১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬
https://sonalishopbd.com/

বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ

বিশেষ প্রতিনিধি, ভোলা
  • Update Time : ১১:১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৬ Time View
বিশেষ প্রতিনিধি ,ভোলা :বাংলাদেশের ভোলা ও পাংশায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ম্যজিস্ট্রেট নির্যাতন, সাংবাদিক নির্যাতন, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রী নির্যাতন চলছে। পুলিশের উপস্থিতিতে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা ম্যজিস্ট্রেটকে বা আইন কর্মকর্তাকে, বিএনপির রাজবাড়ী জেলার তাঁতীদলের নেতাদের গালিগালাজ করার মত, লাথিমারার মত, নাজেহাল করার মত, নাস্তানাবুদ করার মত, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের রসিমুদ্দিন বেপারী বাড়ির বাসিন্দা মৃত: মোস্তফা মাষ্টারের ছেলে শামীমের নেতৃত্বে ও উস্কানিতে ভোলা জেলার সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমকে ঐ শামীম গালিগালাজ করেছে, লাথি মেরেছে, নাজেহাল করেছে, কিল ঘুষি মেরেছে, রক্তাক্ত করেছে, জখম করেছে, হত্যা করে লাশ গুম করার প্রস্তুতি নিয়ে নাস্তানাবুদ করেছে। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার কোন না কোন থানার পুলিশ অফিসারের সাথে গোপন সম্পর্ক রেখে ঐ হত্যা চেষ্টার ঘটনা ঘটিয়েছে। শামীম গ্যাং নারী পাচারের উদ্দেশ্যে মাগীবাজির ব্যবসায় মেয়ে হাত করার জন্য, সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমের অজান্তে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমকে- কন্যা বিবাহের দায়গ্রস্ত পরিবারের মেয়ের অভিভাবকের কাছে, পাত্র হিসেবে দেখিয়ে পাত্রের ভূঁয়সী কু-প্রশংসা করে ও নানান তালের মিথ্যা কথা বলে থাকে।
মেয়ে বিবাহ দিতে ইচ্ছুক মেয়ে পক্ষকে- শামীম গ্যাং খুনী-সন্ত্রাসী-প্রতারকদের কথিত মতে- পাত্র হিসেবে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমকে শো করে ঐ মেয়েকে পাচারের জন্য ও ধর্ষনের জন্য হাত করতে না পারায় ও অনেক সময় সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম উক্ত মেয়ে বা নারী পাচারে বাধা হওয়ায় বিএনপির এওয়াজপুর ইউনিয়নের যুবদল নেতা সাবেক ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের নেতা শামিম গ্যাং বা মাফিয়া শামিম, মহিউদ্দিন গ্যাং বা মাফিয়া মহিউদ্দিন (পিতা- জেবল হক) ভোলা জেলার সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমকে গত ইন্টেরিম সরকারের আমলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আসবে প্রস্তুতি নিয়ে আক্রান্ত করেছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম এর নিউজ করার কারণ দেখিয়ে ঐ হত্যা চেষ্টার হামলা-আক্রমন শুরু করেছিল। হত্যা চেষ্টার হামলা-আক্রমনের প্রস্তুতি হিসেবে ঘটনার চার-পাঁচ দিন আগে চরফ্যাশনের সাংবাদিক মোঃ সাহাবুদ্দিন হাওলাদারকে দিয়ে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমের ব্যবহৃত চোখের চশমা সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম এর অজান্তে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম এর দৈনন্দিন খাবারে দৈহিকভাবে দূর্বল করার খাদ্য উপাদন মিশিয়ে খাদ্য খাওয়ানো হয়েছিল। এহেন খাদ্য সন্ত্রাস করার জন্য ঐ শামীমের দলের মাফিয়া সন্ত্রাসী মেয়ে নাজনীন সুলতানা রুমীকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম এর ছোট ভাইয়ের গৃহ বধু করে ঐ সংসারে আরো অনেক গোপন সন্ত্রাস করিয়ে ঐ সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম এর মাতা ফরিদা বেগমকে পরিকল্পিতভাবে গুপ্ত হত্যা করেছে। রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার ভোক্তা অধিকার অভিযানে এক নারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে তাঁতি দলের নেতাকর্মীরা যখন কিল, ঘুষি ও লাথি মারছিল, পুলিশ তখন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কেবল নির্লজ্জের মতো তামাশা দেখেছে! পুলিশের কাছে দেশবাসী জানতে চায়- আপনাদের (পুলিশের) কাজ কি শুধু কাপুরুষের মতো দাঁড়িয়ে মার খাওয়া দেখা? একজন আইন কর্মকর্তাকে যারা বাঁচাতে পারে না, সেই অথর্ব পুলিশের ওপর দেশের সাধারণ মানুষ কীভাবে নির্ভর করবে? নিজেদের নিরাপত্তা না থাকলে অভিযোগকারী বা আইনের কর্মকর্তারা কেউই আর পদক্ষেপ নেবে না, ফলে অপরাধী বিএনপির লোকেরা ফ্রিমাইন্ডে বুক ফুলিয়ে অপরাধ করবে। দিনে-দুপুরে
একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর তাঁতি দলের এই নগ্ন, অসভ্য, সন্ত্রাসী ও বর্বরোচিত হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে প্রশাসনের প্রতি কঠোর দাবি জানানো হচ্ছে যে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই মূর্খ ও জঘন্য হামলাকারী বিএনপি ও দেশের আইন অমান্যকারী নেতাদেরকে বা মাফিয়া বিএনপি নেতাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন। দেশের বর্তমান জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতনকে হালাল বুঝানোর জন্য বর্তমান স্পীকার মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন পন্ডিত বীর বিক্রম মুক্তিযোদ্ধাকে শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলীকে জাতীয় সংসদে চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করার নজির টেনে বলতে শোনা গেছে যে, বর্তমান সরকারের আমলের জাতীয় সংসদ অতীতের সকল সংসদের চেয়ে ভালো। বর্তমান জাতীয় সংসদে কোন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে নাই। ছবিতে – রাজবাড়ীর ম্যজিস্ট্রেটকে পুলিশের উপস্থিতিতে লাথি মেরে নির্যাতন, জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

