০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলার মেঘনা হতে কোস্টগার্ড ধাওয়া করাতে এক জন বালু ব্যবসায়ী-ই দশ-বিশ লক্ষ টাকা নদীতে ঢালে

মোঃ আবুল কাশেম
  • Update Time : ০৬:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৩৩ Time View

মোঃ আবুল কাশেম : ভোলা জেলার মেঘনা নদীতে- ভোলা খেকো মাটি ও বালি দস্যূ এবং মৎস্য অবরোধের অবরোধ খেকো মৎস্যদস্যূ মিলে যৌথভাবে মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে টহলরত কোস্টগার্ডের উপর শত শত নৌকা ও নৌকার মাঝি-মাল্লা-ড্রেজার শ্রমিক, বাল্কহেড শ্রমিক ও ট্রলিং জাহাজ শ্রমিকেরা হামলা চালিয়ে কোস্টগার্ডের নৌ-বাহিনীকে তাড়িয়ে দিয়ে পতেঙ্গা হতে পদ্মা-মেঘনা-যমুনার মোহনা পর্যন্ত পুরো মেঘনা নদীর একচ্ছত্র আধিপত্য এখন ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের চর নিজামের কালাম ডাকাত ও কালাম ডাকাত বাহিনীর হাতে। নৌ-যুদ্ধে নৌ-বাহিনী কালাম ডাকাত বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে পরাজিত হয়ে পিছু হটে যেতে বাধ্য হয়েছে। কালাম ডাকাত বাহিনীর কাছে ছিল লাঠিসোটা, লগি-বৈঠা, বন্ধুক-কার্তূজ, রকেট স্মগ লাঞ্চার, রড, ঢাল-সূরকি-গুলাইল, শত শত নৌকাযোগে হাজার হাজার মাঝি-মাল্লাবেশ ধারণকারী রাষ্ট্র বিরোধী ও দেশের আইন-কানুন বিরোধী দলবদ্ধ লোকজন। ভোলা জেলাখেকো জেলার উঠতি বালি ব্যবসায়ীরাও নদী থেকে বেআইনীভাবে অবৈধভাবে বালি ও মাটি উঠিয়ে আনার পথ পরিষ্কারের জন্য কোস্টগার্ডের নৌ-বাহিনীর মনে ভয় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ১৩/১০/২০২৬ ইং তারিখে কোস্টগার্ডের উপর হামলা ও আক্রমনে অনেক টাকা-পয়সা বিনিয়োগ করেছে। এক এক জনকে মাঝি-মাল্লা হয়ে নদীতে কোস্টগার্ডের উপর হামলা ও আক্রমন করার জন্য দুই হাজার করে টাকা দিয়েছে। কোন কোন জনকে একদিনের যুদ্ধ করার জন্য পাঁচ হাজার টাকা কিংবা দশ হাজার টাকাও দিয়েছে। এহেন টাকা বিতরনের কারনে টাকার গরমে নদীর মাঝি-মাল্লা, মৎস্যদস্যূ, বালিদস্যূ, ড্রেজার মেশিনের শ্রমিক, বাল্কহেড শ্রমিক ও বালির জাহাজ শ্রমিকেরা পুরো ভোলার মেঘনা নদীতে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। কোস্টগার্ড