০৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

ডাকসু নির্বাচনে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছি : আবিদ

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪১:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৩৫২ Time View

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ অভিযোগ করেছেন, ভোটগ্রহণের দিন তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আবিদ ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে ভোটার চিহ্নিত করতে যে মার্কার পেন ব্যবহার করা হয়েছে তা অস্থায়ী ছিল, ফলে একই ব্যক্তি একাধিকবার ভোট দিয়েছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

এছাড়াও, নির্বাচনের ব্যালট পেপার কোন প্রেস থেকে ছাপা হয়েছে তা প্রকাশ করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ জানানোর পরেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের এড়িয়ে চলছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আবিদ আরও বলেন, নির্বাচনের চার দিন পর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয় যে পোলিং এজেন্টদের বাছাই প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা ছিল। পোলিং এজেন্টদের অনুপস্থিতিতে ভোট নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ডাকসু নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭০৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হন আবিদুল ইসলাম আবিদ। এরপর তিনি তার ফেসবুক পোস্টে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানান।

তিনি লেখেন, “সমগ্র বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসব, ইনশাআল্লাহ। এর প্রতিফলন আপনারা পরবর্তী ডাকসুতে দেখতে পাবেন। আবিদ আপনাদের কখনো ছেড়ে যাবে না।”

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

ডাকসু নির্বাচনে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছি : আবিদ

Update Time : ১০:৪১:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ অভিযোগ করেছেন, ভোটগ্রহণের দিন তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আবিদ ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে ভোটার চিহ্নিত করতে যে মার্কার পেন ব্যবহার করা হয়েছে তা অস্থায়ী ছিল, ফলে একই ব্যক্তি একাধিকবার ভোট দিয়েছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

এছাড়াও, নির্বাচনের ব্যালট পেপার কোন প্রেস থেকে ছাপা হয়েছে তা প্রকাশ করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ জানানোর পরেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের এড়িয়ে চলছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আবিদ আরও বলেন, নির্বাচনের চার দিন পর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয় যে পোলিং এজেন্টদের বাছাই প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা ছিল। পোলিং এজেন্টদের অনুপস্থিতিতে ভোট নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ডাকসু নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭০৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হন আবিদুল ইসলাম আবিদ। এরপর তিনি তার ফেসবুক পোস্টে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানান।

তিনি লেখেন, “সমগ্র বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসব, ইনশাআল্লাহ। এর প্রতিফলন আপনারা পরবর্তী ডাকসুতে দেখতে পাবেন। আবিদ আপনাদের কখনো ছেড়ে যাবে না।”