুল তার সঙ্গীয় খুনীদেরকে নিয়ে আরব আলী মাষ্টারকে আক্রমন করে। লুইচ্ছামিত দক্ষতা থাকার কারনে ঐ নজরুল খুনের মরীচিকা দিয়ে প্রতিপক্ষ ও হবু হেড মাষ্টার আরব আআলীকে কাবু করে অর্থাৎ, খুন না করেই সরিয়ে দিয়ে খুনী ও ধর্ষক নজরুল নিজে হেড মাষ্টার বনে যায়। পটুয়াখালী পতিতালয়ের ধরা খাওয়া- লুইচ্চামির মানিক জোড় রহিমা-নজরুল বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৩০২ ধারার অপরাধ করেও খুন চেষ্টাকারী ও ধর্ষক নজরুল চরফ্যাসন টিবি স্কুলের হেডমাষ্টার হয়। পরবর্তীতে একই ধরনে পাপাচারী ও আইন বিরোধী কাজকর্ম করে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। কলেজের হেড মাষ্টার বা অধ্যক্ষ হয়। এলাকায় এলাকায় হিন্দু নিধনে মহোৎসব ও জোড়ালো ভূমিকা পালনের জন্য ঐ নজরুল নিজেকে নজরুল ইসলাম নামে বেশী বেশি প্রচার করে এবং নামের সাথে ইসলাম শব্দটি প্রচার করে জীবনের যাবতীয় অকাম-কুকাম ঢেকে ফেলার জন্য আরো অনেক কিছু করনঅন্তে  ১৯৯২ ইং সালে ১৭ই সেপ্টেম্বরে মৃত্যূবরণ করে। উক্ত ষন্ডা-গুন্ডা ও লুইচ্ছা নজরুল এর অভিন্ন চরিত্রের জ্যেষ্ঠ পুত্র জ্যাকবও ২০০৮ ইং সালে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী সরকার দেখা দিলে, নিজ নামকে “আব্দুল্যাহ আল ইসলাম” নামক কতিপয় শব্দের শান্ এর লাগান্ দিয়ে জ্যাকব নামক শব্দটিকে “আব্দুল্যাহ আল ইসলাম জ্যাবক” শব্দক্ষরনে শানিত করন অন্তে চরফ্যাসন মনপুরা উপজেলায় ব্যাপক ফ্যাসিবাদ কায়েম করে। দেহ ব্যবসা, যৌন ব্যবসা, পতিতার ব্যবসা, ইয়াবার ব্যবসা ও মাদকের ব্যবসা করার জন্য ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার শশীভূষণে ঐ পতিতা, রক্ষিতা ও দেহপসারিনী রহিমার নামে- ” বেগম রহিমা ইসলাম কলেজ” নামে একটি নামকাওয়াস্তের কলেজ খুলে বসে। ঐ কলেজের নিয়োগ বানিজ্যের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। আরো মাগিবাজেরাও ঐ নিয়োগ বাণিজ্যে যোগ দিয়ে চরফ্যাসনের দক্ষিনাঞ্চলের গোপন পতিতাবৃত্তির দেহ  ব্যবসাকে চাঙ্গা করার জন্য ঐ কলেজের শিক্ষকের ভূমিকা নেয়। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে শুধু সরকারি খোলা তারিখের দিনের বেলায় ঐ কলেজ নামে পতিতার ব্যবসাটি খোলা থাকত এবং দিন ও রাতের অন্য সকল সময় স্থানীয় শশীভূষণ থানা পুলিশের ও অন্য এলাকা হতে আগত পুলিশের সহায়তায় পতিতাবৃত্তি চলত। যা বেগম রহিমা ইসলাম কলেজ নামের আড়ালে এখনো চলতে শুনা যায়। ২০১৯ ইং সালে উক্ত কলেজের এমপিও ভূক্তি পেলেও ঐ কলেজে শিক্ষার মান বলতে কিছুই নাই। ঐ কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে যোগাযোগ করে যা জানা গেছে, তার-চেয়েও বেশি জানা গেছে কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের ফেইসবুক আইডি থেকে। ফেইস বুক আইডির লেখালেখি দেখে জানা গেছে যে, তারা এখনো ভালো একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীরও নীচের ক্লাশের পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী প্রকৃতির। তারা কখনো মানুষ বলতে যা বোঝায় তা হতে পারবে না। সম্প্রতি ঢাকার শিক্ষা ভবন সূত্রে জানা গেছে যে, বিগত ফ্যাসিবাদী শক্তি ব্যবহার করে গড়ে ওঠা ঐ পতিতা, দেহব্যবসায়ী, রক্ষিতা ও দেহপসারিনী রহিমার নামে গড়ে ওঠা ঐ কলেজের এমপিও ভূক্তি বাতিল হবে। ঐ কলেজটির নামকরনের ক্ষেত্রে যথাযত আইন-কানুন পালন করা হয় নাই। ভূমি সংগ্রহের ক্ষেত্রে ভূমি আইন মান্য করা হয় নাই। ভবন নির্মানের অনুমোদনের ক্ষেত্রে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের সকল নিয়ম-কানুন অমান্য রয়েছে। ভবন নির্মানের