https://www.facebook.com/obaidul1991
বোদা উপজেলায় কেনা জমিতে চাষাবাদে বাধা ও রাতের আঁধারে সুপারি গাছ লাগানোর অভিযোগ
- Update Time : ০১:০০:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
- / ২৬ Time View

বিশেষ সংবাদদাতা ,পঞ্চগড় জেলা : পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় নিজের কেনা জমিতে কৃষি কাজ করতে গিয়ে আপন ছোট ভাইয়ের বাধাবিপত্তি ও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন বড় ভাই জমির হোসেন (৩৩) ও তার দুলাভাই মোঃ আমজাদ হোসেন (৬৪) অভিযুক্ত ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে জবরদখল, মারধর, খুন-জখমের হুমকি এবং বড় ভাই ও দুলাভাইয়ের নামে একের পর এক ১৪টি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বোদা উপজেলার ৪ নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের বোতোলডাঙ্গা গ্রামে।ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার আব্দুল হামিদের তিন ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে পৈতৃক সম্পত্তি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা চলছে। অভিযোগ রয়েছে, ছোট ভাই মো. আবু জাফর (২৯) কৌশলে ও অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে বাবার কাছ থেকে ২ একর ৭ শতক জমি নিয়মবহির্ভূতভাবে বেশি জমি দলিল করে নেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় পরবর্তীতে বাবা আবদুল হামিদ তার সন্তানদের মধ্যে
তিন মেয়ে শিরিনা, রাবেয়া, শুমি সহ ওদের প্রত্যককে ৪৫ শতক করে এবং তার মেজ ছেলে জমির হোসেন কে ১ একর ১৯ শতক জমি একই দিনে একই দলিলে নতুন করে জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। যাহার দলিল নাম্বার ৭৯০ । আবদুল হামিদ বড় ছেলে মৃত মোঃ জাকারিয়া তিনি মারা যাওয়ার পরে তার ৩ মেয়ে জান্নাতি, জুই, ও জুথি সহ আব্দুল হামিদেরএই নাতনি কে প্রত্যেক জনকে ৪২ শতক করে জমি দান করেন। এর পরে, জাকারিয়া স্ত্রী সাহেরা বেগম কে ১৬.৫০ জমি দান করেন । এর মধ্যে আবু জাফর নিয়ম অনুযায়ী বাপের সম্পত্তি পাওয়ার কথা ১ একর ১৯ শতক, কিন্তু তিনি ২ একর ৭ শতক জমি কৌশলে লিখে নেন। এরপর আমার সৎ মা হামিদা বেগম কে আমার বাবা ২ দলিলে ২ বিঘা জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। এর পরে তার সৎমা হামিদা বেগমের কাছ থেকে বৈধ প্রক্রিয়ায় ১৬.৫০ শতক জমি ক্রয় করেন যার (দলিল নং- ৩০৩)। এবং ছোট ভাই আবু জাফর একই দলিল থেকে সমান পরিমাণ জমি ক্রয় করেন যার (দলিল নং- ৩০৪) এখন তার বড় ভাই জমির হোসেনের ১৬.৫০ শতক জমি জোরপূর্বক ওই জমিতে রাতের আঁধারে সুপারি গাছ লাগিয়ে জবরদখল করে নেন। এবং আমার নিজের মা জামিলা বেগম, ঐ এলাকার আব্দুল ছামাদ এর কাজ থেকে ২ বিঘা জমি ক্রয় করেন। সেই জমিও আমার ছোট ভাই জাফর একাই জরপুরক দখল করে খাচ্ছে। তার পর জমির হোসেন ও জাফর এর আপন দুলাভাই, রাবেয়া ও শুমি’র কাছ থেকে ৫৭ শতক জমি ক্রয় করেন। সেখানে ৩০ শতক জমি দখল দিয়ে বাকি ২৭ শতক জমি নদীতে দিখিয়ে দেন। বর্তমানে আমাদের রেকর্ডেয় জমিতে ৮৭৩ দাগে ২৭ শতক জমি দখল দিচ্ছেন না। দখল নিতে গেলে তারা আমাদের কে নেতা ও দাঙ্গাবাজ দারা বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছেন । এছাড়া জমির হোসেন ও তার দুলাভাই এলাকার অন্য ব্যক্তিবর্গ ও বোনদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করলেও ছোট ভাই আবু জাফর স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রভাব খাটিয়ে সেগুলোও ভোগদখলে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে ৮৭৩ নম্বর দাগের ২৭ শতক রেকর্ডিয় জমিতেও তাদের যেতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতিবাদ করতে গেলেই দালাল ও দাঙ্গাবাজদের দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও ছোট ভাই আবু জাফরের অনমনীয় মনোভাবের কারণে কোনো সমাধান হয়নি। উল্টো মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়ে বড় ভাই ও দুলাভাইয়ের পরিবার চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। “এ ছাড়া এলাকার কিছু লোকজনকে লেলিয়ে দিয়ে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবিরও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।”
আইনগত সহায়তার বিষয়ে ভুক্তভোগীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে পৈতৃক ও কেনা জমিতে তাদের আইনি অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবু জাফর জানান, তিনি প্রায় ১০-১২ বছর ধরে ওই জমিতে কৃষিকাজ করে আসছেন। তার নিজস্ব অংশ বা জমি থাকার কারণেই তিনি সেখানে সুপারি গাছ রোপণ করেছেন।





























