০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

সুন্দরগঞ্জে বন বিভাগের নিজস্ব ভবন নেই, জরাজ্বীর্ণ টিনের ঘরে চলছে কার্যক্রম

শাহ মোঃ রেদওয়ানুর রহমান সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি গাইবান্ধা
  • Update Time : ০১:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৬ Time View


শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ
বর্তমান সরকার দেশবেপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উপর গুরুত্বারোপ করেছে এবং সারাদেশে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপনের জন্য নানান পরিকল্পননা গ্রহণ করেছে। এই মহতী উদ্যোগ যখন সারাদেশে প্রসংশীত হচ্ছে, তখন তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। এই উপজেলার বন বিভাগের নিজস্ব কোনো অফিস ভবন নেই। জরাজ্বীর্ণ টিনের ঘরে চলছে কার্যক্রম।

জানাযায়, ১৯৯০ ইং সালে উপজেলা পরিষদের আওতাধীন এক খন্ড জমির উপর বাংলো আকৃতির একটি টিনের ঘর নির্মান করে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। সেই থেকেই ঐ জরাজ্বীর্ণ ঘরেই চলছে উপজেলা বন বিভাগের সকল কার্যক্রম। বর্তমানে বাংলোটির অবস্থা অত্যান্ত নাজুক। ঝড়-বৃষ্টি ও বাদলের দিনে এর ভিতরে অবর্ননীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নথি পত্র ভিজে যাচ্ছে, জীবনের ঝুকি নিয়ে কর্মরতরা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু ভবন সংকটেই নয় দীর্ঘদিন থেকে উপজেলায় বন কর্মকর্তাও নেই। অতিরিক্ত দায়িত্বের কর্মকর্তা দিয়ে চলছে এর কার্যক্রম। বর্তমানে উপজেলা বন কর্মকতা হিসাবে চলতি দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী রেঞ্জার গোলাম মোস্তফা, সপ্তাহে তিনি ১ দিন বা ২দিন এসে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে সহকারী রেঞ্জার গোলাম মোস্তফা বলেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট যুগের পর যুগ ধরে বন বিভাগের নিজস্ব ভবনের জন্য জমি ক্রয়ের আবেদন জানিয়েও আজ পর্যন্ত কোনো সারা মেলেনি। এদিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় রাস্তা-ঘাট, বেড়ি-বাঁধ ও বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধসহ আনাচে-কানাছে সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার বন রয়েছে। এই বিশাল বন ভুমি দেখভালের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল প্রয়োজন, কিন্তু তাও নেই। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে হলে অবিলম্বে সুন্দরগঞ্জ বন বিভাগের জন্য নিজস্ব ভবন নির্মান, জমি বরাদ্দ এবং পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ করা অত্যান্ত জরুরী।

                                            সুন্দরগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ওজনে কারচুপি, বস্তায় চাল কম পাচ্ছেন ডিলাররা, ঠকছেন ভোক্তারা

শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তথা ফেয়ার প্রাইজের চাল বিতরনে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। সরকারী গুদামে ওজন মাপার কোনো স্কেল না থাকায় বস্তায় চাল কম পাচ্ছেন ডিলাররা। আর এই খারতি পুষিয়ে নিতে গিয়ে কম চাল পেয়ে ঠকছেন সাধারণ ভোক্তারা। জানাজায় সুন্তরগঞ্জ উপজেলার ১৫ ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার রয়েছেন ৪২ জন। এই কর্মসূচির আওতায় উপকার ভোগী রয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার। প্রত্যেক উপকার ভোগী প্রতি কোঠায় ১৫ টাকা কেজি ধরে ৩০ কেজি চাল পান, যার মূল্য ৪৫০/- টাকা। অভিযোগ উঠেছে সরকারী গুদাম থেকে চাল উত্তোলনের সময় ডিলারদের ৩০ কেজি ও ৫০ কেজির বস্তা গোড়াউন থেকে ধরিয়ে দেওয়া হয়। সরেজমিন উপজেলার কাপাশিয়া, শান্তিরাম, ছাপড়হাটি, শ্রশিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি ডিলারের বিতরন স্থল পরিদর্শন করে দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৩০ কেজির বস্তায় চাল থাকে ২৮ থেকে ২৯ কেজি এবং ৫০ কেজির বস্তায় চাল থাকে ৪৫ থেকে ৪৮ বা ৪৯ কেজি। এর কারন হিসাবে জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ খাদ্য গুদাম এবং বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামে কোনো ধরনের স্কেল বা ওজন মাপার ব্যবস্থা নেই ফলে গুদাম থেকে ডিলাররা ওজন না মেপেই ডিও অনুযায়ী চাল উত্তোলন করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে বিতরনের সময় চরম সমস্যায় পড়ছেন ডিলাররা। ৩০ কেজি বস্তা সরাসরি ভোক্তাদের দিলেও সেখানে ১ থেকে ২ কেজি চাল কম থাকছে। আবার ৫০ কেজির বস্তা ভেঙ্গে ৩০ কেজি করে দিতে গেলে ডিলাররা লোকসানের মুখে পড়ছেন। বাধ্য হয়ে অনেক ডিলারকে ভোক্তাদের ১ থেকে ২ কেজি কম দিয়ে সেই লোকসান পুসে নিতে হচ্ছে। এতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন হতদরিদ্র ভোক্তারা, কিন্তু বাধ্য হয়ে তারা কম ওজনের চালেই গ্রহণ করছেন। এ বিষয়ে ডিলারদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, গুদাম থেকে যে ভাবে চাল উত্তোলন করা হয় সেভাবেই তারা বিতরণ করছেন। গুদাম থেকে চাল কম দিলে তাদের করার কিছুই নেই, তারাতো আর লস দিয়ে চাল বিক্রয় করতে পারবেনা। তাদের দাবি গুদামে চাল প্রবেশের সময় এবং বিতরনের সময় স্কেলিং করা হউক। তাহলে কারো লোকসান হবে না, ভোক্তারাও সঠিক ওজনে চাল পাবেন। প্রশ্ন উঠেছে ৩ কেজির বস্তায় কেনো ১ থেকে ২ কেজি এবং ৫০ কেজির বস্তায় ২ থেকে ৩ কেজি কম চাল পাওয়া যাচ্ছে ? আবার মিলারদের কাছ থেকে চাল গ্রহনের ক্ষেত্রে কি কারনে এমন হচ্ছে ?। সচেতম মহলের দাবি ভোক্তারের ঠকিয়ে কর্তৃপক্ষের পকেট ভারি করার এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে অবিলম্বে উভয় খাদ্যগুদামে ডিজিটাল স্কেল স্থাপন এবং চাল প্রবেশ ও বিতরনের সময় বাধ্যতা মূলক ভাবে ওজন নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন দে এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।

————————————————————————————————————————————————————–সাদুল্লাপুরে ২নং নলডাঙ্গা ইউপিতে চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশি মোশারফ হোসেনের লিফলেট বিতরণ

শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ২নং নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশি নলডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন।

গত বুধবার সন্ধ্যায় তিনি জনগনের সমর্থন, দোয়া ও সহযোগিতা চেয়ে ভোটারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় ভোটারদের মাঝে স্বতঃস্ফুর্ত সাড়া লক্ষ্য করা যায়। তিনি আগামী নির্বাচনে ২নং নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের হাইকমান্ডের নিকট মনোনয়ন প্রাপ্তির দাবি জানান। একই সাথে এলাকবাসীও তার পক্ষে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য বিএনপির হাইকমান্ডের প্রতি দাবি জানান————————————————————————————————————————————————–
                                                                      সুন্দরগঞ্জে ৪৭ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ, বাড়ির মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৭ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক শামছুল হকের ছেলে সুজন মিয়াকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সহকারি কমিশনার (ভূমি) আহরাব আল আকাশ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উজান বোচাগাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আহরাব আল আকাশ। এ সময় উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এসএম আসিফ হাসান উপস্থিত ছিলেন। অভিযানকালে সুজন মিয়ার বাড়িতে মজুত করে রাখা ৪৭ বস্তা সার উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এ সময় সার মজুতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বৈধতার বিষয়টি যাচাই করা হয়। পরে বাড়ির মালিকের ছেলে সুজন মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত সারগুলো নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করে সেই অর্থ রাষ্ট্রিয় কোষাগারে জমা করা হয়। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার অবৈধভাবে মজুত, কৃতিম সংকট সৃষ্টি কিংবা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। কৃষকদের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

শাহ মোঃ রেদওয়ানুর রহমান ,প্রতিনিধি ,সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

