মাদক ডিলার কথিত মাদকীদেরকে গ্রেফতারে দেশের বিএনপি সরকারের অনীহা
- Update Time : ০৩:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
- / ২৪ Time View

জেলা প্রতিনিধি :বাংলাদেশের স্ব-রাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের মাদক আইনকে ব্যক ডেটেড বলেছেন ও সেই ব্যক ডেটেড আইনে পরিবর্তন ও সংযোজন আনয়নের কথা বলে- দেশের মাদক ডিলারদেরকে গোপন ও পলাতক হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া চলছে। পাশাপাশি ফেইসবুক কনটেন্টের তথ্যকে রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্যবহার করে মিথ্যা বলার জন্য আইন প্রনয়ন করবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে মত পাওয়া গেছে। যা বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯(২) নং আর্টিকেলে দেওয়া নাগরীক মতমত প্রকাশের অধিকারকে কুক্ষিগত করবে ও রাষ্ট্রকে সন্ত্রাস ও মাদকী করার শক্তিশালী প্রচেষ্টা চালু করবে। ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের অভিযানে ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) গ্রাম অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা’সহ ০২ জনকে আটক করা হলেও দেশে মাদক আইনের যথাযত ধারা, অস্র ও শক্তির অনুপস্থিতির কারনে মাদকের গোপন, অবৈধ, বে-আইনী ও অস্রধারী ডিলারদেরকে পুলিশ আটক করতে পারছে না বা সক্ষম হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জনাব মোঃ সালাউদ্দিন আহম্মেদ। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে মাদক আইনের পুরাতন নামটি উল্লেখ করে আরো জানিয়েছেন যে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনটি অনেক পুরাতন। তাই সেই আইনে মাদক ডিলার ধৃত হয় না। বিগত শতাব্দীর বা ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের মাদক আইন পুরাতন হলেেও- উচ্চ আদালতের রায় (রেজুলেশন/ সিদ্ধান্ত) এর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন’ ১৯৮২ (বা ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ’১৯৮২), তামাকজাত মামগ্রী বিপণন নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ’১৯১৮, ধূমপাণ ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা’২০১৫, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন’২০০৫ (সংশোধন আইন’২০১৩), জাতীয় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (তহবিল রক্ষণাবেক্ষণ ও অর্থ ব্যয়) বিধিমালা’২০০১, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা” ১৯৯৯, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন’ ১৯৯০ ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন’ ২০১৮ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য ঘাষ কাটা উচিত নয়। কেননা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৮৫৭ ইং সালে প্রস্তুত হহলেও ১৯৭১ ইং সালে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের সংবিধানে- আইনের দ্বারা রাষ্ট্র চালানোর উক্ত সংযোজনের সাথে সাথে “মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৮৫৭” আর ১৮৫৭ ইং সালের আইন থাকে না। ১৯৭১ ইং সাল হতেই বাংলাদেশে সক্রিয়। আর ঐ আইনের ফাঁক দিয়েই মাদকীরা তাদের অবৈধ মাদক ডিলারী চালায় এবং রাষ্ট্রকে বিভিন্ন আইনী সুরঙ্গ পথে পরিচালিত করে ব্যর্থ করে দেয়। আইনে বিদ্যমান যথাযত ধারা, অস্র ও শক্তির দূর্বলতা ও অনুপস্থিতির কারনে মাদক দ্রব্যের গোপন ডিলার, বে-আইনী ডিলার, অবৈধ ডিলার, অস্রধারী ডিলার কিংবা গোপন-অবৈধ-বেআইনী-অস্রধারী মাদক ডিলারগণ আইনের আওতার বাহিরে থাকার কোন বিধানই কোন আইনে নেই। আইনের ধারা-অস্র-শক্তি