টেন্ডারিং এর ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় আইনের সাথে চরম দুশমনী নিয়ম পালিত হয়েছে। কলেজ ভবনের কন্সট্রাকশনে মাস্তানী ঠিকাদারীত্বের আশ্রয় গ্রহন করা হয়েছে। রাষ্ট্র সরকারের বিধি মোতাবেক টেন্ডারিং-এ কাউকেই অংশ গ্রহণ করতে দেওয়া হয় নাই। নির্মানের সময়ও চরম ও জঘন্য দূর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ করা হয়েছে। ঐ কলেজ ভবন নির্মানে প্রদত্ত রডের এক পিস রডেও লোহার রড নির্মানের সঠিক ইনগ্রেডিয়েন্ট ব্যবহার করা হয় নাই। আরো দূর্নীতি করার জন্য যথোপযুক্ত ক্লিংকারের অসংমিশ্রিত সিমেন্টকে লোকাল বালির সাথে মিস্রিত করা বালি-সিমেন্টের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়েছে। এমন কি এক পিস ইটও কয়লার পোড়ানো ব্রীক ফিল্ডের থেকে ক্রয় করে ইটের গাঁথুনী দেয় নাই। শুধু তা-ই নয়, গাঁথুনী দেওয়া ইটগুলোর একপিস ইটও কোন বৈধ ব্রিক ফিল্ডের উৎপাদিত নয়। সর্বশেয় আরো জানা গেছে যে, কলেজ ভবন নির্মিতব্যকালে দুই টাকা পঞ্চাশ পয়সা দামের প্রতি পিস ইটের দাম বাড়িয়ে রাষ্ট্রের নিকট হতে দশ টাকা দাম ধরে সরকারী টাকা আদায় করে নেওয়া হয়েছে। যা- চুরি চুরি মহাচুরি, দূর্নীতি দূর্নীতি মহাদূনীতি নীতির আশ্রয়ে- চরফ্যাসন উপজেলা প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন অফিসারকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইয়াবা ট্যাবলেট খাইয়ে দিয়ে- তাকে দেহ সৌষ্ঠব নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীর কামোদ্দীপক যৌনোদ্ধিপ্ত দেহের উপর চড়িয়ে যৌন বাসনা চলন্ত মুহূর্তে, কলেজ ভবন নির্মান প্রজেক্ট ফাইলে স্বাক্ষর নিয়ে কলেজ ভবন নির্মান সম্পন্ন করা হয়েছে বলে- খুব সংক্ষেপেই অনুমান করা যায়। কলেজ ভবনে কলেজ স্থাপনের তারিখ ও সাল লিখনের ক্ষেত্রে চরম অসত্য ও মিথ্যা তথ্য স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে চরম ঘুষ বাণিজ্য হয়েছে। কলেজ ষ্ট্যাফ নিয়োগের ক্ষেত্রে চরম পাপ-পঙ্কিলতার সংযোজন করা হয়েছে। কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সংগ্রহ ও ভর্তির ক্ষেত্রে চরম অরাজকতা নৈরাজ্য, বেলেল্লাপনা, ব্যবিচার, মানব শিষ্টাচার বহির্ভূত রীতি-নীতির সকল কিছুকেই গ্রহন করা হয়েছে। বর্তমানে উক্ত কলেজে দিবানিশি মাদকশালা, পানশালা, ইয়াবাশালা, নারীবারশালা চলছে। সৌদি আরবের দেহ ব্যবসার স্পা সেন্টারের মত ঐ কলেজের নারী-তরুনী-যুবতি ছাত্রীরা ঐ কলেজে ও বাহিরে দেহ ব্যবসায়ীদের দিক-নির্দেশনা মোতাবেক ধর্ষিতা হয়ে ও ধর্ষিতা হতে বাধ্য হয়ে গর্ববতী হওয়ার কারনে প্রায়ই চরফ্যাসন উপজেলার আনাচে-কানাচে তরুনীরা নিজেদের দৈহিক গর্বদশা লুকাতে না পেরে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবীতে অনশনে মেতে ওঠে। প্রেমের কারনের কথা বলে বিয়ের দাবীতে অনশনে মেতে ওঠা দু একটি খবর মাঝেমধ্যে দেশের বিভিন্ন গনমাধ্যমের খবরেও প্রকাশিত হতে দেখা যায়। ফেইসবুকের খবরে এই ধরনের ভূড়ি ভূড়ি তথ্য রয়েছে। এমতাবস্থায় ঐ কলেজটিকে সম্পূর্নরূপে বিলুপ্ত ও বাতিল করে দেশ ও জাতীকে বর্তমান চলমান পাপ-পঙ্কিলতা হতে রেহাই দেওয়া প্রয়োজন। ইতিমধ্যে ঐ কলেজে নয়া নিয়োগের ঘুষের বাণিজ্য চালু করে কেন্দ্রীয় সরকারের মোর্চাদেরকে বড় বড় টাকার বান্ডেল ঘুষ দিয়ে পুনরায় ঐ কলেজে নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীর দেহ ব্যবসার রমরমাভাব জাগ্রত করার তৎপরতা চালুর খবর পাওয়া গেছে। ছবিতে- প্রেমিক-প্রেমিকা কান্ডে ধরা খাওয়া, চরফ্যাসন উপজেলার দক্ষিনাঞ্চলে পতিতার নামে জাগ্রত ফ্যাসিবাদী কলেজ।