https://www.facebook.com/obaidul1991
পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় কেরোসিন তেলখনি বন্ধ নিয়ে ধোঁয়াশা আজও কাটেনি
- Update Time : ০৪:০৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
- / ৯১ Time View
“
পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের,তেতুলিয়া শালবাহান এলাকার জুগিগজ গ্রামে আবিস্কৃত কেরোসিন তেলখনি নিয়ে ধোঁয়াশা আজও কাটছেনা।বিবিসিতে ঘন্টায় পর ঘন্টা এ সংবাদ টি শালবাহান সহ সেই সময় পূরো এলাকায় ব্যাপক আশার সঞ্চার করে।পরবর্তীতে হঠাৎ করে এখানে “কোন তেল নাই”ঘোষনা করে সেই কুপটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করে সেটিকে চিরস্থায়ী ভাবে সিলকালা করে দেওয়া হয়।আর এতেই শালবাহান তেলখনি নিয়ে সমগ্র এলাকা বাসির মনে মহা সন্দেহের দানা বেঁধে উঠে।স্থানীয় লোকজন এখনো আশায় বুক বেঁধে আছে -একদিন নিশ্চয়ই শালবাহান তেলখনিটি পূনরায় খননের শতভাগ উদ্যেগ নেবে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।সম্প্রতি এই তেলখনিটি চিরতরে বন্ধের রহস্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ঝড় উঠে।তবে কারো কারো মতে কোন আন্তর্জাতিক চাপ বা
সেই সময়কার সরকারের গোপন সমঝোতার কারনে শালবাহান তেলকুপটি চিরতরে সীলকালা করা হয়েছে,1986-97 অর্থবছরে ভূতাত্তিক অর্থবছরে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে শুরু হওয়া জালানি তেলের অনুসন্ধান কার্যক্রমে সে সময় ভারতের একেবারেই সীমান্ত ঘেঁষা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান জুগিগজ এলাকায় মাটির 9(নয়)শত মিটার মিটার গভীরে কেরোসিন তেলের সন্ধান পাওয়া যায়।সেই সময় বিদেশি বিশেষজ্ঞরা শালবাহানে উত্তোলনযোগ্য তেল থাকার বিষয়টি মোটামুটি নিশ্চিত করেন।এক তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়,ওই সময় তেল প্রাপ্তির সম্ভাবনা নিশ্চিত হওয়ার পর তৎকালীন এরশাদ সরকার তেলখনি খনন কাজ সহ এর উন্নয়নে 35(পয়ত্রিশ) কৌটি টাকার বিশাল বরাদ্ধ দিয়ে প্রকল্প প্রণয়ন সহ সরকারি ভাবে অনুমোদন ও দেওয়া হয়।এর পর সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ হেলিকপ্টারে চড়ে তেলখনির আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন ও করেন।

পরীক্ষামূলক ভাবে কিছু তেল উৎপাদনের মাত্র একসপ্তাহ্ পর তেল খনির কার্যক্রম সম্পূর্ন ভাবে বন্ধ করে দেয় সরকার।কতৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক ভাবে এখানে তেল নেই কারন দেখিয়ে ধীরে ধীরে পাততাড়ী গুটিয়ে রাতারাতি যন্ত্রপাতি গুলো সরিয়ে নেয়।তৎকালিন সময়ে মিডিয়াতে এ নিয়ে কোনো সূস্পষ্ট ব্যাখ্যাও পাওয়া যায়নি।এদিকে বাংলাদেশের তেল গ্যাস অনুসন্ধানের ইতিহাস ঘেঁটে দেখা গেছে 1980 সালে বাংলাদেশ সেল অয়েল কোম্পানী পঞ্চগড়ের শালবাহান সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধানের কাজ শুরু করে।এরই ধারাবাহিকতায় তেতুলিয়ার শালবাহান এলাকায় একটি অনূসন্ধান কূপ খনন করা হয়।
পরবর্তীতে শালবাহান তেলকূপটিকে শুষ্ক কূপ ঘোষনা করে সেটিকে চিরতরে সীলকালা করে দেওয়া হয়।যদিও পরবর্তীতে 1986-87 সালে বাংলাদেশ,সিঞ্চাপুর ও কোরিয়ার যৌথ জরিপে এখানে হাইড্রোকার্বনেটের উপস্থিতির সম্ভাবনার কথা বলা হয়;যা থেকেই শালবাহানে তেল প্রাপ্তির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাই মোটামুটি নিশ্চিত করেন।স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের মতে,শালবাহানের মাটির গভীরে বিপুল পরিমান উত্তোলন যোগ্য ডিজেল বা কেরোসিন মজুত আছে।এ বিষয়ে পঞ্চগড়ের সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক পঞ্চগড় জজকোর্ট অ্যাডভোকেট আবু হানিফ বলেন,আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কারনেই শালবাহান তেলকূপটি বন্ধ করা হয়েছে।তবে আমরা সমগ্র পঞ্চগড় বাসি খুব শিগগিরই এ তেলকুপটি খননের দাবিতে মানববন্ধন সহ নানা কর্মসূচী নিয়ে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বরাবরা আবেদন করব।তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহিন খুসরু জানান নতুন করে তেলের সম্বাভনা যাচাইয়ের জন্য সরকার ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে জরুরী লিখিতভাবে পত্র প্রেরন করা হয়েছে।

