ধাওয়া খেলেন খেয়ে নদী থেকে পালিয়েছে। কোস্টগার্ড অধিকতর শক্তিশালী বাহিনী হয়ে আর নদীতে না নামায় বাংলাদেশের মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে বর্তমানে কোন অবরোধ আছে বলে দৃশ্যমান নহে। তাতে টলিং জাহাজগুলোও নদী থেকে বেআইনীভাবে ও লুটতরাজমূলকভাবে এক দিনেই কোটি কোটি টাকার মা-মাছ ও জাটকা মাছ নিধন করতে দেখা গেছে। তাই বাংলাদেশের নদীতে ভবিষ্যৎ মাছ রক্ষা করতে হলে নৌ-বাহিনী, বিমানবাহিনী ও স্থল বাহিনী যৌথভাবে হামলা-আক্রমন করে ভোলা খেকো মাটি ও বালি দস্যূ এবং মৎস্য অবরোধের অবরোধ খেকো মৎস্যদস্যূসহ উঠতি বালি ব্যবসায়ীদেরকে স্থায়ীভাবে নিধন করতে হবে। অন্যথায় দেশের সম্পদ রক্ষা পাবে না। তাই ভোলা জেলার চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের উদীয়মান সকল বালি ব্যবসার আস্তানায় অভিযান। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের মোস্তফা দেওয়ান বাড়ির মৃত: আব্দুর রব দেওয়ানের এক ট্রলিং জাহাজী পুত্র সন্ত্রাসী তরিকুল দেওয়ান মতান্তরে জাহাঙ্গীর দেওয়ানের সাথে আলাপ করে জানা গেছে যে, নদীতে কোস্টগার্ড প্রতিরোধ করে জাল পাতলেই দুই তিন ঘন্টায় জাল ভর্তি হয়ে যায়। দৈনিক দুই বার জাল ফেললেই মাছে জাহাজ ভর্তি হয়। একই এলাকার এক চোরাই বালি ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে যে, কোস্টগার্ড না থাকলে যেকোনো সময় নদী থেকে বেআইনীভাবে অবৈধভাবে বালি আনা যায়। তাই নদী হতে কোস্টগার্ড ধাওয়া দিতে দশ-বিশ লক্ষ টাকা ব্যয় করলে বালি ব্যবসায়ীদের লোকসান নাই। আবার দেখা গেছে যে, নৌ-বাহিনী কোস্টগার্ডের দক্ষতায়- নদীর মাছ ও বালি দস্যূ হটে যেতে বাধ্য হলে পরাজিত দস্যূ-ডাকাত দল নানান গল্প নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টারে চালিয়ে দিয়ে উর্ধ্বতনকে দিয়েই কোস্টগার্ডকে পরাজিত করে। এজন্য সুকৌশলে অনেক মাছদস্যূ ও বালি দস্যূ উর্ধ্বতনের সাথে যোগাযোগ করতে দ্রুত ঢাকা দৌড়ায়। ছবিতে- মেঘনা নদীতে কোস্টগার্ডের উপর ব্যাপক হামলা ও ট্রলিং জাহাজের চলমান মৎস্য নিধন।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

