ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চট্টগ্রামের বাঁশখালী সমুদ্র সৈকতে
- Update Time : ০৫:০৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
- / ১৭৮ Time View

চট্টগ্রাম (বাঁশখালী) প্রতিনিধি : মোঃ জসীম উদ্দীন
ঈদের ছুটিতে সমুদ্রের টানে অনেকেই ছুটে যান দেশের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে।
তবে বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত বঙ্গোপসাগরের বিশাল নীল বুকে স্বপ্নের মতো জেগে ওঠা এই সৈকত যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহার।
দূর থেকে দেখলে মনে হয়, দিগন্তজোড়া জলরাশির মাঝখানে সৃষ্টিকর্তা যেন নিভৃতে গড়ে তুলেছেন এক টুকরো স্বর্গভূমি। কাছে গেলে সেই অনুভূতি আরও গভীর হয়।
অসীম আকাশ আর অনন্ত সাগরের মিলনরেখায় দাঁড়িয়ে থাকা এই সৈকত যেন প্রকৃতির এক নিঃশব্দ কবিতা। সোনালি বালুকাবেলা, ঢেউয়ের ছন্দময় আছড়ে পড়া আর বাতাসের স্নিগ্ধ স্পর্শ সব মিলিয়ে বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত এক অনাবিল প্রশান্তির ঠিকানা।
সমুদ্র সৈকতের ভেতরে পা রাখলেই মেলে আরেক ভিন্ন জগতের দেখা। সমুদ্র সৈকতের পাশ জুড়ে সারি সারি ঝাউগাছ, প্যারাবন, সুদীর্ঘ বালুচর এবং সমুদ্রের ঢেউ, ছায়াঘেরা পথ, পাখিদের নিরন্তর কলকাকলি আর বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ সব মিলিয়ে এখানে বিরাজ করে এক অপার্থিব নির্জনতা। মনে হবে, কোলাহলমুখর পৃথিবী থেকে আপনি অনেক দূরে, যেখানে সময়ও যেন ধীর হয়ে যায়। এখানে শত শত পাখির কলরবে ভোরের নীরবতা ভাঙে, বিস্তীর্ণ বালুচরে লাল কাঁকড়ার দল ছুটে বেড়িয়ে আঁকে জীবনের চঞ্চল রেখাচিত্র। ঢেউয়ের ফেনায় ভেজা তটরেখা, দূরে ভাসমান মাছধরা নৌকা আর আকাশজুড়ে সাদা মেঘ সব মিলিয়ে বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত স্বপ্নীল জগৎ।
নিভৃতে প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটাতে, সূর্যাস্ত দেখতে এবং কোলাহলমুক্ত পরিবেশে ঘুরে ঘুরে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে “বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত” ভ্রমণ প্রেয়সীদের এক অনন্য গন্তব্য।
এই ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে চট্টগ্রামের দক্ষিণের এই নিভৃত সমুদ্র সৈকতে কাটাতে পারেন এক ভিন্ন রকম সময়। যেখানে প্রকৃতি নিজেই আপনার ভ্রমণের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
ভৌগোলিক অবস্থান
চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৪০-৪৩ কিলোমিটার দক্ষিনে বাঁশখালী উপজেলায় অবস্থিত।
