সুন্দরগঞ্জে বন বিভাগের নিজস্ব ভবন নেই, জরাজ্বীর্ণ টিনের ঘরে চলছে কার্যক্রম

Update Time : ০১:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬


শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ
বর্তমান সরকার দেশবেপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উপর গুরুত্বারোপ করেছে এবং সারাদেশে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপনের জন্য নানান পরিকল্পননা গ্রহণ করেছে। এই মহতী উদ্যোগ যখন সারাদেশে প্রসংশীত হচ্ছে, তখন তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। এই উপজেলার বন বিভাগের নিজস্ব কোনো অফিস ভবন নেই। জরাজ্বীর্ণ টিনের ঘরে চলছে কার্যক্রম।

জানাযায়, ১৯৯০ ইং সালে উপজেলা পরিষদের আওতাধীন এক খন্ড জমির উপর বাংলো আকৃতির একটি টিনের ঘর নির্মান করে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। সেই থেকেই ঐ জরাজ্বীর্ণ ঘরেই চলছে উপজেলা বন বিভাগের সকল কার্যক্রম। বর্তমানে বাংলোটির অবস্থা অত্যান্ত নাজুক। ঝড়-বৃষ্টি ও বাদলের দিনে এর ভিতরে অবর্ননীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নথি পত্র ভিজে যাচ্ছে, জীবনের ঝুকি নিয়ে কর্মরতরা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু ভবন সংকটেই নয় দীর্ঘদিন থেকে উপজেলায় বন কর্মকর্তাও নেই। অতিরিক্ত দায়িত্বের কর্মকর্তা দিয়ে চলছে এর কার্যক্রম। বর্তমানে উপজেলা বন কর্মকতা হিসাবে চলতি দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী রেঞ্জার গোলাম মোস্তফা, সপ্তাহে তিনি ১ দিন বা ২দিন এসে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে সহকারী রেঞ্জার গোলাম মোস্তফা বলেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট যুগের পর যুগ ধরে বন বিভাগের নিজস্ব ভবনের জন্য জমি ক্রয়ের আবেদন জানিয়েও আজ পর্যন্ত কোনো সারা মেলেনি। এদিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় রাস্তা-ঘাট, বেড়ি-বাঁধ ও বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধসহ আনাচে-কানাছে সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার বন রয়েছে। এই বিশাল বন ভুমি দেখভালের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল প্রয়োজন, কিন্তু তাও নেই। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে হলে অবিলম্বে সুন্দরগঞ্জ বন বিভাগের জন্য নিজস্ব ভবন নির্মান, জমি বরাদ্দ এবং পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ করা অত্যান্ত জরুরী।

                                            সুন্দরগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ওজনে কারচুপি, বস্তায় চাল কম পাচ্ছেন ডিলাররা, ঠকছেন ভোক্তারা

শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তথা ফেয়ার প্রাইজের চাল বিতরনে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। সরকারী গুদামে ওজন মাপার কোনো স্কেল না থাকায় বস্তায় চাল কম পাচ্ছেন ডিলাররা। আর এই খারতি পুষিয়ে নিতে গিয়ে কম চাল পেয়ে ঠকছেন সাধারণ ভোক্তারা। জানাজায় সুন্তরগঞ্জ উপজেলার ১৫ ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার রয়েছেন ৪২ জন। এই কর্মসূচির আওতায় উপকার ভোগী রয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার। প্রত্যেক উপকার ভোগী প্রতি কোঠায় ১৫ টাকা কেজি ধরে ৩০ কেজি চাল পান, যার মূল্য ৪৫০/- টাকা। অভিযোগ উঠেছে সরকারী গুদাম থেকে চাল উত্তোলনের সময় ডিলারদের ৩০ কেজি ও ৫০ কেজির বস্তা গোড়াউন থেকে ধরিয়ে দেওয়া হয়। সরেজমিন উপজেলার কাপাশিয়া, শান্তিরাম, ছাপড়হাটি, শ্রশিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি ডিলারের বিতরন স্থল পরিদর্শন করে দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৩০ কেজির বস্তায় চাল থাকে ২৮ থেকে ২৯ কেজি এবং ৫০ কেজির বস্তায় চাল থাকে ৪৫ থেকে ৪৮ বা ৪৯ কেজি। এর কারন হিসাবে জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ খাদ্য গুদাম এবং বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামে কোনো ধরনের স্কেল বা ওজন মাপার ব্যবস্থা নেই ফলে গুদাম থেকে ডিলাররা ওজন না মেপেই ডিও অনুযায়ী চাল উত্তোলন করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে বিতরনের সময় চরম সমস্যায় পড়ছেন ডিলাররা। ৩০ কেজি বস্তা সরাসরি ভোক্তাদের দিলেও সেখানে ১ থেকে ২ কেজি চাল কম থাকছে। আবার ৫০ কেজির বস্তা ভেঙ্গে ৩০ কেজি করে দিতে গেলে ডিলাররা লোকসানের মুখে পড়ছেন। বাধ্য হয়ে অনেক ডিলারকে ভোক্তাদের ১ থেকে ২ কেজি কম দিয়ে সেই লোকসান পুসে নিতে হচ্ছে। এতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন হতদরিদ্র ভোক্তারা, কিন্তু বাধ্য হয়ে তারা কম ওজনের চালেই গ্রহণ করছেন। এ বিষয়ে ডিলারদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, গুদাম থেকে যে ভাবে চাল উত্তোলন করা হয় সেভাবেই তারা বিতরণ করছেন। গুদাম থেকে চাল কম দিলে তাদের করার কিছুই নেই, তারাতো আর লস দিয়ে চাল বিক্রয় করতে পারবেনা। তাদের দাবি গুদামে চাল প্রবেশের সময় এবং বিতরনের সময় স্কেলিং করা হউক। তাহলে কারো লোকসান হবে না, ভোক্তারাও সঠিক ওজনে চাল পাবেন। প্রশ্ন উঠেছে ৩ কেজির বস্তায় কেনো ১ থেকে ২ কেজি এবং ৫০ কেজির বস্তায় ২ থেকে ৩ কেজি কম চাল পাওয়া যাচ্ছে ? আবার মিলারদের কাছ থেকে চাল গ্রহনের ক্ষেত্রে কি কারনে এমন হচ্ছে ?। সচেতম মহলের দাবি ভোক্তারের ঠকিয়ে কর্তৃপক্ষের পকেট ভারি করার এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে অবিলম্বে উভয় খাদ্যগুদামে ডিজিটাল স্কেল স্থাপন এবং চাল প্রবেশ ও বিতরনের সময় বাধ্যতা মূলক ভাবে ওজন নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন দে এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।

————————————————————————————————————————————————————–সাদুল্লাপুরে ২নং নলডাঙ্গা ইউপিতে চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশি মোশারফ হোসেনের লিফলেট বিতরণ

শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ২নং নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশি নলডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন।

গত বুধবার সন্ধ্যায় তিনি জনগনের সমর্থন, দোয়া ও সহযোগিতা চেয়ে ভোটারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় ভোটারদের মাঝে স্বতঃস্ফুর্ত সাড়া লক্ষ্য করা যায়। তিনি আগামী নির্বাচনে ২নং নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের হাইকমান্ডের নিকট মনোনয়ন প্রাপ্তির দাবি জানান। একই সাথে এলাকবাসীও তার পক্ষে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য বিএনপির হাইকমান্ডের প্রতি দাবি জানান————————————————————————————————————————————————–
                                                                      সুন্দরগঞ্জে ৪৭ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ, বাড়ির মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

শাহ মোঃ রেদওয়ান, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৭ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক শামছুল হকের ছেলে সুজন মিয়াকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সহকারি কমিশনার (ভূমি) আহরাব আল আকাশ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উজান বোচাগাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আহরাব আল আকাশ। এ সময় উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এসএম আসিফ হাসান উপস্থিত ছিলেন। অভিযানকালে সুজন মিয়ার বাড়িতে মজুত করে রাখা ৪৭ বস্তা সার উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এ সময় সার মজুতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বৈধতার বিষয়টি যাচাই করা হয়। পরে বাড়ির মালিকের ছেলে সুজন মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত সারগুলো নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করে সেই অর্থ রাষ্ট্রিয় কোষাগারে জমা করা হয়। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার অবৈধভাবে মজুত, কৃতিম সংকট সৃষ্টি কিংবা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। কৃষকদের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

শাহ মোঃ রেদওয়ানুর রহমান ,প্রতিনিধি ,সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা