০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

রসুলপুর-এওয়াজপুরে গ্যাংস্টার জোড়ায় জোড়ায়, মাদক সেয়ানারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৭:২৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / ২৬ Time View
বিশেষ প্রতিনিধি : দক্ষিণ ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার শশীভূষণ থানা এলাকার মাদক ব্যবসা, যৌন উত্তেজনার ইয়্যাবা ট্যাবলেট বেচাকেনার ব্যবসা ও নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীর দেহ ব্যবসার চীফ গ্যাং স্টার সাহাবুদ্দিন পন্ডিত আফছার পন্ডিত মাদক মামলা ও ধর্ষণ মামলা ভিন্ন গাড়ি ভাংচুর মামলায় ও অগ্নি সংযোগ করার মামলায় গ্রেফতার হলেও তাদের সেকেন্ড চীফ গ্যাং স্টার জসিম দর্জি ও আলম পন্ডিত এখনো গ্রেফতার হয় নাই। সেকেন্ড চীফ গ্যাংস্টার জসিম দর্জি ও আলম পন্ডিত গ্রেফতার না হলে থার্ড চীফ গ্যাংষ্টার রফিক কয়াল ও ইউনুস মাঝি গ্রেফতার হওয়া দুরূহ হয়ে দাঁড়াবে। ফোর্থ ও ফিফ্ত গ্যাংস্টারদেরকে পুলিশ জানতেও পারবে না। ঐ গ্যাংষ্টার গুলো জোড়ায় জোড়ায় স্বামী-স্ত্রীর গোপন যৌন মেলামেশার মত মিলেমিশে সদা সর্বদা সঙ্গোপনে মাদক বেচাবিক্রি করে। যৌন উত্তেজনার ইয়্যাব্যা ট্যাবলেট বেচাকেনা করে। নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীর গোপন ও অবৈধ যৌন মেলামেশার দেহ ব্যবসা করে। দূরদূরান্ত হতে মাদক আনে, গোপন রাখে, ইয়্যাব্যা ট্যাবলেট আনে। বিভিন্ন এলাকার নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীদেরকে জিম্মি ও আটক করে বিভিন্ন কৌশলে পরপুরুষের সাথে মেলামেশা করায়। এবং পরপুরুষের সাথে মেলামেশা করতে বাধ্য করে। চীফ অফ ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড ফোর্থ……. গ্যাংস্টারদের সাথে মোবাইল ফোনের কন্টাকের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকার নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীদেরকে দিনের ও রাতের যেকোন সময় দেহ ব্যবসায়ীর দালালদের মাধ্যমে চরফ্যাসন সদর, ভোলা সদর, বরিশাল, ঢাকা, পটুয়াখালী, চট্রগ্রাম, সিলেট, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, টংগীসহ বিভিন্ন এলাকার হোটেলে পাঠানো হয়। এমনকি সরকারি আমলা-কামলা, পুলিশ অফিসার, মন্ত্রী, এমপি, বিসিএস ক্যাডার, সরকারি চাকরিজীবী, ছাত্রনেতা, ঢাকসুর ভিপি, ঢাকসুর এজিএস সহ বিভিন্ন ভিআইপিদের নিকট পাঠানো হয়। এভাবে পাঠানোর জন্য সঙ্গীকে স্বামী এবং সঙ্গিনীকে স্ত্রী বলার ছবক দেওয়া হয়।
নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীদেরকে  দালালদের মাধ্যমে দেহ ব্যবসায়  পাঠানোর জন্য উক্ত গ্যাংস্টারদের নেতৃত্বে নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীদেরকে আগেভাগে দখলে নিয়ে ও তাদেরকে নানা রকম নির্যাতন করে দেহ ব্যবসায় নিয়োজিত হতে বাধ্য করা হয়। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে শশীভূষণ বাজার আওয়ামীলীগ অফিসের কেয়ারটেকার ও রসুলপুর তিন নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও বহু বিবাহী জলিল পন্ডিতের বসত রাড়িকে পতিতার গোপন সঞ্চয়াগার হিসেবে ব্যবহার করা হতো। পতিতাদেরকে রাজনৈতিক নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য রসুলপুর ইউনিয়নের পন্ডিত বাড়ির লোকজনের সমর্থণে জলিল পন্ডিতের একপুত্র জেড এইচ ইভান কে ঐ এলাকার ছাত্রলীগের আবাসিক কমিটির পদবী দেওয়া হয়েছিল। বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ আমলে হটাৎ ঐ জেড এইচ ইভানের প্রেম জনিত মৃত্যূর খবর পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি বহু বিবাহী আব্দুল জলিল পন্ডিত মারা যাওয়ার দিনে বহু বিবাহী জলিল পন্ডিতের দাফন নিয়ে সংঘটিত  মল্লযুদ্ধের ঘটনায় যুক্ত বহুমুখী লোকজনের কাছ থেকে জানা যায় যে, ইভানকে জলিল পন্ডিতের ছোট স্ত্রী গভীর রাতে গলা টিপে হত্যা করে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে। এবং সেই দিন ইভানের মৃত্যূকে আত্মহত্যার মৃত্যূ বলে প্রচার করা হয়। আর তার এক জামাইর কথায় জানা যায় যে, জলিল পন্ডিতের মেয়ে খাদিজা আক্তার স্মৃতি তার এক বেয়াইর সাথে মেলামেশা করে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়। সেই অন্তঃসত্ত্বাত্ব বিমোচনের জন্য সেই বাড়ির আরো মহিলাদের সাথে যোগসাজশ করে খাদিজা ভ্রূণ হত্যার আশ্রয় নিয়ে নিজ গর্ভে ধারণকৃত বেয়াইর সন্তান হত্যা করে। খাদিজা ওরফে স্মৃতি স্বামীকে ফাঁকি দিয়ে জাহানপুরের সেলিমের পুত্র খোকনের সাথে ও এওয়াজপুরের আলামিনের সাথেও গোপন যৌন মেলামেশায় নিয়োজিত থাকে। ভোলা সদরের পৌর পাঁচ নং ওয়ার্ডের মহাজন পট্টির হাবিব হোটেলে সে তার পরকীয়া স্বামীদের সাথে হাতেনাতে ধরা পড়ে। এই সকল ঘটনাগুলো পুরোপুরি সত্য হলেও জলিল পন্ডিতের মৃত্যূর আগে কখনোই এগুলো এত প্রকাশ পায় নাই। এই রকম আরো অনেক ঘটনা আছে গ্যাংস্টার জলিল পন্ডিতের মত লুকানো। সেগুলো বেশির ভাগ লুকিয়ে লুকিয়ে ব্যবসা করত গতকালের গ্রেফতারে পরা- এওয়াজপুর দুই নং ওয়ার্ডের সাহাবুদ্দিন পন্ডিত মেম্বার, রসুলপুরের আফছার পন্ডিত, এওয়াজপুর দুই নং ওয়ার্ডের নয়া দর্জি বাড়ির জসিম পন্ডিত, রসুলপুরের মেম্বার আলম পন্ডিত। এওয়াজপুর দুই নং ওয়ার্ডের রফিক কয়াল ও ইউনুস মাঝি। তারা এলাকায় জোড়ায় জোড়ায় অবস্থান নিয়ে গোপনে গোপনে মাদক বেচাকেনা করে। ইয়াবা ট্যাবলেট বেচাকেনা করে। যৌন মেলামেশার ব্যবসা করার ছাড়াও আরো অনেক খারাপ কাজের ব্যবসা করে। ছবিতে- এওয়াজপুর দুই নং ওয়ার্ডের ফ্যাসিবাদী মাদক ডিলার সাহাবুদ্দিন পন্ডিত গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ মামলায় গ্রেফতার, খাদিজার অবৈধ স্বামী গ্রেফতার।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

রসুলপুর-এওয়াজপুরে গ্যাংস্টার জোড়ায় জোড়ায়, মাদক সেয়ানারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে

Update Time : ০৭:২৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
বিশেষ প্রতিনিধি : দক্ষিণ ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার শশীভূষণ থানা এলাকার মাদক ব্যবসা, যৌন উত্তেজনার ইয়্যাবা ট্যাবলেট বেচাকেনার ব্যবসা ও নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীর দেহ ব্যবসার চীফ গ্যাং স্টার সাহাবুদ্দিন পন্ডিত আফছার পন্ডিত মাদক মামলা ও ধর্ষণ মামলা ভিন্ন গাড়ি ভাংচুর মামলায় ও অগ্নি সংযোগ করার মামলায় গ্রেফতার হলেও তাদের সেকেন্ড চীফ গ্যাং স্টার জসিম দর্জি ও আলম পন্ডিত এখনো গ্রেফতার হয় নাই। সেকেন্ড চীফ গ্যাংস্টার জসিম দর্জি ও আলম পন্ডিত গ্রেফতার না হলে থার্ড চীফ গ্যাংষ্টার রফিক কয়াল ও ইউনুস মাঝি গ্রেফতার হওয়া দুরূহ হয়ে দাঁড়াবে। ফোর্থ ও ফিফ্ত গ্যাংস্টারদেরকে পুলিশ জানতেও পারবে না। ঐ গ্যাংষ্টার গুলো জোড়ায় জোড়ায় স্বামী-স্ত্রীর গোপন যৌন মেলামেশার মত মিলেমিশে সদা সর্বদা সঙ্গোপনে মাদক বেচাবিক্রি করে। যৌন উত্তেজনার ইয়্যাব্যা ট্যাবলেট বেচাকেনা করে। নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীর গোপন ও অবৈধ যৌন মেলামেশার দেহ ব্যবসা করে। দূরদূরান্ত হতে মাদক আনে, গোপন রাখে, ইয়্যাব্যা ট্যাবলেট আনে। বিভিন্ন এলাকার নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীদেরকে জিম্মি ও আটক করে বিভিন্ন কৌশলে পরপুরুষের সাথে মেলামেশা করায়। এবং পরপুরুষের সাথে মেলামেশা করতে বাধ্য করে। চীফ অফ ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড ফোর্থ……. গ্যাংস্টারদের সাথে মোবাইল ফোনের কন্টাকের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকার নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীদেরকে দিনের ও রাতের যেকোন সময় দেহ ব্যবসায়ীর দালালদের মাধ্যমে চরফ্যাসন সদর, ভোলা সদর, বরিশাল, ঢাকা, পটুয়াখালী, চট্রগ্রাম, সিলেট, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, টংগীসহ বিভিন্ন এলাকার হোটেলে পাঠানো হয়। এমনকি সরকারি আমলা-কামলা, পুলিশ অফিসার, মন্ত্রী, এমপি, বিসিএস ক্যাডার, সরকারি চাকরিজীবী, ছাত্রনেতা, ঢাকসুর ভিপি, ঢাকসুর এজিএস সহ বিভিন্ন ভিআইপিদের নিকট পাঠানো হয়। এভাবে পাঠানোর জন্য সঙ্গীকে স্বামী এবং সঙ্গিনীকে স্ত্রী বলার ছবক দেওয়া হয়।
নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীদেরকে  দালালদের মাধ্যমে দেহ ব্যবসায়  পাঠানোর জন্য উক্ত গ্যাংস্টারদের নেতৃত্বে নারী-তরুনী-যুবতি-রমনীদেরকে আগেভাগে দখলে নিয়ে ও তাদেরকে নানা রকম নির্যাতন করে দেহ ব্যবসায় নিয়োজিত হতে বাধ্য করা হয়। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে শশীভূষণ বাজার আওয়ামীলীগ অফিসের কেয়ারটেকার ও রসুলপুর তিন নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও বহু বিবাহী জলিল পন্ডিতের বসত রাড়িকে পতিতার গোপন সঞ্চয়াগার হিসেবে ব্যবহার করা হতো। পতিতাদেরকে রাজনৈতিক নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য রসুলপুর ইউনিয়নের পন্ডিত বাড়ির লোকজনের সমর্থণে জলিল পন্ডিতের একপুত্র জেড এইচ ইভান কে ঐ এলাকার ছাত্রলীগের আবাসিক কমিটির পদবী দেওয়া হয়েছিল। বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ আমলে হটাৎ ঐ জেড এইচ ইভানের প্রেম জনিত মৃত্যূর খবর পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি বহু বিবাহী আব্দুল জলিল পন্ডিত মারা যাওয়ার দিনে বহু বিবাহী জলিল পন্ডিতের দাফন নিয়ে সংঘটিত  মল্লযুদ্ধের ঘটনায় যুক্ত বহুমুখী লোকজনের কাছ থেকে জানা যায় যে, ইভানকে জলিল পন্ডিতের ছোট স্ত্রী গভীর রাতে গলা টিপে হত্যা করে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে। এবং সেই দিন ইভানের মৃত্যূকে আত্মহত্যার মৃত্যূ বলে প্রচার করা হয়। আর তার এক জামাইর কথায় জানা যায় যে, জলিল পন্ডিতের মেয়ে খাদিজা আক্তার স্মৃতি তার এক বেয়াইর সাথে মেলামেশা করে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়। সেই অন্তঃসত্ত্বাত্ব বিমোচনের জন্য সেই বাড়ির আরো মহিলাদের সাথে যোগসাজশ করে খাদিজা ভ্রূণ হত্যার আশ্রয় নিয়ে নিজ গর্ভে ধারণকৃত বেয়াইর সন্তান হত্যা করে। খাদিজা ওরফে স্মৃতি স্বামীকে ফাঁকি দিয়ে জাহানপুরের সেলিমের পুত্র খোকনের সাথে ও এওয়াজপুরের আলামিনের সাথেও গোপন যৌন মেলামেশায় নিয়োজিত থাকে। ভোলা সদরের পৌর পাঁচ নং ওয়ার্ডের মহাজন পট্টির হাবিব হোটেলে সে তার পরকীয়া স্বামীদের সাথে হাতেনাতে ধরা পড়ে। এই সকল ঘটনাগুলো পুরোপুরি সত্য হলেও জলিল পন্ডিতের মৃত্যূর আগে কখনোই এগুলো এত প্রকাশ পায় নাই। এই রকম আরো অনেক ঘটনা আছে গ্যাংস্টার জলিল পন্ডিতের মত লুকানো। সেগুলো বেশির ভাগ লুকিয়ে লুকিয়ে ব্যবসা করত গতকালের গ্রেফতারে পরা- এওয়াজপুর দুই নং ওয়ার্ডের সাহাবুদ্দিন পন্ডিত মেম্বার, রসুলপুরের আফছার পন্ডিত, এওয়াজপুর দুই নং ওয়ার্ডের নয়া দর্জি বাড়ির জসিম পন্ডিত, রসুলপুরের মেম্বার আলম পন্ডিত। এওয়াজপুর দুই নং ওয়ার্ডের রফিক কয়াল ও ইউনুস মাঝি। তারা এলাকায় জোড়ায় জোড়ায় অবস্থান নিয়ে গোপনে গোপনে মাদক বেচাকেনা করে। ইয়াবা ট্যাবলেট বেচাকেনা করে। যৌন মেলামেশার ব্যবসা করার ছাড়াও আরো অনেক খারাপ কাজের ব্যবসা করে। ছবিতে- এওয়াজপুর দুই নং ওয়ার্ডের ফ্যাসিবাদী মাদক ডিলার সাহাবুদ্দিন পন্ডিত গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ মামলায় গ্রেফতার, খাদিজার অবৈধ স্বামী গ্রেফতার।