০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://www.facebook.com/obaidul1991

চট্টগ্রামে ২১ কর্মীর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • Update Time : ১১:৫৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / ১৮ Time View

রইস উদ্দিন হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনকারীদের হয়রানির অভিযোগ

চট্টগ্রামে দায়েরকৃত দুইটি মামলায় ছাত্রসেনা, যুবসেনা ও ইসলামী ফ্রন্টের ২১ কর্মীকে আসামি করার প্রতিবাদে এবং এসব মামলাকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সভাপতি ও আলেম মাওলানা মুহাম্মদ রইস উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের পর প্রকৃত অপরাধীরা এখনো গ্রেপ্তার না হলেও, হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনকারী নিরীহ কর্মীদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও চান্দগাঁও থানায় দুটি ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখিত মামলাগুলো হলো—পাঁচলাইশ থানার মামলা নং- ৩(৫)২০২৫ এবং চান্দগাঁও থানার মামলা নং- ৮(৫)২০২৫। এর মধ্যে পাঁচলাইশ থানার মামলায় ইতোমধ্যে চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে এবং মামলাটি বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত (SPLT-৩৯/২৬) ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (GR-৭৮/২৫) বিচারাধীন রয়েছে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, এজাহার ও চার্জশীটে আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অপরাধের উল্লেখ নেই এবং তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়নি। অভিযুক্তদের অধিকাংশই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও ইমাম-খতিব—যাদের বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই।
এতে আরও বলা হয়, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩) ধারা অপপ্রয়োগ করে মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে, যা আইনের অপব্যবহার বলে দাবি করেন তারা। পাশাপাশি, প্রকৃত হত্যাকারীদের আড়াল করতে এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতা ঢাকতে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যা সংবিধানস্বীকৃত অধিকার। অথচ সেটিকে ‘নাশকতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যা মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন।
এ প্রেক্ষিতে স্মারকলিপিতে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো—উক্ত দুইটি মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার, মাওলানা রইস উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার, এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানিমূলক মামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

(সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://www.facebook.com/obaidul1991

চট্টগ্রামে ২১ কর্মীর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

Update Time : ১১:৫৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

রইস উদ্দিন হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনকারীদের হয়রানির অভিযোগ

চট্টগ্রামে দায়েরকৃত দুইটি মামলায় ছাত্রসেনা, যুবসেনা ও ইসলামী ফ্রন্টের ২১ কর্মীকে আসামি করার প্রতিবাদে এবং এসব মামলাকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সভাপতি ও আলেম মাওলানা মুহাম্মদ রইস উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের পর প্রকৃত অপরাধীরা এখনো গ্রেপ্তার না হলেও, হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনকারী নিরীহ কর্মীদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও চান্দগাঁও থানায় দুটি ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখিত মামলাগুলো হলো—পাঁচলাইশ থানার মামলা নং- ৩(৫)২০২৫ এবং চান্দগাঁও থানার মামলা নং- ৮(৫)২০২৫। এর মধ্যে পাঁচলাইশ থানার মামলায় ইতোমধ্যে চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে এবং মামলাটি বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত (SPLT-৩৯/২৬) ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (GR-৭৮/২৫) বিচারাধীন রয়েছে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, এজাহার ও চার্জশীটে আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অপরাধের উল্লেখ নেই এবং তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়নি। অভিযুক্তদের অধিকাংশই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও ইমাম-খতিব—যাদের বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই।
এতে আরও বলা হয়, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩) ধারা অপপ্রয়োগ করে মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে, যা আইনের অপব্যবহার বলে দাবি করেন তারা। পাশাপাশি, প্রকৃত হত্যাকারীদের আড়াল করতে এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতা ঢাকতে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যা সংবিধানস্বীকৃত অধিকার। অথচ সেটিকে ‘নাশকতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যা মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন।
এ প্রেক্ষিতে স্মারকলিপিতে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো—উক্ত দুইটি মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার, মাওলানা রইস উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার, এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানিমূলক মামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

(সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)