ভোলার মেঘনা হতে কোস্টগার্ড ধাওয়া করাতে এক জন বালু ব্যবসায়ী-ই দশ-বিশ লক্ষ টাকা নদীতে ঢালে

Update Time : ০৬:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

মোঃ আবুল কাশেম : ভোলা জেলার মেঘনা নদীতে- ভোলা খেকো মাটি ও বালি দস্যূ এবং মৎস্য অবরোধের অবরোধ খেকো মৎস্যদস্যূ মিলে যৌথভাবে মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে টহলরত কোস্টগার্ডের উপর শত শত নৌকা ও নৌকার মাঝি-মাল্লা-ড্রেজার শ্রমিক, বাল্কহেড শ্রমিক ও ট্রলিং জাহাজ শ্রমিকেরা হামলা চালিয়ে কোস্টগার্ডের নৌ-বাহিনীকে তাড়িয়ে দিয়ে পতেঙ্গা হতে পদ্মা-মেঘনা-যমুনার মোহনা পর্যন্ত পুরো মেঘনা নদীর একচ্ছত্র আধিপত্য এখন ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের চর নিজামের কালাম ডাকাত ও কালাম ডাকাত বাহিনীর হাতে। নৌ-যুদ্ধে নৌ-বাহিনী কালাম ডাকাত বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে পরাজিত হয়ে পিছু হটে যেতে বাধ্য হয়েছে। কালাম ডাকাত বাহিনীর কাছে ছিল লাঠিসোটা, লগি-বৈঠা, বন্ধুক-কার্তূজ, রকেট স্মগ লাঞ্চার, রড, ঢাল-সূরকি-গুলাইল, শত শত নৌকাযোগে হাজার হাজার মাঝি-মাল্লাবেশ ধারণকারী রাষ্ট্র বিরোধী ও দেশের আইন-কানুন বিরোধী দলবদ্ধ লোকজন। ভোলা জেলাখেকো জেলার উঠতি বালি ব্যবসায়ীরাও নদী থেকে বেআইনীভাবে অবৈধভাবে বালি ও মাটি উঠিয়ে আনার পথ পরিষ্কারের জন্য কোস্টগার্ডের নৌ-বাহিনীর মনে ভয় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ১৩/১০/২০২৬ ইং তারিখে কোস্টগার্ডের উপর হামলা ও আক্রমনে অনেক টাকা-পয়সা বিনিয়োগ করেছে। এক এক জনকে মাঝি-মাল্লা হয়ে নদীতে কোস্টগার্ডের উপর হামলা ও আক্রমন করার জন্য দুই হাজার করে টাকা দিয়েছে। কোন কোন জনকে একদিনের যুদ্ধ করার জন্য পাঁচ হাজার টাকা কিংবা দশ হাজার টাকাও দিয়েছে। এহেন টাকা বিতরনের কারনে টাকার গরমে নদীর মাঝি-মাল্লা, মৎস্যদস্যূ, বালিদস্যূ, ড্রেজার মেশিনের শ্রমিক, বাল্কহেড শ্রমিক ও বালির জাহাজ শ্রমিকেরা পুরো ভোলার মেঘনা নদীতে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। কোস্টগার্ড ধাওয়া খেলেন খেয়ে নদী থেকে পালিয়েছে। কোস্টগার্ড অধিকতর শক্তিশালী বাহিনী হয়ে আর নদীতে না নামায় বাংলাদেশের মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে বর্তমানে কোন অবরোধ আছে বলে দৃশ্যমান নহে। তাতে টলিং জাহাজগুলোও নদী থেকে বেআইনীভাবে ও লুটতরাজমূলকভাবে এক দিনেই কোটি কোটি টাকার মা-মাছ ও জাটকা মাছ নিধন করতে দেখা গেছে। তাই বাংলাদেশের নদীতে ভবিষ্যৎ মাছ রক্ষা করতে হলে নৌ-বাহিনী, বিমানবাহিনী ও স্থল বাহিনী যৌথভাবে হামলা-আক্রমন করে ভোলা খেকো মাটি ও বালি দস্যূ এবং মৎস্য অবরোধের অবরোধ খেকো মৎস্যদস্যূসহ উঠতি বালি ব্যবসায়ীদেরকে স্থায়ীভাবে নিধন করতে হবে। অন্যথায় দেশের সম্পদ রক্ষা পাবে না। তাই ভোলা জেলার চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের উদীয়মান সকল বালি ব্যবসার আস্তানায় অভিযান। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের মোস্তফা দেওয়ান বাড়ির মৃত: আব্দুর রব দেওয়ানের এক ট্রলিং জাহাজী পুত্র সন্ত্রাসী তরিকুল দেওয়ান মতান্তরে জাহাঙ্গীর দেওয়ানের সাথে আলাপ করে জানা গেছে যে, নদীতে কোস্টগার্ড প্রতিরোধ করে জাল পাতলেই দুই তিন ঘন্টায় জাল ভর্তি হয়ে যায়। দৈনিক দুই বার জাল ফেললেই মাছে জাহাজ ভর্তি হয়। একই এলাকার এক চোরাই বালি ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে যে, কোস্টগার্ড না থাকলে যেকোনো সময় নদী থেকে বেআইনীভাবে অবৈধভাবে বালি আনা যায়। তাই নদী হতে কোস্টগার্ড ধাওয়া দিতে দশ-বিশ লক্ষ টাকা ব্যয় করলে বালি ব্যবসায়ীদের লোকসান নাই। আবার দেখা গেছে যে, নৌ-বাহিনী কোস্টগার্ডের দক্ষতায়- নদীর মাছ ও বালি দস্যূ হটে যেতে বাধ্য হলে পরাজিত দস্যূ-ডাকাত দল নানান গল্প নৌবাহিনীর হেডকোয়ার্টারে চালিয়ে দিয়ে উর্ধ্বতনকে দিয়েই কোস্টগার্ডকে পরাজিত করে। এজন্য সুকৌশলে অনেক মাছদস্যূ ও বালি দস্যূ উর্ধ্বতনের সাথে যোগাযোগ করতে দ্রুত ঢাকা দৌড়ায়। ছবিতে- মেঘনা নদীতে কোস্টগার্ডের উপর ব্যাপক হামলা ও ট্রলিং জাহাজের চলমান মৎস্য নিধন।