thedailysarkar

দৈনিক সরকার পত্রিকা ১৯৯১ সাল হতে ঢাকা হতে প্রকাশিত হচ্ছে।

https://sonalishopbd.com/

বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ

Update Time : ১১:১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
বিশেষ প্রতিনিধি ,ভোলা :বাংলাদেশের ভোলা ও পাংশায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ম্যজিস্ট্রেট নির্যাতন, সাংবাদিক নির্যাতন, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রী নির্যাতন চলছে। পুলিশের উপস্থিতিতে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা ম্যজিস্ট্রেটকে বা আইন কর্মকর্তাকে, বিএনপির রাজবাড়ী জেলার তাঁতীদলের নেতাদের গালিগালাজ করার মত, লাথিমারার মত, নাজেহাল করার মত, নাস্তানাবুদ করার মত, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের রসিমুদ্দিন বেপারী বাড়ির বাসিন্দা মৃত: মোস্তফা মাষ্টারের ছেলে শামীমের নেতৃত্বে ও উস্কানিতে ভোলা জেলার সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমকে ঐ শামীম গালিগালাজ করেছে, লাথি মেরেছে, নাজেহাল করেছে, কিল ঘুষি মেরেছে, রক্তাক্ত করেছে, জখম করেছে, হত্যা করে লাশ গুম করার প্রস্তুতি নিয়ে নাস্তানাবুদ করেছে। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার কোন না কোন থানার পুলিশ অফিসারের সাথে গোপন সম্পর্ক রেখে ঐ হত্যা চেষ্টার ঘটনা ঘটিয়েছে। শামীম গ্যাং নারী পাচারের উদ্দেশ্যে মাগীবাজির ব্যবসায় মেয়ে হাত করার জন্য, সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমের অজান্তে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমকে- কন্যা বিবাহের দায়গ্রস্ত পরিবারের মেয়ের অভিভাবকের কাছে, পাত্র হিসেবে দেখিয়ে পাত্রের ভূঁয়সী কু-প্রশংসা করে ও নানান তালের মিথ্যা কথা বলে থাকে।
মেয়ে বিবাহ দিতে ইচ্ছুক মেয়ে পক্ষকে- শামীম গ্যাং খুনী-সন্ত্রাসী-প্রতারকদের কথিত মতে- পাত্র হিসেবে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমকে শো করে ঐ মেয়েকে পাচারের জন্য ও ধর্ষনের জন্য হাত করতে না পারায় ও অনেক সময় সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম উক্ত মেয়ে বা নারী পাচারে বাধা হওয়ায় বিএনপির এওয়াজপুর ইউনিয়নের যুবদল নেতা সাবেক ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের নেতা শামিম গ্যাং বা মাফিয়া শামিম, মহিউদ্দিন গ্যাং বা মাফিয়া মহিউদ্দিন (পিতা- জেবল হক) ভোলা জেলার সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমকে গত ইন্টেরিম সরকারের আমলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আসবে প্রস্তুতি নিয়ে আক্রান্ত করেছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম এর নিউজ করার কারণ দেখিয়ে ঐ হত্যা চেষ্টার হামলা-আক্রমন শুরু করেছিল। হত্যা চেষ্টার হামলা-আক্রমনের