যত শক্তিশালীই হোক না কেন আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দূর্বলতা প্রদর্শণ করলে ঘুষ পেয়ে অপরাধীর কাছে নতজানু হলে কিংবা দেহসৌষ্ঠব সুন্দরী নারীর লোভে আইনের কঠোরতা প্রয়োগে শৈথিল্য প্রদর্শন করলে- আইন হয় লেজ এর দ্বারা গরু নড়াচড়া করার মত। তাই লেজ এর দ্বারা গরু নড়াচড়া করার মত মাননীয় স্ব-রাষ্ট্রমন্ত্রী- মাদক ডিলার গ্রেফতারের ক্ষেত্রে এই বার বললেন দেশে মাদক ডিলার গ্রেফতার আইন হচ্ছে, তারপর বলবেন মাদক ডিলার গ্রেফতার আইন কি জলপথে চলবে না স্থল পথে চলবে কিংবা আকাশ পথে চলবে এমন কি পাতাল পথে চলবে কিনা- তার আইন তো দেশে নাই। এমনও বলতে পারেন যে, মানকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ডিজিটালি চলবে না ননডিজিটালাইজড চলবে- তার আইনই তো দেশে নাই। যা দেশের বর্তমান সরকারের আমলের গ্রেফতারকৃত আঠারো হাজারেরও অধিক মাদক আসামীকে বা ভবিষ্যৎ মাদক আইনের যে কোন আসামী গ্রেফতারকে ব্যর্থ করবে। তাই আইন যেমনই হোক না কেন সকল আইনের প্রয়োগের কঠোরতা দিয়ে মাদক ডিলার গ্রেফতারের মাধ্যমে মাদক মুক্ত দেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন। আইনে বাড়তি বিষয়, ধারা, প্রসঙ্গ, অস্র, শক্তি সংযোজন লাগলে তা যুগোপযোগী ও সময়োপযোগী হতে পারে। তাই বলে আইনকে শক্তিশালী, সময়োপযোগী ও যুগোপযোগীকরণের অজুহাতে- যে কোন প্রকারের মাদক ডিলার আইনী গ্রেফতারের বাইরে থাকতে পারে না। সম্প্রতি ভোলা জেলার পুলিশ মিডিয়া সেল সূত্রে বোরহান উদ্দিন উপজেলার গাঁজা গ্যাং জিহাদ-অহিদ গ্রেফতারের খবর পাওয়া গেছে। তবে কোন ডিলার গ্রেফতারের খবর এখনো পাওয়া যায় নাই। ভোলা জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছার, পিপিএম (বার) এর দিক-নির্দেশনায় এবং বোরহানউদ্দিন থানার নেতৃত্বে বোরহানউদ্দিন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম মাদকদ্রব্যসহ জিহাদ ও অহিদ নামক দুইজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষমতা দেখিয়েছে। গত ১০ ই জুন, ২০২৬ ইং তারিখে ১৮:১৫ ঘটিকায় বোরহানউদ্দিন থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আবু জাফর ও তাঁর সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ বোরহানউদ্দিন থানাধীন সাচড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এর নীচে দক্ষিন-পূর্ব কর্নারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ মাদক ব্যবসায়ী (১) মোঃ জিহাদ বাবুর্চী (২২) ও (২) মোঃ রাজীব হোসেন (২২) দ্বয়কে ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) গ্রাম অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা’সহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী: (১) মোঃ জিহাদ বাবুর্চী (২২), পিতা- মোঃ ওহিদ বাবুর্চী, মাতা- মোসাঃ ফাতেমা, (২) মোঃ রাজীব হোসেন (২২), পিতা- শাহআলম বাবুর্চী, মাতা- চাম্পা বেগম, উভয় সাং- সাচরা ০৬ নং ওয়ার্ড, থানা ও উপজেলা- বোরহানউদ্দিন, জেলা- ভোলা, বাংলাদেশ। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। ছবিতে- ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ডের সাবেক মনীন্দ্র চন্দ্র ঠাকুর বাড়ির দরজার ভূয়া মসজিদের আড়ালের মাদক আড্ডায় গাঁজা ও ইয়াবা সেবীদেরকে পুলিশী গ্রেফতারের অভিযানে পুলিশের উপর মাদকসেবীদের স্থানীয় অবৈধ মাদক ডিলার ও সন্ত্রাসী রফিক কয়ালের নেতৃত্বে হামলা ও আক্রমন, বোরহানউদ্দিনে গ্রেফতারকৃত মাদক আসামীরা ও মাদক ডিলার গ্রেফতার নিয়ে জাতীয় সংসদে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘুষ-নারী ধর্ষণ- উপঢৌকন- এ আসক্ত-নেশাগ্রস্ত বক্তব্য।

























