০৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পিপলস টিভি ৬

ঝালকাঠি পৌরসভার উদ্যোগে  ছাপানো বাউল সোহরাব গীতিমালা’র  মোড়ক উন্মোচন 

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৩৯ Time View
আমিনুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠি পৌর মিলনায়তনে ২ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং মঙ্গলবার ১১ ঘটিকায় স্থানীয় আঞ্চলিক গানের গীতিকবি মোঃ সোহরাব হোসেন (বাউল সোরাব) কর্তৃক রচিত ও সুরকরা   গানের একখানা বই সুচারু রূপে প্রস্তুত করা হয় ঝালকাঠি পৌরসাভার উদ্যোগে। উক্ত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক  মোঃ কাওছার হোসেন। এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন  ঝালকাঠি’র অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  তৌহিদুল ইসলাম, কবিতাচক্রের সাংগঠনিক সম্পাদক কবি মো. মনিরুজ্জামান, উদীচী সভাপতি গোলাম সাঈদ খান, সাংবাদিক মানিক রায়, কবিতাচক্রের সাধারণ সম্পাদক ও বইটির সম্পাদক মু আল আমীন বাকলাই। এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট  তৌহিদুল ইসলাম বলেন অতীতের ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য বই আমাদের একমাত্র সংযোগস্থল। বই না থাকলে আমরা প্রাচীন ইতিহাস পেতাম না। পৌর প্রশাসক মহোদয় উদাহরণ টেনে বলেন প্লেটো এরিস্টোটাল সক্রেটিস এদের অনুভূতি এবং শিক্ষা লেখা হয়েছিল বিধায় আজও আমরা পাচ্ছি। লালনের অনেক গান হারিয়ে গেছে লিখিত না থাকায়।পৌরসভা শুধু রাস্তাঘাট তৈরি করা আর খাল কাটার কাজ না – সাংস্কৃতিক লালন করাও পৌরসভার কাজ। জনাব আল আমীন বাকলাই বলেন অতীতের মেয়র জাল জালিয়াতি কাগজপত্র তৈরি করে  ইকোপার্ক দখল করতে ছিলেন। আমরা সাংস্কৃতিক কর্মীরা এর প্রতিবাদ করায় আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছিল, আর আজকের প্রশাসক সাংস্কৃতিক কর্মীদের বই প্রকাশ করছেন।ঝালকাঠি পৌরসভার দেড়শত বছর উপলক্ষে একখানি স্মরণিকা প্রকাশের জন্য তিনি প্রশাসক মহোদয়ের নিকট দাবি জানান।  অনুষ্ঠানে উপস্থিত সোহরাব হোসেন তার হৃদয়ের আকুতি জানান।  পৌরসভার বদান্যতা ও আল-আমীন বাকলাই
এর  নিরলস পরিশ্রম  ছাড়া আমার পক্ষে এমনি একখানি বই প্রকাশ করা কোনক্রমেই সম্ভব হতো না। তিনি সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বইখানি থেকে একটি জারি গানের  খানিক পাঠ করে শুনান গোলাম সাইদ খান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাউল ছালমা, বাউল শুভ, শিল্পী  রফিকুল ইসলাম সপন, শিল্পী রুস্তুম আলী, সাংবাদিক আলমগীর শরীফ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মীরা ও পৌরসভার কর্মকর্তাবৃন্দসহ বাউল সোহরাব হোসেনের সহধর্মিনী এবং পরিবারের সদস্যরা।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thedailysarkar@gmail.com

About Author Information

ঝালকাঠি পৌরসভার উদ্যোগে  ছাপানো বাউল সোহরাব গীতিমালা’র  মোড়ক উন্মোচন 

Update Time : ০৩:২৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
আমিনুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠি পৌর মিলনায়তনে ২ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং মঙ্গলবার ১১ ঘটিকায় স্থানীয় আঞ্চলিক গানের গীতিকবি মোঃ সোহরাব হোসেন (বাউল সোরাব) কর্তৃক রচিত ও সুরকরা   গানের একখানা বই সুচারু রূপে প্রস্তুত করা হয় ঝালকাঠি পৌরসাভার উদ্যোগে। উক্ত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক  মোঃ কাওছার হোসেন। এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন  ঝালকাঠি’র অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  তৌহিদুল ইসলাম, কবিতাচক্রের সাংগঠনিক সম্পাদক কবি মো. মনিরুজ্জামান, উদীচী সভাপতি গোলাম সাঈদ খান, সাংবাদিক মানিক রায়, কবিতাচক্রের সাধারণ সম্পাদক ও বইটির সম্পাদক মু আল আমীন বাকলাই। এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট  তৌহিদুল ইসলাম বলেন অতীতের ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য বই আমাদের একমাত্র সংযোগস্থল। বই না থাকলে আমরা প্রাচীন ইতিহাস পেতাম না। পৌর প্রশাসক মহোদয় উদাহরণ টেনে বলেন প্লেটো এরিস্টোটাল সক্রেটিস এদের অনুভূতি এবং শিক্ষা লেখা হয়েছিল বিধায় আজও আমরা পাচ্ছি। লালনের অনেক গান হারিয়ে গেছে লিখিত না থাকায়।পৌরসভা শুধু রাস্তাঘাট তৈরি করা আর খাল কাটার কাজ না – সাংস্কৃতিক লালন করাও পৌরসভার কাজ। জনাব আল আমীন বাকলাই বলেন অতীতের মেয়র জাল জালিয়াতি কাগজপত্র তৈরি করে  ইকোপার্ক দখল করতে ছিলেন। আমরা সাংস্কৃতিক কর্মীরা এর প্রতিবাদ করায় আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছিল, আর আজকের প্রশাসক সাংস্কৃতিক কর্মীদের বই প্রকাশ করছেন।ঝালকাঠি পৌরসভার দেড়শত বছর উপলক্ষে একখানি স্মরণিকা প্রকাশের জন্য তিনি প্রশাসক মহোদয়ের নিকট দাবি জানান।  অনুষ্ঠানে উপস্থিত সোহরাব হোসেন তার হৃদয়ের আকুতি জানান।  পৌরসভার বদান্যতা ও আল-আমীন বাকলাই
এর  নিরলস পরিশ্রম  ছাড়া আমার পক্ষে এমনি একখানি বই প্রকাশ করা কোনক্রমেই সম্ভব হতো না। তিনি সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বইখানি থেকে একটি জারি গানের  খানিক পাঠ করে শুনান গোলাম সাইদ খান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাউল ছালমা, বাউল শুভ, শিল্পী  রফিকুল ইসলাম সপন, শিল্পী রুস্তুম আলী, সাংবাদিক আলমগীর শরীফ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মীরা ও পৌরসভার কর্মকর্তাবৃন্দসহ বাউল সোহরাব হোসেনের সহধর্মিনী এবং পরিবারের সদস্যরা।