প্রস্তুতি হিসেবে ঘটনার চার-পাঁচ দিন আগে চরফ্যাশনের সাংবাদিক মোঃ সাহাবুদ্দিন হাওলাদারকে দিয়ে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেমের ব্যবহৃত চোখের চশমা সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম এর অজান্তে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম এর দৈনন্দিন খাবারে দৈহিকভাবে দূর্বল করার খাদ্য উপাদন মিশিয়ে খাদ্য খাওয়ানো হয়েছিল। এহেন খাদ্য সন্ত্রাস করার জন্য ঐ শামীমের দলের মাফিয়া সন্ত্রাসী মেয়ে নাজনীন সুলতানা রুমীকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম এর ছোট ভাইয়ের গৃহ বধু করে ঐ সংসারে আরো অনেক গোপন সন্ত্রাস করিয়ে ঐ সাংবাদিক মোঃ আবুল কাশেম এর মাতা ফরিদা বেগমকে পরিকল্পিতভাবে গুপ্ত হত্যা করেছে। রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার ভোক্তা অধিকার অভিযানে এক নারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে তাঁতি দলের নেতাকর্মীরা যখন কিল, ঘুষি ও লাথি মারছিল, পুলিশ তখন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কেবল নির্লজ্জের মতো তামাশা দেখেছে! পুলিশের কাছে দেশবাসী জানতে চায়- আপনাদের (পুলিশের) কাজ কি শুধু কাপুরুষের মতো দাঁড়িয়ে মার খাওয়া দেখা? একজন আইন কর্মকর্তাকে যারা বাঁচাতে পারে না, সেই অথর্ব পুলিশের ওপর দেশের সাধারণ মানুষ কীভাবে নির্ভর করবে? নিজেদের নিরাপত্তা না থাকলে অভিযোগকারী বা আইনের কর্মকর্তারা কেউই আর পদক্ষেপ নেবে না, ফলে অপরাধী বিএনপির লোকেরা ফ্রিমাইন্ডে বুক ফুলিয়ে অপরাধ করবে। দিনে-দুপুরে
একজন নারী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর তাঁতি দলের এই নগ্ন, অসভ্য, সন্ত্রাসী ও বর্বরোচিত হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে প্রশাসনের প্রতি কঠোর দাবি জানানো হচ্ছে যে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই মূর্খ ও জঘন্য হামলাকারী বিএনপি ও দেশের আইন অমান্যকারী নেতাদেরকে বা মাফিয়া বিএনপি নেতাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন। দেশের বর্তমান জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতনকে হালাল বুঝানোর জন্য বর্তমান স্পীকার মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন পন্ডিত বীর বিক্রম মুক্তিযোদ্ধাকে শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলীকে জাতীয় সংসদে চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করার নজির টেনে বলতে শোনা গেছে যে, বর্তমান সরকারের আমলের জাতীয় সংসদ অতীতের সকল সংসদের চেয়ে ভালো। বর্তমান জাতীয় সংসদে কোন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে নাই। ছবিতে – রাজবাড়ীর ম্যজিস্ট্রেটকে পুলিশের উপস্থিতিতে লাথি মেরে নির্যাতন, জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন।